Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

যে সঞ্চয়পত্রে ৩ মাস পর পর মুনাফার টাকা তোলা যায়

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৩ এএম

যে সঞ্চয়পত্রে ৩ মাস পর পর মুনাফার টাকা তোলা যায়

বিজ্ঞাপন

তিন মাস পর পর মুনাফা তোলার সুবিধা থাকায় তিন মাস অন্তর মুনাফাভিত্তিক সঞ্চয়পত্র হতে পারে বিনিয়োগের একটি বিকল্প। দেশের সব শ্রেণি ও পেশার বাংলাদেশি নাগরিক এই সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন।

তিন বছর মেয়াদি এ সঞ্চয়পত্রে বিনিয়োগের পরিমাণ অনুযায়ী মুনাফার হার নির্ধারিত হয়।

এ সঞ্চয়পত্রের মূল্যমান এক লাখ, দুই লাখ, পাঁচ লাখ ও ১০ লাখ টাকা। ব্যক্তি পর্যায়ে একক নামে সর্বোচ্চ ৩০ লাখ এবং যুগ্ম নামে সর্বোচ্চ ৬০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায়। নির্দিষ্ট শর্তে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও এতে বিনিয়োগ করতে পারে।

সাড়ে সাত লাখ টাকা পর্যন্ত বিনিয়োগে তিন বছর মেয়াদ পূর্ণ হলে মুনাফার হার ১১ দশমিক ৮২ শতাংশ। সাড়ে সাত লাখ টাকার বেশি বিনিয়োগে এ হার ১১ দশমিক ৭৭ শতাংশ। মেয়াদপূর্তির আগে সঞ্চয়পত্র ভাঙালে মুনাফার হার কমে যাবে। আগে অতিরিক্ত মুনাফা পরিশোধ করা হয়ে থাকলে তা মূল টাকা থেকে সমন্বয় করা হবে।

আয়কর আইন, ২০২৩ অনুযায়ী মুনাফার ওপর উৎসে কর কাটা হয়। টিআইএন থাকলে করের হার ১০ শতাংশ, আর টিআইএন না থাকলে ১৫ শতাংশ। এ বছর থেকে উৎসে কাটা কর আয়কর রিটার্ন জমার সময় সমন্বয় করা যাবে।

বাংলাদেশের সব শ্রেণি-পেশার নাগরিক ছাড়াও নির্দিষ্ট শর্তে স্বীকৃত ভবিষ্য তহবিল, কৃষি ও খামারভিত্তিক আয় করা ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান, অটিস্টিকদের সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান, অনাথ আশ্রম, এতিমখানা এবং প্রবীণদের নিবন্ধিত আশ্রয়কেন্দ্র এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারে।

এতে নমিনি নিয়োগ, তিন মাস অন্তর মুনাফা উত্তোলন এবং মেয়াদপূর্তির আগে স্বয়ংক্রিয় পুনর্বিনিয়োগের সুবিধাও রয়েছে।

সঞ্চয়পত্রের ক্রেতা মারা গেলে নমিনি তা নগদায়ন করতে পারেন অথবা মেয়াদ পর্যন্ত মুনাফা তুলতে পারেন।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার