Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

তথ্যপ্রযুক্তি

সঙ্গীর সঙ্গে বিশেষ মুহূর্তে ফোনের এই সেটিংস বন্ধ রাখুন

Icon

আইটি ডেস্ক

প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ১২:০৮ পিএম

সঙ্গীর সঙ্গে বিশেষ মুহূর্তে ফোনের এই সেটিংস বন্ধ রাখুন

বিজ্ঞাপন

স্মার্টফোন এখন শুধু যোগাযোগের মাধ্যম নয়, ব্যক্তিগত জীবন, আর্থিক লেনদেন, ছবি, ভিডিও থেকে শুরু করে দৈনন্দিন অভ্যাসেরও এক বিশাল ভান্ডার। কিন্তু অনেকেই জানেন না, ফোনের কিছু সেটিংস সবসময় চালু থাকলে অজান্তেই বিভিন্ন তথ্য অ্যাপ বা অনলাইন পরিষেবার কাছে পৌঁছে যেতে পারে।

বিশেষ করে সঙ্গীর সঙ্গে একান্ত সময় কাটানোর সময় ব্যক্তিগত গোপনীয়তা রক্ষা করতে কয়েকটি সেটিংস সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।

১. সবসময় সক্রিয় ভয়েস অ্যাসিস্ট্যান্ট বন্ধ রাখুন
অ্যান্ড্রয়েডের গুগল অ্যাসিস্ট্যান্ট কিংবা আইফোনের সিরি অনেক সময় ভয়েস কমান্ড শোনার জন্য নির্দিষ্ট ফিচার সক্রিয় রাখে। আপনি যদি নিয়মিত এই সুবিধা ব্যবহার না করেন, তাহলে সেটি বন্ধ রাখাই ভালো। এতে গোপনীয়তা যেমন বাড়বে, তেমনি ব্যাটারির ওপর চাপও কিছুটা কমবে।

২. মাইক্রোফোন ও ক্যামেরার অনুমতি পর্যালোচনা করুন
অনেক অ্যাপ প্রয়োজনের তুলনায় বেশি অনুমতি নিয়ে রাখে। এমনকি যেসব অ্যাপের ক্যামেরা বা মাইক্রোফোন ব্যবহারের দরকার নেই, সেগুলিও এই অনুমতি পেয়ে যায়। তাই ফোনের প্রাইভেসি বা পারমিশন ম্যানেজার থেকে অপ্রয়োজনীয় অ্যাপগুলোর ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন অ্যাক্সেস বন্ধ করে দিন।

৩. লোকেশন সবসময় চালু রাখবেন না
অনেক অ্যাপ সারাক্ষণ আপনার অবস্থান ট্র্যাক করতে পারে। এতে কোথায় যাচ্ছেন বা কতক্ষণ কোথায় থাকছেন এসব তথ্য সংরক্ষিত হতে পারে। তাই প্রয়োজন ছাড়া অলওয়েজ অ্যালাউ অপশন ব্যবহার না করে হোয়াইল ইউজিং দ্য অ্যাপ বা আস্ক এভরি টাইম নির্বাচন করুন।

৪. পুরো গ্যালারির অ্যাক্সেস না দেওয়াই ভালো
একটি ছবি আপলোড করার জন্য অনেক অ্যাপ পুরো গ্যালারির অনুমতি চায়। কিন্তু সব ছবি দেখার প্রয়োজন তাদের নেই। তাই যেখানে সম্ভব সিলেক্টেড ফটোস বা সীমিত অ্যাক্সেস ব্যবহার করুন। এতে ব্যক্তিগত ছবি আরও সুরক্ষিত থাকবে।

৫. ব্যাকগ্রাউন্ডে চলা অপ্রয়োজনীয় অ্যাপ বন্ধ করুন
ফোনের অনেক অ্যাপ ব্যবহার না করলেও ব্যাকগ্রাউন্ডে সক্রিয় থাকে। এগুলো ডাটা ব্যবহার করার পাশাপাশি বিভিন্ন তথ্যও সংগ্রহ করতে পারে। সেটিংস থেকে যেসব অ্যাপ নিয়মিত ব্যবহার করেন না, তাদের ব্যাগ্রাউন্ড অ্যাক্টিভিটি সীমিত করে দিন।

৬. পাবলিক বা হোটেলের ফ্রি ওয়াই-ফাই ব্যবহারে সতর্ক থাকুন
হোটেল, রিসোর্ট বা ক্যাফের উন্মুক্ত ওয়াই-ফাই সবসময় নিরাপদ নাও হতে পারে। সংবেদনশীল তথ্য আদান-প্রদান বা ব্যক্তিগত কাজের সময় সম্ভব হলে মোবাইল ডাটা ব্যবহার করুন। এতে তথ্য চুরি বা সাইবার হামলার ঝুঁকি অনেকটাই কমে।

৭. সবসময় কণ্ঠস্বর শোনে এমন ফিচার নিষ্ক্রিয় করুন
কিছু স্মার্টফোনে এমন ফিচার থাকে, যা নির্দিষ্ট শব্দ বা ভয়েস কমান্ড শনাক্ত করার জন্য সবসময় সক্রিয় থাকে। আপনি যদি এই সুবিধা ব্যবহার না করেন, তাহলে সেটি বন্ধ রাখাই নিরাপদ।

স্মার্টফোনের প্রতিটি সেটিংসই ব্যবহারকারীর সুবিধার জন্য তৈরি হলেও, সেগুলো কীভাবে ব্যবহার করছেন সেটিই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। অপ্রয়োজনীয় অনুমতি বন্ধ রাখা, লোকেশন ও মাইক্রোফোন ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ আনা এবং নিরাপদ নেটওয়ার্ক ব্যবহার করার মতো কয়েকটি সাধারণ অভ্যাস আপনার ব্যক্তিগত মুহূর্ত ও ব্যক্তিগত তথ্য দুটিকেই আরও সুরক্ষিত রাখতে সাহায্য করবে। 

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার