বিজ্ঞাপন
ভরি না ট্রয় আউন্স—স্বর্ণের দাম সহজে বুঝবেন যেভাবে
লাইফস্টাইল ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১:৩৪ এএম
বিজ্ঞাপন
কয়েক বছর ধরেই স্বর্ণের বাজারে চলছে ব্যাপক দোলাচল। পাঁচ বছরে দাম প্রায় তিন গুণ বেড়ে যাওয়ায় কেউ স্বর্ণ কেনায় পিছিয়ে যাচ্ছেন, আবার অনেকেই একে নিরাপদ বিনিয়োগ হিসেবে দেখছেন। সম্প্রতি দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম প্রায় দুই লাখ ৮৬ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছায়।
প্রায় প্রতিদিনই স্বর্ণের দাম নিয়ে খবর প্রকাশ হচ্ছে। তবে কোথাও দাম বলা হচ্ছে ভরিতে, কোথাও গ্রামে, আবার আন্তর্জাতিক বাজারে ট্রয় আউন্সে। একক বদলানোর কারণে স্বর্ণের প্রকৃত দাম বুঝতে অনেকেই বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। এ বিভ্রান্তি কাটাতে দরকার ওজনের এককগুলো সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা।
ট্রয় আউন্স কী
আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণ ও রূপার মতো মূল্যবান ধাতুর দাম নির্ধারণে ব্যবহার করা হয় ট্রয় আউন্স। এটি সাধারণ আউন্সের মতো নয়। যেখানে সাধারণ এক আউন্সের ওজন ২৮ দশমিক ৩৫ গ্রাম, সেখানে এক ট্রয় আউন্সের ওজন ৩১ দশমিক ১০ গ্রাম। এ পার্থক্যের কারণেই আন্তর্জাতিক ও স্থানীয় বাজারের দামের হিসাব মিলাতে গিয়ে অনেক সময় ভুল বোঝাবুঝি হয়।
বাংলাদেশসহ দক্ষিণ এশিয়ায় স্বর্ণের সবচেয়ে পরিচিত একক হলো ভরি। বিয়ের গয়না কিংবা পারিবারিক সঞ্চয়ের ক্ষেত্রে যুগের পর যুগ ধরে এই একক ব্যবহৃত হয়ে আসছে। হিসাব অনুযায়ী এক ভরি সমান ১১ দশমিক ৬৬ গ্রাম। আবার প্রায় ২ দশমিক ৪৩ ভরি মিলে হয় এক ট্রয় আউন্স।
ভরির পাশাপাশি রতি ও আনার ব্যবহারও এখনো দেখা যায়। আট রতিতে এক আনা এবং ১৬ আনায় এক ভরি ধরা হয়। এ এককগুলোর ব্যবহার শুরু হয়েছিল ব্রিটিশ আমলেরও আগে, যখন আন্তর্জাতিক দশমিক পদ্ধতির প্রচলন ছিল না। সেই অভ্যাসের ধারাবাহিকতায় আজও অনেকের কাছে ভরিতে স্বর্ণের হিসাব করাই বেশি স্বাচ্ছন্দ্যের।
স্বর্ণের বাজার বুঝতে চাইলে শুধু দামের অঙ্ক দেখলেই হবে না, ওজনের এককগুলোর সম্পর্ক জানাও জরুরি। ভরি, গ্রাম ও ট্রয় আউন্সের হিসাব পরিষ্কার থাকলে স্বর্ণের দামের ওঠানামা বোঝা অনেক সহজ হয়ে যায়।
বিজ্ঞাপন