Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

তথ্যপ্রযুক্তি

নিজেকে দেখতে চান আশির দশকে? ব্যবহার করুন এসব প্রম্পট

Icon

আইটি ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:১৫ পিএম

নিজেকে দেখতে চান আশির দশকে? ব্যবহার করুন এসব প্রম্পট

বিজ্ঞাপন

আশির দশকের সেই চিরচেনা রূপ ফিরে এসেছে ইনস্টাগ্রামে, তবে এবার এতে যুক্ত হয়েছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআইর স্পর্শ। আশির দশকে তোলা ছবির মতো পোর্ট্রেট তৈরির এই নতুন এআই ট্রেন্ড এখন ফেসবুকসহ ইনস্টাগ্রামের ফিড এবং স্টোরিগুলোতে ব্যাপক সাড়া ফেলছে।

সাম্প্রতিক ছবিতে পুরোনো ফিল্টার ব্যবহারের বদলে ব্যবহারকারীরা তাদের ছবি চ্যাটজিপিটিতে আপলোড করে পুরো আশির দশকের আবহে নতুন করে তৈরি করে নিচ্ছেন। ‘হোয়াট উড আই হ্যাভ লুকড লাইক ইফ দিস ফটো হ্যাড বিন টেকেন ৪০ ইয়ার্স এগো?’- অর্থাৎ ‘৪০ বছর আগে তোলা হলে আমার ছবিটি কেমন হতো?’- এই ভাবনা থেকেই মূলত ট্রেন্ডটির সূচনা। এটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরির ‘অ্যাড ইওরস’ স্টিকারের মাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে, যেখানে ব্যবহারকারীরা তাদের ব্যবহৃত প্রম্পট শেয়ার করার পাশাপাশি বন্ধু ও অনুসারীদেরও এই ট্রেন্ডে যোগ দিতে উৎসাহিত করছেন।

ভিনটেজ ফিল্টারের চেয়েও বেশি কিছু

এভাবে তৈরি হওয়া সব ছবি দেখতে একই রকম নয়। এগুলোর কোনোটি ক্লাসিক বলিউড পোর্ট্রেট, আবার কোনোটি পুরোনো ম্যাগাজিনের কভার, মুভি স্টিল কিংবা পারিবারিক অ্যালবামের ছবির মতো মনে হয়। আশির দশকের সেই আসল অনুভূতি ফুটিয়ে তুলতে এতে ব্যবহার করা হচ্ছে ওয়ার্ম লাইটিং, উজ্জ্বল রঙ, সফট ফোকাস এবং এনালগ ফিল্মের গ্রেইন।

ভারতীয় সংস্করণের ছবিগুলোতে তখনকার ফ্যাশনকেও ফুটিয়ে তোলা হচ্ছে। নারীদের পোশাকে থাকছে রঙিন শাড়ি, বড় কার্ল করা চুল ও জমকালো গয়না। আর পুরুষদের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে গুঁজে রাখা বা ঢিলেঢালা শার্ট, হাই-ওয়েস্টেড ট্রাউজার, গোঁফ এবং পরিপাটি আঁচড়ানো চুল।

‘রেট্রো নস্টালজিয়ায়’ সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া: সবার ৮০র দশকের লুক কেন‘রেট্রো নস্টালজিয়ায়’ সয়লাব সোশ্যাল মিডিয়া: সবার ৮০র দশকের লুক কেন

চ্যাটজিপিটিতে আশির দশকের ছবি তৈরির উপায়:

ছবি আপলোড: প্রথমে চ্যাটজিপিটিতে আপনার ছবি আপলোড করুন।

পুনর্নির্মাণের অনুরোধ: চ্যাটজিপিটিকে বলুন ছবিটি যেন এমনভাবে পুনর্নির্মাণ করা হয়, যেন এটি ১৯৮০-র দশকে তোলা হয়েছিল।

খুঁটিনাটি তথ্য দেওয়া: কাঙ্ক্ষিত হেয়ারস্টাইল, পোশাক, গয়না, ব্যাকগ্রাউন্ড, লাইটিং এবং ফিল্মের টেক্সচারের কথা উল্লেখ করুন।

নির্দিষ্ট স্টাইল নির্ধারণ: চাইলে পুরোনো বলিউড স্টুডিও পোর্ট্রেট, ফ্যামিলি অ্যালবাম কিংবা ভিনটেজ ম্যাগাজিন শুটের মতো নির্দিষ্ট স্টাইলও উল্লেখ করতে পারেন।

ইনস্টাগ্রামে শেয়ার: ছবি তৈরির পর তা ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে ‘অ্যাড ইওরস’ স্টিকার যুক্ত করে অন্যদেরও এটি ট্রাই করার আমন্ত্রণ জানাতে পারেন।

চ্যাটজিপিটির কিছু প্রম্পট উদাহরণ:

ক্লাসিক বলিউড পোর্ট্রেট: আশির দশকের আসল বলিউড স্টুডিও পোর্ট্রেটের রূপ দিতে প্রম্পটে মুখমণ্ডল চেনা রাখার শর্ত রেখে পিরিয়ড-অ্যাপ্রোপ্রিয়েট পোশাক, হেয়ারস্টাইল, ওয়ার্ম স্টুডিও লাইটিং, সফট ফোকাস ও কিছুটা ফেইডেড কালার ব্যবহারের কথা বলা যায়।

পুরোনো ফ্যামিলি অ্যালবাম: ১৯৮০-র দশকের মাঝামাঝি ভারতের কোনও ফ্যামিলি অ্যালবামের ছবির রূপ দিতে সাদামাটা ইনডোর সেটিংস, অ্যানালগ ক্যামেরা টেক্সচার ও স্বাভাবিক এক্সপ্রেশন রাখার নির্দেশ দিন।

আশির দশকের বলিউড হিরো ও হিরোইন: হিরোইন লুকের জন্য আশির দশকের ভলিউমিনাস চুল, রঙিন শাড়ি ও স্টেটমেন্ট জুয়েলারি এবং হিরো লুকের জন্য ক্লাসিক হেয়ারস্টাইল, গোঁফ, শার্ট ও হাই-ওয়েস্টেড ট্রাউজারের নির্দেশ দেওয়া যেতে পারে।

বিয়েবাড়ির অ্যালবাম ও ম্যাগাজিন কভার: আশির দশকের ভারতীয় বিয়ের পোশাক, ডেকোরেশন ও অ্যানালগ ফিল্ম টেক্সচার ব্যবহার করে যেমন ওয়েডিং অ্যালবামের লুক দেওয়া যায়, তেমনই সিম্পল স্টুডিও ব্যাকগ্রাউন্ড ও ড্রামাটিক লাইটিং দিয়ে ভিনটেজ ম্যাগাজিন কভারের রূপও দেওয়া সম্ভব।

দূরদর্শন যুগ ও রেট্রো স্ট্রিট লুক: ভারতের দূরদর্শন যুগের টেলিভিশন পোর্ট্রেট কিংবা ১৯৮৭ সালের ভারতীয় রাস্তার পরিবেশ, যানবাহন ও ডে-লাইটের ছোঁয়া দিয়েও এনালগ ফিল্মের নান্দনিক ছবি তৈরি করা সম্ভব। 

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার