Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

ব্লু-লাইটের চশমা কি সত্যিই চোখ রক্ষা করতে পারে?

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:০২ পিএম

ব্লু-লাইটের চশমা কি সত্যিই চোখ রক্ষা করতে পারে?

বিজ্ঞাপন

সারাদিন কম্পিউটার, ল্যাপটপ কিংবা মোবাইলের স্ক্রিনে চোখ আটকে থাকে? চোখের সুরক্ষায় তাই অনেকেই ব্লু-লাইট ফিল্টার চশমা ব্যবহার করেন। স্ক্রিনের ক্ষতিকর আলো থেকে চোখ বাঁচানোর প্রতিশ্রুতিতে বিশ্বজুড়ে এই চশমার বাজার এখন বিলিয়ন ডলারের। কিন্তু প্রশ্ন হলো সত্যিই কি এই চশমা চোখের ক্লান্তি কমায়?

শার্প সাইট আই হসপিটালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. ফিরদৌস কৌসার জানিয়েছেন, সাধারণ চশমার সঙ্গে ব্লু-লাইট ফিল্টার করা চশমা ব্যবহারকারীদের তুলনা করে করা নিয়ন্ত্রিত গবেষণায় চোখের ক্লান্তি কমানোর ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য পাওয়া যায়নি।

এর মূল কারণ হিসেবে ব্লু-লাইটকে দায়ী করা ঠিক নয়। দীর্ঘক্ষণ স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকলে আমরা চোখ কম এবং অসম্পূর্ণভাবে পলক ফেলি। ফলে চোখের ওপরের আর্দ্রতা দ্রুত কমে গিয়ে শুষ্কতা ও অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। এর সঙ্গে দীর্ঘ সময় কাছ থেকে স্ক্রিন দেখার কারণে চোখের ফোকাসিং পেশিতে চাপ পড়ে। স্ক্রিনের ভুল উচ্চতা বা দূরত্ব এবং পুরোনো পাওয়ারের চশমাও চোখের ক্লান্তি বাড়াতে পারে।

সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত ব্লু-লাইট শরীরে মেলাটোনিন কমিয়ে ঘুমের সময়সূচিতে প্রভাব ফেলতে পারে। সে ক্ষেত্রে ঘুমানোর আগে ব্লু-লাইট ফিল্টার করা চশমা কিছুটা কাজে আসতে পারে। তবে ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে স্ক্রিন ব্যবহার কমিয়ে দিলেও একই ধরনের উপকার পাওয়া সম্ভব।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ, চোখের যত্নে দামি চশমার চেয়ে কিছু সাধারণ অভ্যাস বেশি কার্যকর। ২০-২০-২০ নিয়ম মেনে প্রতি ২০ মিনিটে অন্তত ২০ সেকেন্ডের জন্য প্রায় ২০ ফুট দূরের কোনো বস্তুর দিকে তাকান। সচেতনভাবে সম্পূর্ণ পলক ফেলুন। স্ক্রিন চোখের উপযুক্ত উচ্চতা ও দূরত্বে রাখুন এবং পুরোনো চশমার পাওয়ার প্রয়োজন হলে পরীক্ষা করান।

অর্থাৎ, ব্লু-লাইটের চশমা ক্ষতিকর নয়, কিন্তু চোখের সব সমস্যার সমাধানও নয়। স্ক্রিনে চোখের ক্লান্তির আসল কারণগুলো ঠিক করাই হতে পারে বেশি কার্যকর উপায়।

সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার