Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

সকালে জিম করার ৬টি উপকারিতা

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০২:০৮ পিএম

সকালে জিম করার ৬টি উপকারিতা

বিজ্ঞাপন

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়ামের বিকল্প নেই। তবে ব্যস্ততার কারণে অনেকেই শরীরচর্চার জন্য নির্দিষ্ট সময় বের করতে পারেন না।

কেউ দিনের শুরুতে ব্যায়াম করতে পছন্দ করেন, আবার কেউ কাজ শেষে সন্ধ্যায় শরীরচর্চা করেন। সময়ের এই ভিন্নতা থাকলেও নিয়মিত ব্যায়াম শরীর ও মন ভালো রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ব্যায়াম শরীরের বিপাকক্রিয়া সচল রাখতে, ক্যালরি খরচ করতে এবং অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সহায়তা করে। পাশাপাশি শরীরে ভালো লাগার অনুভূতি তৈরি করে এমন হরমোনের নিঃসরণ বাড়াতে পারে, যা মানসিক চাপ কমাতে ও মনমেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে।

তবে দিনের কোন সময়ে ব্যায়াম করলে বেশি উপকার পাওয়া যায়, তা নিয়ে অনেকেরই কৌতূহল রয়েছে। সকাল, দুপুর কিংবা সন্ধ্যা- যেকোনো সময় শরীরচর্চা করা সম্ভব। তবে দিনের শুরুতে ব্যায়াম করার কিছু বাড়তি সুবিধা রয়েছে।

সকালে ব্যায়াম করার ৬টি উপকারিতা

১. দিনভর কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে সাহায্য করে

সকালে শরীরচর্চা করলে দিনের শুরুতেই শরীর সক্রিয় হয়ে ওঠে। এতে ঝিমুনি কাটিয়ে দৈনন্দিন কাজের জন্য প্রস্তুত হওয়া সহজ হতে পারে।

২. রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে সহায়ক

নিয়মিত শরীরচর্চা রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমানো এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্য ভালো রাখতে ব্যায়াম গুরুত্বপূর্ণ। তবে শুধু সকালে ব্যায়াম করলেই ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমবে, এমন নয়।

৩. মনোযোগ বাড়াতে সাহায্য করে

সকালের ব্যায়াম শরীরের পাশাপাশি মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা সচল রাখতেও সহায়ক হতে পারে। এতে কাজের প্রতি মনোযোগ ধরে রাখা এবং বিভিন্ন কাজে মনোনিবেশ করা সহজ হয়।

৪. মনমেজাজ ভালো রাখে

শরীরচর্চার ফলে মস্তিষ্কে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে, যা মানসিক প্রশান্তি ও ভালো লাগার অনুভূতি তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে। ফলে দিনের শুরুটা ইতিবাচকভাবে করা সহজ হয়।

৫. ঘুমের মান উন্নত করতে পারে

নিয়মিত ব্যায়াম ঘুমের অভ্যাস ও মান উন্নত করতে সহায়তা করে। সকালে শরীরচর্চা করলে অনেকের দৈনন্দিন রুটিনও নিয়মিত থাকে। তবে ঘুমের ওপর ব্যায়ামের প্রভাব ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে।

৬. ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করে

শরীরচর্চা ক্ষুধা ও তৃপ্তির সঙ্গে সম্পর্কিত হরমোনের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে কারও কারও ক্ষেত্রে ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণ এবং স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখা সহজ হয়।

সব মিলিয়ে, ব্যায়ামের জন্য সকালই সবার ক্ষেত্রে সবচেয়ে উপযুক্ত সময়- এমন কোনো নির্দিষ্ট নিয়ম নেই। ব্যক্তির শারীরিক অবস্থা, দৈনন্দিন কাজের সময়সূচি ও পছন্দের ওপর নির্ভর করে ব্যায়ামের উপযুক্ত সময় নির্ধারিত হতে পারে।

তাই নির্দিষ্ট কোনো সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে নিজের সুবিধামতো সময়ে নিয়মিত শরীরচর্চার অভ্যাস গড়ে তোলাই গুরুত্বপূর্ণ।

সূত্র: ইন্ডিয়া ডট কম

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার