Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

প্রবাস

নিউইয়র্কে রাইডশেয়ার ও ট্যাক্সিচালকেরা কতটা নিরাপদ?

ব্রুকলিনে গুলিবিদ্ধ বাংলাদেশি চালক রুহুল আমিন নাসির

Icon

নিউইয়র্ক প্রতিনিধি

প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ০২:২৮ এএম

নিউইয়র্কে রাইডশেয়ার ও ট্যাক্সিচালকেরা কতটা নিরাপদ?

বিজ্ঞাপন

নিউইয়র্ক সিটিতে সামগ্রিক বন্দুক সহিংসতা রেকর্ড মাত্রায় কমেছে—এমন সরকারি পরিসংখ্যান প্রকাশের কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে ব্রুকলিনে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন একজন বাংলাদেশি রাইডশেয়ার ও ট্যাক্সিচালক। জীবিকার সন্ধানে রাতভর নগরীর সড়কে থাকা চালকদের নিরাপত্তা, গাড়িতে ক্যামেরার ব্যবহার এবং হামলার পর দ্রুত অপরাধী শনাক্ত করার সক্ষমতা নিয়ে এ ঘটনা নতুন করে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে।

গুলিবিদ্ধ চালকের নাম রুহুল আমিন নাসির। কমিউনিটিতে তিনি ‘বিএনপি নেতা নাসির’ নামেও পরিচিত। স্থানীয় সংবাদমাধ্যম ও নিউইয়র্ক স্টেট ফেডারেশন অব ট্যাক্সি ড্রাইভার্স তাকে ৫০ বছর বয়সী ‘এমডি আমিন’ হিসেবে শনাক্ত করেছে। তিনি কুইন্সে বসবাস করেন এবং প্রায় ১৬ বছর ধরে নিউইয়র্কে গাড়ি চালিয়ে স্ত্রী ও সন্তানদের ভরণপোষণ করছেন। 

ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ভোর আনুমানিক ৪টা থেকে সাড়ে ৪টার মধ্যে। স্থানটি ব্রুকলিনের ফোর্ট গ্রিন এলাকার নর্থ পোর্টল্যান্ড অ্যাভিনিউ—পার্ক ও মির্টল অ্যাভিনিউয়ের মধ্যবর্তী অংশ, নিউইয়র্ক সিটি হাউজিং অথরিটির হুইটম্যান হাউসেসের কাছে।

পুলিশ সূত্রের বরাত দিয়ে স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, রুহুল আমিন নাসির একজন যাত্রীকে নামিয়ে দেওয়ার সময় তার গাড়ির সঙ্গে একটি মেডিকেল ডেলিভারি ভ্যানের ছোটখাটো সংঘর্ষ ঘটে। এরপর সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে বাকবিতণ্ডা শুরু হয়।

প্রাথমিক সংবাদে আমিনকে সরাসরি ওই বিরোধের পক্ষ হিসেবে দেখানো হলেও পরবর্তী প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তিনি পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করছিলেন এবং পুলিশ ডাকার পরামর্শ দিয়েছিলেন। একপর্যায়ে হুইটম্যান হাউসেসের দিক থেকে আসা এক ব্যক্তি আমিনের গাড়ির কাছে যায়, জানালায় আঘাত করে এবং খুব কাছ থেকে তার ডান গালে গুলি করে।

গুলি ছোড়ার পর হামলাকারী হুইটম্যান হাউসেসের দিকে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থলে গাড়ির ভাঙা কাচ ছড়িয়ে থাকতে দেখা যায়। পুলিশ এখন পর্যন্ত সন্দেহভাজনের বিস্তারিত পরিচয় প্রকাশ করেনি। 

এ ঘটনার বর্ণনায় একটি বিষয় এখনো পুরোপুরি পরিষ্কার নয়—বন্দুকধারী সংঘর্ষে জড়িত কারও পরিচিত ছিল, নাকি বিরোধের সঙ্গে সম্পর্কহীন একজন ব্যক্তি হিসেবে ঘটনাস্থলে এসেছিল। বিভিন্ন পুলিশ সূত্রভিত্তিক প্রতিবেদনে এ বিষয়ে কিছুটা ভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে। ফলে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হামলার উদ্দেশ্য ও হামলাকারীর সঙ্গে অন্যদের সম্পর্ক নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।

মুখে গুলিবিদ্ধ রুহুল আমিন নাসিরকে দ্রুত নিউইয়র্ক-প্রেসবিটেরিয়ান ব্রুকলিন মেথডিস্ট হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অস্ত্রোপচার সম্পন্ন হয়েছে। সর্বশেষ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্থিতিশীল অবস্থায় চিকিৎসাধীন এবং চিকিৎসকেরা আশা করছেন তিনি বেঁচে যাবেন। 

তবে মুখের কোন কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, দীর্ঘমেয়াদে কথা বলা, খাওয়া কিংবা গাড়ি চালানোর সক্ষমতায় প্রভাব পড়বে কি না—এসব বিষয়ে পরিবার বা হাসপাতাল আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত জানায়নি।

নিউইয়র্ক সিটি ট্যাক্সি অ্যান্ড লিমুজিন কমিশন—টিএলসি—হামলার নিন্দা জানিয়ে বলেছে, লাইসেন্সধারী চালকদের বিরুদ্ধে যেকোনো সহিংসতা অগ্রহণযোগ্য এবং প্রত্যেক চালকের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে কাজ করার অধিকার রয়েছে। 

নিউইয়র্ক স্টেট ফেডারেশন অব ট্যাক্সি ড্রাইভার্সের তথ্যানুযায়ী, দুই সপ্তাহের মধ্যে কর্মরত কোনো চালকের ওপর এটি দ্বিতীয় বন্দুক হামলা।

এর আগে ১১ জুলাই ব্রুকলিনে আরেক চালক গলায় গুলিবিদ্ধ হন। ওই মামলাতেও তাৎক্ষণিকভাবে কাউকে গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। সংগঠনটির বক্তব্য, স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দুটি হামলা দেখিয়ে দিচ্ছে যে রাতের শিফটে কাজ করা ট্যাক্সি, লিভারি ও অ্যাপভিত্তিক রাইডশেয়ার চালকেরা কতটা অরক্ষিত অবস্থায় রয়েছেন। 

ট্যাক্সিচালকদের নিরাপত্তার প্রশ্নটি শুধু যাত্রীদের কাছ থেকে সম্ভাব্য হামলার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সড়ক দুর্ঘটনা, রোড রেজ, ছিনতাই, গাড়ি ছিনতাইয়ের চেষ্টা এবং আশপাশে চলমান বিরোধে অনিচ্ছাকৃতভাবে জড়িয়ে পড়ার ঝুঁকিও তাদের মোকাবিলা করতে হয়। তারা প্রায়ই নগরীর এমন এলাকা ও সময়ে কাজ করেন, যখন প্রত্যক্ষদর্শী কম থাকে এবং দ্রুত প্রমাণ সংগ্রহ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

রুহুল আমিন নাসিরের ক্ষেত্রেও হামলাটি যাত্রীর ভাড়া বা রাইডশেয়ার লেনদেন নিয়ে হয়নি। একটি সামান্য গাড়ি সংঘর্ষের পর সৃষ্ট উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করতে গিয়ে তিনি গুলিবিদ্ধ হন বলে এখন পর্যন্ত পাওয়া তথ্য নির্দেশ করে।

চলতি মাসের জানুয়ারি ১ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে চার ধরনের সহিংস অপরাধের মোট ঘটনা ঘটেছে ২২ হাজার ৩৩২টি। ২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ২৩ হাজার ১৭০টি। অর্থাৎ, সামগ্রিকভাবে সহিংস অপরাধ প্রায় ৩ দশমিক ৬ শতাংশ কমেছে।

২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে হত্যাকাণ্ড ঘটেছে ১২২টি। ২০২৫ সালের একই সময়ে হত্যাকাণ্ডের সংখ্যা ছিল ১৬২টি। সে হিসাবে হত্যাকাণ্ড কমেছে ২৪ দশমিক ৭ শতাংশ।

এ সময়ে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে ১ হাজার ৬৬টি, যা আগের বছরের একই সময়ে ছিল ১ হাজার ৮টি। অর্থাৎ, ধর্ষণের ঘটনা ৫ দশমিক ৮ শতাংশ বেড়েছে।

ডাকাতি ও ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছে ৬ হাজার ৩৮৭টি। ২০২৫ সালের একই সময়ে এ ধরনের অপরাধের সংখ্যা ছিল ৭ হাজার ২৪৮টি। সে হিসাবে ডাকাতি ও ছিনতাই কমেছে ১১ দশমিক ৯ শতাংশ।

অন্যদিকে, গুরুতর হামলার ঘটনা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে। ২০২৬ সালের প্রথম ছয় মাসে গুরুতর হামলার ঘটনা ঘটেছে ১৪ হাজার ৭৫৭টি, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ১৪ হাজার ৭৫২টি।

এই চারটির বাইরে চুরি, বাড়িতে অনধিকার প্রবেশ এবং গাড়ি চুরিসহ সাত ধরনের মেজর ইনডেক্স ক্রাইমের মোট সংখ্যা ছিল ৫৫,১৫৭—আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৫.৮ শতাংশ কম।

একই সময়ে শহরে ৩২২টি শুটিংয়ের ঘটনায় ৩৮১ জন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। হত্যাকাণ্ড ছিল ১২২টি। এনওয়াইপিডির মতে, প্রথম ছয় মাসের হিসাবে তিনটিই নিউইয়র্কের রেকর্ডকৃত ইতিহাসে সর্বনিম্ন। তবে সামগ্রিক সংখ্যা কমে যাওয়া মানেই প্রতিটি পেশাজীবী গোষ্ঠীর ঝুঁকি সমান হারে কমেছে—এমন সিদ্ধান্ত টানা যায় না। ট্যাক্সি ও রাইডশেয়ার চালকদের জন্য আলাদা করে কতটি হামলা, ডাকাতি, গাড়ি ছিনতাই বা শুটিং হয়েছে, এনওয়াইপিডির বহুল প্রচারিত অর্ধবার্ষিক প্রতিবেদনে তার স্বতন্ত্র পরিসংখ্যান নেই।

ফলে সিটিতে শুটিং কমলেও চালকদের পেশাগত নিরাপত্তা কতটা উন্নত হয়েছে, তা শুধু সামগ্রিক অপরাধের সংখ্যা দিয়ে পরিমাপ করা কঠিন।

আরও গুরুত্বপূর্ণ হলো, গুরুতর হামলার সংখ্যা প্রায় অপরিবর্তিত রয়েছে—২০২৬ সালে ১৪,৭৫৭টি, আগের বছর ছিল ১৪,৭৫২টি। অর্থাৎ হত্যাকাণ্ড ও শুটিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমলেও প্রাণঘাতী নয় এমন গুরুতর সহিংসতার ঝুঁকি একই মাত্রায় রয়ে গেছে। 

নিউইয়র্ক স্টেট ফেডারেশন অব ট্যাক্সি ড্রাইভার্সের প্রতিষ্ঠাতা ফার্নান্দো মাতেও শহরের প্রতিটি ট্যাক্সি ও রাইডশেয়ার গাড়িতে ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করার দাবি জানিয়েছেন।

তার যুক্তি, গাড়ির ভেতর ও বাইরে সংঘটিত হামলার ভিডিও ধারণ করা গেলে পুলিশ দ্রুত সন্দেহভাজন শনাক্ত করতে পারবে। একই সঙ্গে সম্ভাব্য হামলাকারীরাও ক্যামেরার উপস্থিতির কারণে নিরুৎসাহিত হতে পারে।

নিউইয়র্ক সিটি মেয়র জোহরান মামদানির প্রশাসনের প্রতি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। সংগঠনটি আমিনের পরিবারের জন্য অর্থ সংগ্রহ, চিকিৎসা ও আর্থিক সহায়তা পাওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা এবং হামলাকারীর তথ্যদাতার জন্য পুরস্কার ঘোষণার উদ্যোগ নিয়েছে। 

তবে ক্যামেরা বাধ্যতামূলক করতে হলে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তরও প্রয়োজন—ক্যামেরা ও তথ্য সংরক্ষণের ব্যয় কে বহন করবে, ভিডিও কত দিন রাখা হবে, যাত্রীদের গোপনীয়তা কীভাবে নিশ্চিত হবে এবং চালকের সম্মতি ছাড়া রাইডশেয়ার কোম্পানি বা অন্য কোনো পক্ষ ভিডিও ব্যবহার করতে পারবে কি না।

কেবল ক্যামেরা বসালেই নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে না। জরুরি সহায়তা বোতাম, দ্রুত পুলিশি সাড়া, চালকদের জন্য সংঘাত এড়ানোর প্রশিক্ষণ, হামলার শিকার চালকের আয় ও চিকিৎসা সুরক্ষা এবং উচ্চঝুঁকির স্থানগুলোতে বাড়তি নজরদারিও প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

