বিজ্ঞাপন
কমবে হতাশা বাড়বে পেশির শক্তি, জেনে নিন যোগাসনের সহজ এই পদ্ধতি
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১১ জুলাই ২০২৬, ১০:৩৫ এএম
বিজ্ঞাপন
দিনভর অফিসের ডেস্কে বসে কম্পিউটারের দিকে তাকিয়ে কাজ করা। আবার বাড়ি ফিরেও হাজার কাজ নিয়ে ব্যস্ত। আর সকালে বা বিকালে ৪০-৪৫ মিনিট সময় বার করা কি চাট্টিখানি কথা! শরীর ঠিক রাখতে কী ধরনের ব্যায়াম করা ভালো তা খুঁজে বের করতেও সময় চলে যায়। এদিকে অফিসে টানা ৮-৯ ঘণ্টা বসে কাজে শরীরের যে কত ক্ষতি, তা বলার মতো ভাষা নেই। টানা ঘণ্টা দুয়েক যদি চেয়ারে বসে কম্পিউটার স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকেন কেউ, তাহলে যেমন চোখের বারোটা বাজবে, ঠিক তেমনই নিতম্বের পেশির অসাড়তাও বাড়বে। এ সমস্যাকে বলা হচ্ছে— ‘অফিস চেয়ার বাট সিনড্রোম’।
এতে নিতম্বের পেশির আকারই বদলে যাচ্ছে। ফলে বদলাচ্ছে নিতম্বের গড়ন। এর থেকে বাঁচতে যোগাসনের সহজ এক পদ্ধতি আছে। চেয়ারে বসেই তা করা যায়। এর নাম 'সিটেড হিপ সার্কল'।
দীর্ঘ সময় বসে কাজ করছেন যারা, তাদের এক অদ্ভুত সমস্যা দেখা দিচ্ছে। এর থেকে বাঁচতে নানা ধরনের স্ট্রেচিং করার পরামর্শই দিচ্ছেন ফিটনেস প্রশিক্ষকরা। তবে যোগাসনের এক বিশেষ পদ্ধতি আছে, যা নিয়মিত অভ্যাসে পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির জোর বাড়বে।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, কীভাবে পেশির জোর বাড়াবেন—
পিঠ টানটান রেখে চেয়ারে সোজা হয়ে বসুন। মাথা ও ঘাড় সোজা থাকবে। দুই হাত থাকবে ঊরুর ওপর। এবার চেয়ারের সামনের দিকে কিছুটা এগিয়ে আসুন। হাঁটু সোজা রেখে ডান পা সামনের দিকে বাড়িয়ে দিন যতটা সম্ভব। এ অবস্থানে ডান পা ঘড়ির কাঁটার দিকে ধীরে ধীরে ঘোরাতে হবে চেয়ারে বসেই। এমনভাবে এটা করতে হবে, যাতে নিতম্বের পেশিতেও টান পড়ে। আর এ যোগাসনটি করার সময়ে শ্বাসপ্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকবে। ডান পা ৫-৭ বার ঘড়ির কাঁটার দিকে ঘোরানোর পর ডান পা সোজা করে এবার ঘড়ির কাঁটার বিপরীত দিকে ঘোরান। একইভাবে বাঁ পায়েও আসনটি করতে হবে।
উপকারিতা
পা, কোমর ও নিতম্বের পেশির স্ট্রেচিং হবে ব্যায়ামটি করলে। দীর্ঘ সময় বসে থাকার কারণে কোমরে ব্যথা হলে আসনটি অভ্যাসে পরিণত করতে পারেন। আর এটি নিয়মিত করলে সায়াটিকার ব্যথাও সেরে যাবে। আর কাফ মাসলের ব্যায়াম হবে এ অভ্যাস করলে। এ ছাড়া গোড়ালির ব্যথা সারবে নিয়মিত অভ্যাসে। সেই সঙ্গে শরীরের নিম্নাংশের মেদ কমে যাবে।
তবে সবাই এ যোগাসন করতে পারবেন না। যদি কারও আর্থ্রাইটিসের ব্যথা থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। তাদের জন্য ভালো ফল বয়ে আনবে না। এ ছাড়া হাঁটুতে অস্ত্রোপচার করা আছে, এমন ব্যক্তি এ আসনটি করতে পারবেন না। তাতে হিতে বিপরীত হতে পারে।