বিজ্ঞাপন
অ্যাসিডিটি দূর করতে কোমল পানীয় কতটা কার্যকর?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
বিজ্ঞাপন
বুকজ্বালা বা অ্যাসিডিটির সমস্যায় আমরা অনেকেই তাৎক্ষণিক স্বস্তির জন্য কোমল পানীয় বা কোল্ড ড্রিংকস বেছে নিই। সাময়িকভাবে একটু আরাম মিললেও, চিকিৎসাবিজ্ঞান বলছে ভিন্ন কথা। আসলে কোমল পানীয় কি আসলেই অ্যাসিডিটি দূর করতে পারে, নাকি সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে? চলুন জেনে নেওয়া যাক—
কোমল পানীয় অ্যাসিডিটি বাড়ায়
১. কোমল পানীয় তৈরিতে প্রচুর পরিমাণে ফসফরিক অ্যাসিড এবং সাইট্রিক অ্যাসিড ব্যবহার করা হয়। এগুলো পাকস্থলীতে গিয়ে স্বাভাবিক অ্যাসিডের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেয়। ফলে বুকজ্বালা ও গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দ্বিগুণ হয়ে যায়।
২. এই পানীয়গুলোর ভেতরের বুদবুদ বা গ্যাস হলো কার্বন ডাই-অক্সাইড। এটি পেটে যাওয়ার পর পাকস্থলী ফুলে যায় এবং ভেতরের অ্যাসিডকে ওপরের দিকে (গলার দিকে) ঠেলে দেয়। একে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় অ্যাসিড রিফ্লাক্স বলা হয়।
সাময়িক স্বস্তি কেন মনে হয়?
কোমল পানীয় পান করার পর যে ঢেকুরটি ওঠে, তা আসলে ড্রিংকসের ভেতরে থাকা কার্বন ডাই-অক্সাইড গ্যাস। এটি পাকস্থলীর ভেতরের আটকে থাকা বাতাসকে বের করে দেয় বলে সাময়িকভাবে একটু হালকা বোধ হয়। কিন্তু এর কিছুক্ষণ পরেই আসল সমস্যা শুরু হয়।
কোমল পানীয়ের বদলে তাৎক্ষণিক স্বস্তি পেতে আপনি নিচের প্রাকৃতিক উপাদানগুলো বেছে নিতে পারেন—
ডাবের পানি: এটি প্রাকৃতিকভাবে ক্ষারীয়, যা পেটের অ্যাসিডকে শান্ত করে।
ঠান্ডা দুধ: এক গ্লাস ঠান্ডা দুধ পাকস্থলীর অতিরিক্ত গ্যাস্ট্রিক অ্যাসিডকে শুষে নেয়।
আদা চা বা আদার রস: আদার অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান হজমক্ষমতা বাড়ায় এবং গ্যাস কমায়।
পুদিনা পাতার রস বা পানি: পুদিনা পাতা পেট ঠান্ডা রাখে এবং বুকজ্বালা কমায়।