বিজ্ঞাপন
মাঠে আঘাতের পর হাসপাতালে ফুটবলারের মৃত্যু
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:৪৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
স্পেনের দ্বিতীয় বিভাগের ক্লাব সিডি টেনেরিফের ৩০ বছর বয়সী স্ট্রাইকার হেসুস দে মিগেল মারা গেছেন। সোমবার (২ নভেম্বর) এফসি আন্দোরার বিপক্ষে ম্যাচ চলাকালে প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের সঙ্গে সংঘর্ষে গুরুতর আহত হওয়ার পর মঙ্গলবার সকালে হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি।
সোমবার (২ নভেম্বর) টেনেরিফের মাঠ এস্তাদিও হেলিওদোরো রদ্রিগেজ লোপেজে ম্যাচের শেষ দিকে মাঝমাঠে একটি বলের দখল নিতে গিয়ে আন্দোরার গোলরক্ষক হেসুস ওনোর সঙ্গে সংঘর্ষে আঘাত পান দে মিগেল। এ সময় প্রতিপক্ষ গোলরক্ষকের হাঁটু বা শরীরের আঘাত তার বুকে লাগে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মাঠেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন এই স্ট্রাইকার। দ্রুত চিকিৎসক দল মাঠে প্রবেশ করে তাকে জরুরি চিকিৎসা দেয় এবং শ্বাসনালি সচল রাখতে ইনটিউবেশন করা হয়। পরে স্ট্রেচারে করে মাঠের বাইরে নেয়ার সময় তার হৃদ্যন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ২০ মিনিট ধরে সিপিআর (কার্ডিওপালমোনারি রিসাসিটেশন) দেয়ার পর অ্যাম্বুলেন্সে করে তাকে হাসপাতালে নেয়া হয়।
ঘটনার পর ১০৮ মিনিটে ম্যাচটি পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়।
আহত দে মিগেলকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের সান্তা ক্রুজ শহরের ইউনিভার্সিতারিও নুয়েস্ত্রা সেনোরা দে কান্দেলারিয়া হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শুরুতে টেনেরিফ কর্তৃপক্ষ জানায়, তার অবস্থা গুরুতর হলেও তিনি স্থিতিশীল রয়েছেন এবং নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে চিকিৎসাধীন।
মঙ্গলবার সকালে দে মিগেলের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করে টেনেরিফ। ক্লাবের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘গভীর শোক, বুকভরা কষ্ট এবং অবিশ্বাস নিয়ে জানাচ্ছি, ২০২৬ সালের ৩ নভেম্বর মঙ্গলবার সকাল ৮টায় (স্প্যানিশ সময়) হেসুস দে মিগেল আলামেদা আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন।’
বিবৃতিতে শোকাহত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে ক্লাবটি আরও বলেছে, ‘এই গভীর শোক লাঘব করার মতো কোনো সান্ত্বনার ভাষা আমাদের জানা নেই। আমরা তার শোকাহত পরিবার, স্বজন এবং টেনেরিফের সব সমর্থকের পাশে আছি।’
২০১৫ সালে লেগানেস বি দলের হয়ে সিনিয়র ক্যারিয়ার শুরু করেন দে মিগেল। এরপর স্পেনের আরও আটটি ক্লাবে খেলেছেন তিনি। গত বছর যোগ দেন সিডি টেনেরিফে।