বিজ্ঞাপন
যে সময়ে মিষ্টি খেলে সুগার বাড়বে না
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৭:২৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
মিষ্টি অনেকেরই প্রিয় খাবার। আর উৎসবের সঙ্গে মিষ্টি খাওয়াও যেন অবিচ্ছেদ্য। সামনেই আসছে অন্যতম বড় উৎসব পুজো। তাই এ সময় ঘরে ঘরেই মিষ্টি খাওয়া নতুন কিছু নয়।
‘মিষ্টি লাভার’দের কাছে তো প্রতিদিনের খাবারের শেষেও একটি মিষ্টি না হলে যেন তৃপ্তিই আসে না। তবে শরীরের কথা মাথায় রেখে চিনির পরিমাণে লাগাম টানা জরুরি। বিশেষ করে উৎসবের দিনগুলোতে মিষ্টি পুরোপুরি এড়িয়ে চলাও কঠিন। চিকিৎসকদের মতে, সময় ও পরিমাণের দিকে খেয়াল রেখে মিষ্টি খেলে তা খাদ্যাভ্যাসের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া সম্ভব।
খাওয়ার শেষে মিষ্টি খাওয়ার অভ্যাস কমাবেন যেভাবে
ভরপেট খাবার খাওয়ার পরও মিষ্টির জন্য মন কেমন করে? এই অভ্যাসের পেছনে মস্তিষ্কের ভূমিকা রয়েছে। তাই খাবারের শেষে মিষ্টি খাওয়ার পরিবর্তে খাবারের শুরুতেই অল্প পরিমাণ মিষ্টি খেয়ে নিতে পারেন। যেমন, আধখানা সন্দেশ। এতে মস্তিষ্কে মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা পূরণ হওয়ার সংকেত পৌঁছাতে পারে। ফলে খাবার শেষে আবার মিষ্টি খাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে।
হঠাৎ মিষ্টি খাওয়ার তীব্র ইচ্ছা হলে কী করবেন?
ডায়েট থেকে একেবারে মিষ্টি বাদ দিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। এতে উলটো মিষ্টির প্রতি আকাঙ্ক্ষা আরও বেড়ে যেতে পারে। চা বা কফির মতো পানীয়তে অতিরিক্ত চিনি না মেশানোই ভালো। তবে পরিমিত পরিমাণে ডেসার্ট খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। নিয়মিত খাবারের সঙ্গে অল্প পরিমাণ ডেসার্ট খাওয়ার অভ্যাসও করা যায়।
মিষ্টি খাওয়ার ইচ্ছা জাগলে এক গ্লাস পানি পান করেও দেখতে পারেন। অনেক সময় শরীরে পানির ঘাটতি হলে তৃষ্ণাকে মস্তিষ্ক মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা হিসেবে ব্যাখ্যা করতে পারে। তাই পানি পান করলে অনেক ক্ষেত্রে এই প্রবণতা কমে আসতে পারে।
খাওয়ার আগে নাকি পরে মিষ্টি খাবেন?
খালি পেটে মিষ্টি বা অন্য কোনো চিনিযুক্ত খাবার খাওয়া এড়িয়ে চলা ভালো। এতে রক্তে শর্করার মাত্রা দ্রুত বেড়ে যেতে পারে।
দুই বেলার ভারী খাবারের মাঝখানে অল্প পরিমাণ ডেসার্ট খাওয়ার সুযোগ রাখা যেতে পারে। তবে রাতের খাবারের পর মিষ্টি না খাওয়াই ভালো। রাতে হজমপ্রক্রিয়া তুলনামূলক ধীর হওয়ায় এ সময় মিষ্টি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়ার পাশাপাশি গ্যাস বা অম্বলের মতো সমস্যাও দেখা দিতে পারে।
ফলযুক্ত কিছু ডেসার্টও বেছে নিতে পারেন। বিভিন্ন ধরনের ফল দিয়ে তৈরি এমন ডেসার্ট পরিমিত পরিমাণে দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে। উৎসবের আনন্দ উপভোগের পাশাপাশি মিষ্টি খাওয়ার সময় ও পরিমাণে সচেতন থাকলেই ভারসাম্য বজায় রাখা সম্ভব।