Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

লাইফস্টাইল

ফুচকা খেয়ে ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

Icon

লাইফস্টাইল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৪ জানুয়ারি ২০২৬, ০৫:৪৯ পিএম

ফুচকা খেয়ে ভয়ংকর বিপদ ডেকে আনছেন না তো?

বিজ্ঞাপন

টক, ঝাল আর মুচমুচে ফুচকার নাম শুনলে জিভে জল আসে না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া ভার। দেশ ভেদে বা অঞ্চলভেদে এটি গোলগাপ্পা বা পানিপুরি নামেও পরিচিত।

কিন্তু এই প্রিয় খাবারটিই আপনার জীবনে ডেকে আনতে পারে ভয়াবহ বিপদ। 

ভারতের বিশিষ্ট স্নায়ুরোগ চিকিৎসক প্রিয়াঙ্কা শেরাওয়াত ফুচকা খাওয়ার স্বাস্থ্যঝুঁকি নিয়ে এক ভিডিও বার্তায় সকলকে সতর্ক করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে তৈরি ফুচকা থেকে লিভার বিকল হওয়ার মতো কঠিন রোগ হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

চিকিৎসক শেরাওয়াতের মতে, ফুচকার স্বাদ মূলত নির্ভর করে তার টক পানির ওপর। কিন্তু এই পানি যদি বিশুদ্ধ না হয়, তবে তাতে নানা ধরনের ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস থাকতে পারে।

বিশেষ করে হেপাটাইটিস এ ভাইরাসের অন্যতম বাহক হলো এই দূষিত পানি। এই ভাইরাস শরীরে প্রবেশ করে অন্ত্রের মারাত্মক ক্ষতি করতে পারে এবং জন্ডিসের সৃষ্টি করে।

চিকিৎসকের ভাষায়, ফুচকা খাওয়ার আগে আমাদের অন্তত দু’বার ভাবা উচিত যে এই পানি আদৌ স্বাস্থ্যসম্মত কি না।

বিশেষজ্ঞরা শিশুদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও বেশি বলে মনে করছেন। ফুচকার টক পানি ও আলু মাখার মাধ্যমে শরীরে সংক্রমণ ছড়ালে জন্ডিস থেকে শুরু করে লিভার ফেইলিওর বা লিভার বিকল হওয়ার মতো উপক্রম তৈরি হতে পারে। ছোটদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বড়দের তুলনায় কম হওয়ায় তারা দ্রুত এই সংক্রমণে আক্রান্ত হয়।

যদি ফুচকা খেতেই হয়, তবে চিকিৎসক রাস্তায় খোলা অবস্থায় বিক্রি হওয়া ফুচকা এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়েছেন। তার পরিবর্তে বাড়িতে পরিষ্কার পানি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যবিধি মেনে ফুচকা বানিয়ে খাওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

রাস্তার খাবারে ব্যবহৃত পানির উৎস অধিকাংশ ক্ষেত্রেই অজানা এবং তা সাধারণত দূষিত থাকে, যা সংক্রমণের ঝুঁকি বহুগুণ বাড়িয়ে দেয়।

হেপাটাইটিস এ সংক্রমণের প্রাথমিক লক্ষণগুলো সম্পর্কেও চিকিৎসক আলোকপাত করেছেন। যদি কারও পেট খারাপ, জ্বর, চোখ হলুদ হয়ে যাওয়া কিংবা প্রস্রাবের রঙে অস্বাভাবিক হলদেটে ভাব দেখা দেয়, তবে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

সামান্য একটু অসতর্কতা আপনার লিভারের চিরস্থায়ী ক্ষতি করতে পারে, তাই রসনাতৃপ্তির আগে স্বাস্থ্যসুরক্ষার বিষয়টি মাথায় রাখা একান্ত প্রয়োজন।

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার