Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গড়ে তুলবেন যে ৫ অভ্যাস

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১২ এএম

কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে গড়ে তুলবেন যে ৫ অভ্যাস

বিজ্ঞাপন

বিশ্বজুড়ে তুলনামূলক কম বয়সি মানুষের মধ্যেও কোলন ক্যানসার শনাক্ত হওয়ার ঘটনা বাড়ছে। অনেক ক্ষেত্রেই রোগটি শুরুতে নীরবে অগ্রসর হয় এবং স্পষ্ট উপসর্গ দেখা দিতে সময় লাগে। তাই সূক্ষ্ম সতর্কসংকেতগুলো চিহ্নিত করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি প্রতিদিনের কিছু স্বাস্থ্যকর অভ্যাস কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।

কফি পান করুন

কফিতে প্রচুর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও প্রদাহরোধী উপাদান রয়েছে। এগুলো কোষের ক্ষতি ও প্রদাহ থেকে শরীরকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। এসব বিষয় কিছু ধরনের ক্যানসারের সঙ্গে সম্পর্কিত। চিকিৎসকদের মতে, কয়েকটি গবেষণায় কফি পানের সঙ্গে কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সম্পর্ক পাওয়া গেছে। একই সঙ্গে কফি পানের সঙ্গে সব ধরনের কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি কম থাকারও সম্পর্ক পাওয়া গেছে।

পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ করুন

ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার অন্ত্রে থাকা ক্ষতিকর উপাদানের সঙ্গে যুক্ত হয়ে সেগুলোকে কোলনের অভ্যন্তরীণ আবরণে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলা থেকে বাধা দিতে পারে। বিশেষজ্ঞরা বলেন, ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার কোলোরেক্টাল ক্যানসারের ঝুঁকি কম থাকার সঙ্গে সম্পর্কিত। এ ক্ষেত্রে সাধারণ দই, দুধ বা ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার বেছে নেওয়া যেতে পারে।

প্রক্রিয়াজাত মাংস কম খান

প্রতিদিন প্রক্রিয়াজাত মাংস খেলে কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) প্রক্রিয়াজাত মাংসকে ‘গ্রুপ-১ কার্সিনোজেন’ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ করেছে। অর্থাৎ, এটি মানুষের ক্যানসারের কারণ হতে পারে—এমন যথেষ্ট প্রমাণ রয়েছে। 

আরও পড়ুন
আঁশযুক্ত খাবার বেশি খান

আঁশসমৃদ্ধ খাবার হজম ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। পাশাপাশি এগুলো নিয়মিত মলত্যাগে সহায়তা করে, রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে ভূমিকা রাখে এবং কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি কমাতেও সহায়ক হতে পারে। খাবারে শিম, মসুর ডাল, পূর্ণ শস্য, ফল, শাকসবজি, বাদাম ও বীজ রাখা উচিত।

উপসর্গের অপেক্ষা না করে স্ক্রিনিং করুন

প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্য পরীক্ষা কোলনে অস্বাভাবিকতা প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করতে সাহায্য করে। ফলে সময়মতো চিকিৎসা নেওয়া সম্ভব হয় এবং রোগের অগ্রগতির ঝুঁকি কমানো যায়। বয়স বাড়ার সঙ্গে নিয়মিত পরীক্ষা আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।

চিকিৎসকরা বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ের কোলোরেক্টাল ক্যানসারে অনেক সময় স্পষ্ট কোনো সতর্কসংকেত থাকে না। গড় ঝুঁকির প্রাপ্তবয়স্কদের ৪৫ বছর বয়স থেকে স্ক্রিনিং শুরু করা উচিত। তবে পরিবারের কারও এ রোগের ইতিহাস বা অন্য কোনো ঝুঁকি থাকলে আরও কম বয়সে স্ক্রিনিং শুরু করার প্রয়োজন হতে পারে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার