Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

টানা ৩০ দিন ভেজানো কিশমিশ খেলে যে পরিবর্তন ঘটে শরীরে

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৭ পিএম

টানা ৩০ দিন ভেজানো কিশমিশ খেলে যে পরিবর্তন ঘটে শরীরে

বিজ্ঞাপন

ব্যস্ত জীবনে সহজে অনুসরণ করা যায় এমন স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের খোঁজে থাকেন অনেকেই। বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিন সকালে খালি পেটে ভেজানো কিশমিশ খাওয়ার অভ্যাস শরীরের জন্য বেশ উপকারী হতে পারে। এটি হজমশক্তি উন্নত করা থেকে শুরু করে শরীরের শক্তি বৃদ্ধি ও পুষ্টি গ্রহণে সহায়তা করতে পারে।

পুষ্টিবিদরা জানান, কিশমিশ পানিতে ভিজিয়ে রাখলে এটি নরম হয়ে যায় এবং এর পুষ্টি উপাদান শরীরে সহজে শোষিত হতে পারে। ফলে হজমের ওপর চাপ কম পড়ে এবং শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণে সুবিধা পায়।

হজমশক্তি উন্নত করতে সহায়ক

কিশমিশে থাকা খাদ্যআঁশ (ফাইবার) হজমপ্রক্রিয়া স্বাভাবিক রাখতে ভূমিকা রাখে। সকালে ভেজানো কিশমিশ খেলে কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা কমতে পারে এবং অন্ত্রের কার্যক্রম সচল থাকতে সাহায্য করে।

রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা

পটাশিয়ামসমৃদ্ধ কিশমিশ শরীরে সোডিয়ামের প্রভাব কমাতে সাহায্য করে। এ কারণে এটি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সহায়ক হতে পারে এবং হৃদ্‌স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়।

রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধে সহায়ক

কিশমিশে আয়রন ও কিছু বি-ভিটামিন রয়েছে, যা শরীরে লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সহায়তা করে। নিয়মিত পরিমিত পরিমাণে খেলে রক্তস্বল্পতার ঝুঁকি কমাতে ভূমিকা রাখতে পারে।

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টসমৃদ্ধ কিশমিশ শরীরকে অক্সিডেটিভ ক্ষতির বিরুদ্ধে সুরক্ষা দিতে সহায়তা করে। এর ফলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী রাখতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।

ত্বক ও লিভারের জন্য উপকারী

বিশেষজ্ঞদের মতে, কিশমিশে থাকা বিভিন্ন অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের সামগ্রিক সুস্থতা বজায় রাখতে সাহায্য করে। এতে ত্বকের স্বাভাবিক উজ্জ্বলতা ধরে রাখা এবং লিভারের স্বাভাবিক কার্যক্রমে সহায়তা মিলতে পারে।  

আরও পড়ুন
যেভাবে খাবেন

রাতে ঘুমানোর আগে ৮ থেকে ১০টি কিশমিশ একটি পরিষ্কার গ্লাসে পানিতে ভিজিয়ে রাখুন। সকালে খালি পেটে কিশমিশগুলো ভালোভাবে চিবিয়ে খান। চাইলে ভেজানো পানিটিও পান করতে পারেন।

সতর্কতা

ডায়াবেটিস, ইনসুলিন-সংবেদনশীলতা বা অন্য কোনো দীর্ঘমেয়াদি স্বাস্থ্যসমস্যা থাকলে নিয়মিত ভেজানো কিশমিশ খাওয়ার আগে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

তথ্যসূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার