বিজ্ঞাপন
অবৈধ ভিওআইপিতে আবারও অভিযুক্ত গ্রামীণফোন, জরিমানা
আইটি ডেস্ক
প্রকাশ: ২৯ জুলাই ২০২৬, ০৮:২৩ এএম
বিজ্ঞাপন
অবৈধ ভিওআইপির দায়ে গ্রামীণফোনকে জরিমানা করা হয়েছে।বিটিআরসির সাম্প্রতিক এক অভিযানে উদ্ধার হওয়া অপারেটরটির বেশ কিছু সিমে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রমের প্রমাণ মেলে। এতে গ্রামীণফোনকে ১৮ লাখ ৪০ হাজার জরিমানা করা হয়েছে। নোটিশ পাওয়ার পর অপারেটরটিকে ১০ দিনের মধ্যে জরিমানার অর্থ পরিশোধ করতে হবে।
বিটিআরসির সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, গ্রামীণফোন নিজস্ব নেটওয়ার্কে অবৈধ কল প্রতিরোধে বাধ্যতামূলক সেলফ রেগুলেটরি প্রসেস (এসআরপি) এবং টেলিকম ফ্রড ম্যানেজমেন্ট (টিএমএফ) ব্যবস্থা কার্যকরভাবে পরিচালনায় ব্যর্থ হয়েছে। এতে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন ২০০১, সেলুলার মোবাইল সার্ভিসেস গাইডলাইন ২০২৪ এবং অপারেটরের লাইসেন্সের একাধিক শর্ত লঙ্ঘন হয়েছে।তবে দায় এড়িয়েছে গ্রামীণফোন।
অপারেটরটি বলছে, এই অনিয়মের জন্য বিটিআরসিকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকদের জবাবদিহিতায় আনতে হবে।গ্রামীণফোনের হেড অব কমিউনিকেশনস শারফুদ্দিন আহমেদ চৌধুরী বলেন, ‘গ্রামীণফোন দেশের প্রচলিত আইন এবং বিটিআরসির সব নির্দেশনা অনুসরণ করে স্বচ্ছতা ও দায়িত্বশীলতার সঙ্গে ব্যবসা পরিচালনা করছে। নিয়ন্ত্রক সংস্থার নির্দেশনা অনুযায়ী বায়োমেট্রিক যাচাইয়ের মাধ্যমে গ্রাহকদের নিবন্ধন নিশ্চিত করা হয়।
‘‘প্রতারণামূলক ভিওআইপি কার্যক্রম প্রতিরোধে বিটিআরসি নির্ধারিত স্ব-নিয়ন্ত্রণ (সেলফ-রেগুলেশন) ব্যবস্থা কঠোরভাবে অনুসরণ করছে গ্রামীণফোন। তবে বায়োমেট্রিকভাবে নিবন্ধিত কোনো গ্রাহক যদি তার সংযোগ অবৈধ কাজে ব্যবহার করেন, সে ক্ষেত্রে ওই গ্রাহকের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা নিয়ন্ত্রক সংস্থার এখতিয়ার। এ বিষয়ে বিটিআরসির সঙ্গে আমাদের আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।’ উল্লেখ করেন তিনি।
সম্প্রতি কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানার একটি মামলার অভিযানে ১৬৪টি এবং চট্টগ্রামের হালিশহর থানার আরেকটি মামলার অভিযানে ২০টি সিম জব্দ করা হয়, যেগুতে অবৈধ ভিওআইপি কার্যক্রম চলছিল। কমিশনের হিসাবে, প্রতি অবৈধ সিমের জন্য ১০ হাজার টাকা হারে মোট ১৮ লাখ ৪০ হাজার টাকা জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে।
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অর্থ পরিশোধ না করলে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানানো হয়েছে।এর আগেও বিভিন্ন সময়ে অপারেটরটি অবৈধ ভিওআইপির দায়ে অভিযুক্ত হয়েছে এবং জরিমানার মুখে পড়েছে। ২০২৩ সালে এক অভিযানে উদ্ধার করা হয় অপারেটরটির ১ হাজার ৬৪০টি সিম। ২০২২ সালেও অবৈধ ভিওআইপির কারণে তাদের ৯৯ লাখ ৬২৫ টাকা জরিমানা করা হয়েছিল, যদিও পরে সেটি কমিয়ে ৫০ লাখ করা হয়। ২০১৮ সালে পাওয়া যায় তাদের ১ হাজার ৪১৪টি সিম।