বিজ্ঞাপন
নারীরা রোজ রাত ১১টার আগে কেন ঘুমাতে যাবেন?
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৪ জুন ২০২৬, ০৮:২৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
সুস্থ থাকতে হলে দিনে অন্তত ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম প্রয়োজন। সেটা নারী হোক কিংবা পুরুষ। কিন্তু এ তত্ত্ব সবার ক্ষেত্রে খাটে না। কারও ৬ ঘণ্টায় ঘুম পূরণ হয়ে যায়, আবার কারও ৯ ঘণ্টা ঘুমালেও বিশ্রাম নেওয়া শেষ হয় না। এসব কিছুর ঊর্ধ্বে উঠেও নারীর ঘুম বেশি হওয়া দরকার। কারণ পুরুষের তুলনায় নারীর কমপক্ষে ১১ মিনিট বেশি ঘুমানো প্রয়োজন।
নারী মাল্টিটাস্কিংয়ে এক্সপার্ট বলে নয়, তাদের হরমোনাল হেলথের জন্যও ঘুম বেশি প্রয়োজন। শরীরের জৈবিক ঘড়ির ছন্দ বজায় রাখতে নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে ওঠা ভীষণ জরুরি। যদি প্রতিদিন রাত ১১টার আগে ঘুমাতে যান, তবে এটি শরীরের সার্কাডিয়ান রিদমের সঙ্গে সামঞ্জস্য বজায় রাখবে। এতে মেলাটোনিনসহ একাধিক হরমোনের নিঃসরণ ঠিকমতো কাজ করবে। এর জেরে বিপাক হার, প্রজনন স্বাস্থ্যে কোনো সমস্যা তৈরি হবে না।
আর রাত ১১টার আগেই যে নারীকে ঘুমাতে হবে, এমন কোনো ধরাবাধা নিয়ম নেই। কিন্তু ঘুমের সময় ঠিক রাখা ভীষণ জরুরি। আপনি যদি প্রতিদিন রাত ১২টায় ঘুমাতে যান, সেই রুটিনটাই বজায় রাখার চেষ্টা করুন। তবে দিন শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে যত তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়বেন, স্বাস্থ্যের জন্য ততই ভালো। শুধু চেষ্টা করুন 'স্লিপ হাইজিন' বজায় রাখার।
‘প্রায় ৪০ শতাংশ নারী অনিদ্রার সমস্যায় ভুগে থাকেন। পুরুষের তুলনায় নারীরা একাধিক ধরনের কাজ করে থাকেন। অথচ তারাই সবচেয়ে কম বিশ্রাম নেন। আর এর প্রভাব সরাসরি তাদের হরমোনের ভারসাম্যের ওপর পড়ে বলে জানিয়েছে ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন।
আবার পর্যাপ্ত ঘুমের অভাবে কর্টিসল হরমোনের মাত্রা বাড়ে, ইনস্যুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি হয়, ঋতুস্রাব অনিয়মিত হয় এবং প্রজননসংক্রান্ত নানা সমস্যা দেখা দেয়। তাই ডা. নাগপাল নারীকে রাত ১১টার আগে ঘুমানোর পরামর্শ দিচ্ছেন। ঘুমের অভাবে মেলাটোনিন, কর্টিসল, লুটিনাইজিং হরমোন, ফলিকল-স্টিমুলেটিং হরমোন, ইস্ট্রোজেন এবং প্রোজেস্টেরনের মতো একাধিক হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।