বিজ্ঞাপন
বউ-শাশুড়ি যুদ্ধ, যেসব উপায়ে মধুর হতে পারে এই সম্পর্ক
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:০৪ এএম
বিজ্ঞাপন
বউ- শাশুড়ির যুদ্ধ চিরকালীন। যুগ যুগ ধরেই সংসারে চলে আসছে। এ সম্পর্ক কখনো ঝলমলে রোদের দেখা মিললেও, অধিকাংশ সময়ই থাকে ঘন কালো মেঘ। সামান্য মান-অভিমান যে কখন বিরাট আকার ধারণ করে, তা বোঝা যে কারও সাধ্যের বাইরে। কখনো কখনো বউমার রূপ ধারণ করে চরম, আবার কখনো কখনো দেখা যায় শাশুড়ির ভিন্নগ্রহের রূপ। শাশুড়ি কি মা হতে পারে বা বউমা কি মেয়ে হতে পারে? তা নিয়ে তর্কবিতর্ক চলে দিনের পর দিন।
কিন্তু আপনি জানেন কি? এই সংসার যুদ্ধ মেটানোর উপায় রয়েছে আপনার হাতেই। বাস্তু ও আচরণে কিছুটা বদল আনলেই শাশুড়ি-বউমার মিষ্টি সম্পর্ক যে কারও ঈর্ষার কারণ হতে বাধ্য।
চলুন জেনে নেওয়া যাক, শাশুড়ি-বউয়ের সম্পর্ক সুন্দর করার উপায়—
১. শাশুড়ির জন্য বাড়ির দক্ষিণ-পশ্চিম দিকটি শুভ। এ ক্ষেত্রে অবস্থান ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। চেষ্টা করে দেখুন সেদিকের ঘরেই থাকার। আবার বউমার জন্য ভালো উত্তর-পশ্চিম দিক। দুজনেই যদি সঠিক অবস্থানে থাকেন, তাহলে সম্পর্কে ভারসাম্য বজায় থাকে।
২. এখন বাড়িতে বাড়িতে লা ওপালার ব্যবহারের চল রয়েছে। হাত থেকে পড়ে বাটি-প্লেট-গ্লাস ভাঙতেই থাকে। ভুলেও ভাঙা বাসন ঘরে রাখবেন না।
৩. আবার ভুল করেও দেব-দেবীর ছবি বা মূর্তি শোবার ঘরে রাখবেন না।
৪. প্রতিদিন সকালে তুলসিগাছে পানি দিন। সন্ধ্যায় ঘির প্রদীপ জ্বালাতে ভুল করবেন না।
শাশুড়ি-বউমার সম্পর্ক সুমধুর করতে আচরণেও কিছুটা পরিবর্তন আনা প্রয়োজন। কারণ শাশুড়ি হচ্ছে গুরুজন, তাকে সম্মান করতে শিখুন। আবার স্বামীকে নিয়ে যদি বড়সড় কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিকল্পনা থাকে, তা আগে শাশুড়িকে জানান। সে বিষয়ে তার পরামর্শ নিন। চেষ্টা করুন দিনের একটা নির্দিষ্ট সময় তার সঙ্গে কাটানোর। সময় পেলে তাকে কাজে সাহায্য করুন। হাতে সময় থাকলে দুজনে বেরিয়ে পড়ুন। সিনেমা দেখুন, শপিং করুন, নিজেদের মতো করে সময় কাটান।
তবে হ্যাঁ, শাশুড়িকে সম্মান দিতে গিয়ে নিজের ব্যক্তিসত্তাকে হারিয়ে ফেললে চলবে না। তার কোনো কিছুতে আপনার আপত্তি থাকলে বা অস্বস্তি হলে তা স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিন। মনে রাখবেন একতরফাভাবে মেনে নিয়ে সম্পর্ক সুন্দর করার চেষ্টা করা নিজের সঙ্গে অন্যায় করা। তা করবেন না ভুলেও।
বিজ্ঞাপন