২৪ জুলাইয়ের ঘটনার পর প্রকাশিত সর্বশেষ নির্ভরযোগ্য প্রতিবেদনে কোনো গ্রেপ্তারের তথ্য পাওয়া যায়নি। পুলিশ তদন্ত চালিয়ে যাচ্ছে। সন্দেহভাজনের ছবি, ভিডিও কিংবা বিস্তারিত বর্ণনাও জনসমক্ষে প্রকাশ করা হয়নি।

ঘটনার আশপাশে হাউজিং কমপ্লেক্স, সড়ক এবং একাধিক গাড়ি থাকায় ভবন বা ব্যক্তিগত নজরদারি ক্যামেরায় হামলাকারীর গতিবিধি ধারণ হয়ে থাকতে পারে। তদন্তকারীরা এমন ফুটেজ সংগ্রহ করেছেন কি না, তা আনুষ্ঠানিকভাবে জানানো হয়নি।

এই নীরবতাই প্রবাসী বাংলাদেশি ও চালক কমিউনিটির উদ্বেগ বাড়াচ্ছে। কারণ হামলাকারী শনাক্ত না হলে একই এলাকায় চালকদের আবারও ঝুঁকির মধ্যে কাজ করতে হবে।

রাইডশেয়ার ও ট্যাক্সিচালকদের বড় অংশ অভিবাসী। অনেকেই পরিবারের একমাত্র বা প্রধান উপার্জনকারী। কর্মরত অবস্থায় আহত হলে তারা শুধু চিকিৎসা সংকটেই পড়েন না—দীর্ঘ সময় গাড়ি চালাতে না পারায় আয়ও বন্ধ হয়ে যায়।

রুহুল আমিন নাসির প্রায় ১৬ বছর ধরে গাড়ি চালিয়ে পরিবারের ব্যয় নির্বাহ করছেন। ফলে তার পুনর্বাসন, হারানো আয় এবং পরিবারের দৈনন্দিন খরচের বিষয়টি তাৎক্ষণিক চিকিৎসার মতোই গুরুত্বপূর্ণ।

নিউইয়র্ক স্টেট ফেডারেশন অব ট্যাক্সি ড্রাইভার্স জানিয়েছে, আমিনসহ আক্রান্ত চালকদের জন্য তহবিল সংগ্রহ এবং ক্রাইম ভিকটিমস সহায়তা কর্মসূচির সঙ্গে যোগাযোগে তারা সহযোগিতা করবে। 

রুহুল আমিন নাসিরকে গুলি করা ব্যক্তি কে এবং অন্য গাড়ির যাত্রী বা সংশ্লিষ্ট কারও সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল কি না—এ প্রশ্নের উত্তর এখনো মেলেনি।

এ ছাড়া ঘটনাস্থলের নজরদারি ভিডিও উদ্ধার হয়েছে কি না, পুলিশ কোনো ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে কি না, হামলায় ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার হয়েছে কি না এবং তথ্যদাতার জন্য কত অর্থ পুরস্কার ঘোষণা করা হবে- এসব বিষয়ও প্রকাশ্যে আসেনি।

সবচেয়ে বড় প্রশ্ন, পরপর দুই চালক গুলিবিদ্ধ হওয়ার পরও চালকদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হবে কি না।

নিউইয়র্কে সামগ্রিক শুটিং ও হত্যাকাণ্ড কমার পরিসংখ্যান নিঃসন্দেহে ইতিবাচক। কিন্তু রুহুল আমিন নাসিরের মুখে গুলি লাগার ঘটনা মনে করিয়ে দেয়—সংখ্যার উন্নতি এবং প্রতিদিন রাতের সড়কে জীবিকা অর্জনকারী একজন অভিবাসী চালকের বাস্তব নিরাপত্তা সবসময় একই চিত্র তুলে ধরে না।

কাজ করতে বেরিয়ে একজন চালক যেন গুলিবিদ্ধ হয়ে হাসপাতালে না ফেরেন—এ নিশ্চয়তা প্রতিষ্ঠা করতে শুধু অপরাধ কমার পরিসংখ্যান নয়, প্রয়োজন দ্রুত বিচার, কার্যকর প্রযুক্তি, লক্ষ্যভিত্তিক নিরাপত্তাব্যবস্থা এবং আক্রান্ত পরিবারের পাশে দাঁড়ানোর স্থায়ী কাঠামো।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার