বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
রমজান মাস মুসলিম উম্মাহর কাছে অত্যন্ত পবিত্র এবং তাৎপর্যপূর্ণ। এই মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহারে বিরত থেকে ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রোজা পালন করেন। দীর্ঘ সময় তৃষ্ণার্ত থাকার পর ইফতারে কোন পানীয়টি বেছে নিচ্ছেন- তা শরীরের শক্তি পুনরুদ্ধার এবং পরবর্তী দিনের প্রস্তুতির জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইফতারে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত বা কোমল পানীয় সাময়িক তৃপ্তি দিলেও তা পেট ফাঁপা এবং দ্রুত ক্লান্তি তৈরি করতে পারে। এর পরিবর্তে শরীরের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা (Hydration) ধরে রাখতে এবং খনিজের অভাব পূরণে প্রাকৃতিক পানীয় বেছে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।
ইফতারের জন্য সেরা কিছু স্বাস্থ্যসম্মত পানীয়-
ডাবের পানি: এটি একটি প্রাকৃতিক ইলেকট্রোলাইট ড্রিঙ্ক। এতে থাকা পটাশিয়াম ও ম্যাগনেসিয়াম শরীর থেকে হারিয়ে যাওয়া খনিজ পূরণ করে সতেজতা ফিরিয়ে আনে।
দুধ ও খেজুর: ইফতারের সুন্নতি এই খাবারটি পুষ্টির এক অনন্য উৎস। দুধ তরলের অভাব মেটায় এবং খেজুর দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর শরীরে তাৎক্ষণিক শক্তি জোগায়।
লেবু পানি: এক গ্লাস লেবু পানি হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করে এবং শরীর পরিষ্কার (Detox) করতে সাহায্য করে। স্বাদের জন্য এতে সামান্য মধু মেশানো যেতে পারে।
রুহ আফজা শরবত: এটি দক্ষিণ এশিয়ার একটি ঐতিহ্যবাহী পানীয়। ঠান্ডা পানি বা দুধের সঙ্গে বরফ মিশিয়ে এই ফ্লোরাল শরবত খেলে দ্রুত শক্তি ফিরে পাওয়া যায়।
স্মুদি ও স্যুপ: দইয়ের সঙ্গে ফল মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করলে তা দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে। এছাড়া লিন্টিল বা চিকেন স্যুপ পাকস্থলীকে ভারি খাবারের জন্য প্রস্তুত করে।
ইফতারে সঠিক পানীয় কেবল তৃষ্ণা মেটায় না, বরং এটি শরীরের ভারসাম্য রক্ষা এবং রক্তে শর্করার মাত্রা ঠিক রাখতে সাহায্য করে। যারা সেহরিতেও ক্লান্তিহীন থাকতে চান, তাদের জন্য এই পুষ্টিকর পানীয়গুলো জাদুর মতো কাজ করে।
উল্লেখ্য, ইফতারে অতি মাত্রায় ঠান্ডা পানি বা বরফ এড়িয়ে চলা ভালো। কারণ এটি পাকস্থলীর হজম প্রক্রিয়ায় বিঘ্ন ঘটাতে পারে।
বিজ্ঞাপন