বিজ্ঞাপন
মস্তিষ্ককে আরও সচল ও প্রখর রাখতে খাদ্যতালিকায় রাখুন এই ৫টি খাবার
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ৩১ আগস্ট ২০২৬, ০১:৫১ পিএম
বিজ্ঞাপন
আমরা যা খাই তা কেবল শরীরকে শক্তিই জোগায় না, বরং আমাদের মস্তিষ্কের স্বাস্থ্য, মনোযোগ এবং সারাদিন মানসিকভাবে সজাগ থাকার ক্ষমতাকেও প্রভাবিত করে।
রাতারাতি মস্তিষ্কে জাদুকরী পরিবর্তন এনে দেয়—এমন কোনো একটিমাত্র খাবার না থাকলেও, প্রয়োজনীয় পুষ্টিগুণে ভরপুর একটি সুষম ডায়েট দীর্ঘমেয়াদে স্মৃতিশক্তি ও মানসিক কার্যক্ষমতাকে সহায়তা করতে পারে।
আপনি যদি একটি সুস্থ ও প্রখর মস্তিষ্ক চান, তবে ডা. সৌরভ শেঠী এমন ৫টি খাবারের কথা বলেছেন যেগুলো আপনার নিয়মিত খাদ্যতালিকায় যোগ করা উচিত।
মস্তিষ্ককে দ্রুত ও প্রখর করে তোলার ৫টি খাবার
১. আখরোট
ডা. সৌরভ শেঠী বলেন, ‘এগুলো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে ভরপুর। এগুলো মস্তিষ্কের নিউরনগুলোকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস বা জারণজনিত চাপ এবং প্রদাহ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে, যা ভালো স্মৃতিশক্তি ও কগনিটিভ ফাংশন বা জ্ঞানীয় কার্যক্ষমতাকে সহায়তা করে।’
২. ডিম
প্রোটিনের পাশাপাশি ডিমে রয়েছে কোলিন। তিনি আরও বলেন, ‘স্মৃতিশক্তি, শেখা এবং সামগ্রিক মস্তিষ্কের যোগাযোগের সঙ্গে জড়িত একটি নিউরোট্রান্সমিটার ‘অ্যাসিটাইলকোলিন’ উৎপাদনের জন্য কোলিন অত্যন্ত জরুরি।’
এগুলোতে ডিএইচএ এবং ইপিএ-র মতো ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড প্রচুর পরিমাণে থাকে। ডা. সৌরভ শেঠীর মতে, তৈলাক্ত মাছ মস্তিষ্কের একটি প্রধান কাঠামোগত উপাদান (যেমন কোষের ঝিল্লি) গঠনে সাহায্য করে এবং স্বাস্থ্যকর ও কার্যকর নিউরন বজায় রাখতে সহায়তা করে।
৪. মিষ্টি কুমড়ার বীজ
এগুলোতে রয়েছে ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক এবং কপার। জিঙ্ক স্নায়ুর সংকেত আদান-প্রদানে সাহায্য করে, অন্যদিকে ম্যাগনেসিয়াম স্বাভাবিক মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে এবং মানসিক কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এই বীজগুলোতে এমন আয়রন রয়েছে যা কগনিটিভ ডিক্লাইন বা জ্ঞানীয় পতন রোধ করে, মস্তিষ্কের জড়তা দূর করে এবং মানসিক স্ট্যামিনা বা সহনশক্তি বেশি রাখে।
৫. বেরি জাতীয় ফল
এগুলোতে শক্তিশালী পলিফেনল এবং অ্যান্থোসায়ানিন থাকে, যা মস্তিষ্কের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস এবং প্রদাহ কমাতে সাহায্য করে।
বেরিতে থাকা বিভিন্ন উপাদান মস্তিষ্কের কোষগুলোকে নতুন সংযোগ তৈরি করতে সাহায্য করে, যা তাৎক্ষণিক মনোযোগ বৃদ্ধি করে। এ ছাড়া এগুলো বয়সজনিত কারণে জ্ঞানীয় পতন বা কগনিটিভ ডিক্লাইনের গতি মন্থর করতেও সাহায্য করে।