বিজ্ঞাপন
ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকলে কিডনির ক্ষতি
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটানা বসে থাকলে কিডনির সমস্যা হতে পারে। টানা বসে না থেকে কিছু সময় পর পর উঠে হাঁটা চলা করতে হবে। বেশিরভাগ সময় বসে থাকলে কিডনিতে প্রভাব ফেলতে পারে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু কয়েক ঘণ্টা চেয়ারে বসে থাকলেই সরাসরি কিডনি নষ্ট হয়ে যায় না। তবে দিনের পর দিন শারীরিক পরিশ্রম বা হাঁটাচলা একেবারেই না থাকলে শরীরে বেশ কিছু সমস্যা তৈরি হতে পারে। আর সেগুলো ধীরে ধীরে কিডনির স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে।
দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিস থাকলে কিডনির ক্ষুদ্র রক্তনালি এবং রক্ত ছেঁকে পরিষ্কার করার গুরুত্বপূর্ণ অংশগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। ফলে ধীরে ধীরে কিডনির কাজ করার ক্ষমতা কমে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
কিডনির রোগের সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, প্রথম দিকে অনেক সময় কোনও স্পষ্ট উপসর্গ দেখা যায় না। ফলে শরীরে সমস্যা তৈরি হলেও অনেকেই বুঝতে পারেন না। যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, অতিরিক্ত ওজন, কিডনির রোগের পারিবারিক ইতিহাস বা অন্য কোনও ঝুঁকি রয়েছে, তাদের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করানো প্রয়োজন।
বিশেষজ্ঞদের মতে, শারীরিকভাবে কম সক্রিয় থাকলে শুধু ওজন বা রক্তে শর্করার উপরই প্রভাব পড়ে না, শরীরের রক্তসঞ্চালন ও বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উপরও প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষ করে অস্বাস্থ্যকর খাবার, পর্যাপ্ত ব্যায়ামের অভাব এবং ঘুমের সমস্যার সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বসে থাকার অভ্যাস যুক্ত হলে ঝুঁকি আরও বাড়তে পারে।
যাদের কাজের জন্য দীর্ঘক্ষণ বসে থাকতে হয়, তাদের পক্ষে কাজ ছেড়ে সারাক্ষণ হাঁটাহাঁটি করা সম্ভব নয়। তবে ছোট ছোট বিরতি নেওয়া যেতে পারে। কিছুক্ষণ পরপর চেয়ার থেকে উঠে কয়েক মিনিট হাঁটুন। ফোনে কথা বলার সময় সম্ভব হলে হাঁটতে পারেন। লিফটের বদলে সিঁড়ি ব্যবহার করাও ভাল অভ্যাস। সপ্তাহে নিয়মিত মাঝারি বা তুলনামূলক বেশি মাত্রার শরীরচর্চা করার চেষ্টা করুন।
শুধু অফিসের সময় নয়, কাজের বাইরে বাকি সময়টাও যদি সোফা বা বিছানায় বসে কাটে, তাহলে নিষ্ক্রিয় জীবনযাপন আরও বাড়ে। তাই দিনের মধ্যে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক হাঁটাচলা বাড়ানো দরকার।