Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

দিনে চারবারের কম ও আটবারের বেশি প্রস্রাবে কী হতে পারে?

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ জানুয়ারি ২০২৬, ০৩:০১ এএম

দিনে চারবারের কম ও আটবারের বেশি প্রস্রাবে কী হতে পারে?

বিজ্ঞাপন

দৈনন্দিন ব্যস্ততায় কিংবা কাজের চাপে অনেকে দীর্ঘসময় প্রস্রাব চেপে রাখেন।  এ থেকে মূত্রথলিতে ব্যাকটেরিয়া, প্রস্রাবের সময় জ্বালাপোড়া, কিডনিতে পাথর, কিডনির ক্ষতি, পেলভিক পেশীর দুর্বলতার মতো নানা ধরনের শারীরিক সমস্যার দেখা দিতে পারে। খাবার হজম, শরীরের তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখা, বর্জ্য নিষ্কাশনের মতো জরুরি কাজের জন্য একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের সাধারণত দিনে ২-৩ লিটার পানির প্রয়োজন।  তবে অনেকেই শৌচাগারে যাওয়ার আলসেমি কিংবা নানা অজুহাতে পানি পান এড়িয়ে চলেন। এ থেকেও হতে পারে বড় কোনো দুর্ঘটনা। 

একজন সুস্থ স্বাভাবিক ব্যক্তির দিনে অন্তত চারবার প্রস্রাব হওয়া প্রয়োজন।  বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের রেসিডেন্ট চিকিৎসক ডা. আফসানা হক নয়ন বলেন, ‘প্রস্রাবের সংখ্যা ও পরিমাণ দেহের স্বাস্থ্যের গুরুত্বপূর্ণ সূচক।  প্রস্রাব কম হওয়া বা চেপে রাখা দেহে বিষাক্ত বর্জ্য জমাতে পারে। সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।

দেহের নানান ক্রিয়ায় পানি যেমন অপরিহার্য। প্রস্রাব কোষের গঠন ঠিক রাখতে এবং ক্ষতিকর বর্জ্য বের করে দিতেও এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। 

অন্যদিকে, দিনে আটবারের বেশি প্রস্রাব হলে এখনই সতর্ক হওয়া উচিত।  বারবার অল্প প্রস্রাব হলে সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে।  চা, কফি, চকলেট বা মিষ্টি পানীয় পানে বিরত থাকতে হবে।  কেন না, এগুলো মূত্রবর্ধক। তবে বয়স্ক পুরুষদের প্রোস্টেট বৃদ্ধি, গর্ভবতী নারীদের জরায়ুর চাপেও অধিকবার হতে পারে।  

ডাক্তার পরামর্শ দেন, ডায়াবেটিস, কিডনি সমস্যা বা রক্তে ক্যালসিয়াম বৃদ্ধিতেও প্রস্রাবের পরিমাণ বাড়ে।  খাদ্যাভ্যাস নিয়ন্ত্রণে সমাধান না হলে বা অন্য লক্ষণ দেখা দিলে চিকিৎসক দেখানো জরুরি। 

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার