Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

এক কাঁধেই কি ব্যাগ ঝোলানোর অভ্যাস? শরীরে কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:২৮ এএম

এক কাঁধেই কি ব্যাগ ঝোলানোর অভ্যাস? শরীরে কী ক্ষতি হচ্ছে জানেন?

বিজ্ঞাপন

বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ে কি অভ্যাসবশত প্রতিদিন একই কাঁধে ব্যাগটা তুলে নেন? অফিসে যাওয়ার পথে ল্যাপটপের ভারী ব্যাগ হোক কিংবা বাজার যাওয়ার চটের ঝোলা—অনেকেই দেহের এক দিকেই সব ভার বহন করতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। প্রথম দিকে কোনো সমস্যা না ঠেকলেও দীর্ঘ দিন ধরে এই অভ্যাস চলতে থাকলে ঘাড়, কাঁধ ও পিঠের পেশি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বিশেষ করে ব্যাগের ওজন বেশি হলে এবং দীর্ঘক্ষণ তা বয়ে বেড়াতে হলে ঝুঁকি আরও বাড়ে। 

এক কাঁধে ব্যাগ নিলে শরীরে কী ঘটে?

চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত একই কাঁধে ব্যাগ বহনের ফলে শরীরের স্বাভাবিক ভঙ্গি বা পসচার নষ্ট হয়ে যায়। ব্যাগের ভার সামলাতে গিয়ে শরীরকে অলক্ষেই ভারসাম্য রক্ষায় নানা কসরত করতে হয়। এর প্রভাবে একদিকে কাঁধ সামান্য ওপরের দিকে উঠে যায় এবং শরীর এক দিকে হেলে পড়ে।

আরও পড়ুন
মেরুদণ্ডের দুই পাশের পেশি তখন আর সমানভাবে কাজ করতে পারে না। একদিকে অতিরিক্ত চাপ পড়ে, অন্য দিকটি নিষ্ক্রিয় থাকে। দীর্ঘ সময় এমন চললে পেশিতে প্রচণ্ড ক্লান্তি জমে। ফলস্বরূপ ঘাড় ও কাঁধে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, পিঠের ওপরের অংশ শক্ত হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। যাঁদের সারাদিন ডেস্কে বসে কাজ করতে হয় কিংবা যাদের আগে থেকেই ঘাড়-কোমরের সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বহুগুণ বেড়ে যায়।

অভ্যাসে বদল আনবেন কীভাবে?

এই ধরনের শারীরিক অস্বস্তি এড়াতে এবং সুস্থ থাকতে কিছু সহজ অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

ওজন কমান: প্রতিদিন ব্যাগে ঠিক কী কী জিনিস বহন করছেন, তা একবার যাচাই করুন। অপ্রয়োজনীয় জিনিস বাদ দিয়ে ব্যাগ সবসময় সাধ্যমতো হালকা রাখুন।

আরও পড়ুন
দু’কাঁধের ব্যবহার: পিঠে নেওয়ার ব্যাকপ্যাক ব্যবহারের সময় অবশ্যই দুটি স্ট্র্যাপই দুই কাঁধে ঝুলিয়ে নিন। একটি স্ট্র্যাপ ব্যবহার করলে শরীরের একদিকে অতিরিক্ত চাপ পড়ে।

কাছাকাছি রাখুন: পিঠের ব্যাগের স্ট্র্যাপ এমনভাবে সামঞ্জস্য করুন, যেন ব্যাগটি শরীরের একেবারে কাছাকাছি থাকে। ব্যাগ খুব বেশি নিচে ঝুলে থাকলে ভার সামলাতে শরীরের ভঙ্গি বিকৃত হতে পারে।

আরও পড়ুন
কাঁধ বদল করুন: ফ্যাশনের খাতিরে বা প্রয়োজনে এক কাঁধে ঝোলানোর ব্যাগ ব্যবহার করতে হলে নিয়মিত কাঁধ বদল করে নিন। দীর্ঘক্ষণ এক দিকে ভার রাখবেন না।

নিয়মিত ব্যায়াম: ঘাড়, কাঁধ, পিঠ এবং শরীরের মধ্যভাগের পেশিগুলোকে শক্তিশালী রাখতে নিয়মিত হালকা শারীরচর্চা করুন। তবে শরীরে যদি আগে থেকেই ব্যথা থাকে, তবে নিজের মতো করে কোনো কঠিন ব্যায়াম শুরু না করে ফিজ়িয়োথেরাপিস্টের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার