Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

নিয়মিত সকালের নাশতা এড়িয়ে গেলে নারীদের যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ১০:২৪ এএম

নিয়মিত সকালের নাশতা এড়িয়ে গেলে নারীদের যেসব স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়তে পারে

বিজ্ঞাপন

অনেক নারী ওজন নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা বা ব্যস্ত জীবনযাপনের কারণে নিয়মিত সকালের নাশতা বাদ দেন। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, দিনের প্রথম খাবার এড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাস শরীরের ওপর বিভিন্ন ধরনের নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, সারারাত উপবাস থাকার পর শরীর ও মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যেতে প্রয়োজন হয় পর্যাপ্ত শক্তি ও পুষ্টির।

ভারতের চিকিৎসক ডা. রোহিনী পাটিলের বরাত দিয়ে হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, নিয়মিত সকালের নাশতা না খেলে শরীরে বেশ কিছু পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে যাদের হরমোনজনিত সমস্যা রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এর প্রভাব আরও বেশি হতে পারে।

শক্তি কমে যাওয়া ও মনোযোগে ঘাটতি

দীর্ঘ সময় খালি পেটে থাকলে শরীর পর্যাপ্ত শক্তি পায় না। এর ফলে সহজেই ক্লান্তি, অবসাদ, খিটখিটে মেজাজ এবং কাজে মনোযোগ ধরে রাখতে সমস্যা দেখা দিতে পারে।

আরও পড়ুন
রক্তে শর্করার ভারসাম্যে প্রভাব

সকালের নাশতা রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়ক ভূমিকা রাখে। দীর্ঘ সময় না খেয়ে থাকলে রক্তে শর্করার ওঠানামা হতে পারে, যার ফলে অতিরিক্ত মিষ্টি বা জাঙ্ক ফুড খাওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।

হরমোনজনিত সমস্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস), থাইরয়েডের সমস্যা বা অনিয়মিত মাসিকে ভোগা নারীদের জন্য নিয়মিত নাশতা বাদ দেওয়া আরও চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়ার অভ্যাস শরীরের স্বাভাবিক হরমোনীয় কার্যক্রম বজায় রাখতে সহায়তা করতে পারে।

পুষ্টির ঘাটতির আশঙ্কা

সকালের নাশতা থেকে সাধারণত প্রোটিন, আঁশ, ক্যালসিয়াম, আয়রন এবং বিভিন্ন ভিটামিন পাওয়া যায়। নিয়মিত এই খাবার বাদ দিলে এবং দিনের অন্য সময়েও সুষম খাদ্য গ্রহণ না করলে প্রয়োজনীয় পুষ্টির ঘাটতি দেখা দেওয়ার আশঙ্কা থাকে।

তবে ডা. রোহিনী পাটিলের মতে, সবার শরীর ও খাদ্যাভ্যাস এক নয়। কেউ কেউ ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং অনুসরণ করেও প্রয়োজনীয় পুষ্টি গ্রহণ করতে সক্ষম হন। তাই সবার জন্য একই ধরনের খাদ্যাভ্যাস উপযুক্ত নয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো শরীরের চাহিদা অনুযায়ী প্রতিদিন সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার