বিজ্ঞাপন
১৬ বছর আগে যে হতাশায় ডুবেছিলেন তামিম, সেটাই এবার ডোবাল তানজিদকে
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০২:১৬ পিএম
বিজ্ঞাপন
যেভাবে খেলছিলেন, মনে হচ্ছিল হয়েই বুঝি গেল! তাও একটা নয়, একাধিক রেকর্ড। তানজিদ হাসান তামিমের সামনে ছিল কীর্তির হাতছানি। কিন্তু শেষমেশ তাকে ডুবতে হলো হতাশায়। সেটা আবার ১৬ বছর আগে পরে একই বিন্দুতে মেলাল পূর্বসূরী তামিম ইকবালের সঙ্গে।
আজ আফগানিস্তানের বিপক্ষে শুরু থেকেই তানজিদ খেলছিলেন ওয়ানডে মেজাজে। ৭ চার আর এক ছক্কা হাঁকিয়ে তিনি ফিফটির মাইলফলক ছুঁয়ে ফেলেন। তখন তিনি বল খেলেছেন মোটে ৪১টি।
তখনও সম্ভাবনাটা মাথাচাড়া দেয়নি। কারণ ফিফটির পর বড় ইনিংসে মন দিয়ে অনেক ব্যাটারই গতি খানিকটা কমিয়ে দেন। তানজিদ আজ সেটা করেননি। ফিফটির আগে রান তুলছিলেন ১২০ স্ট্রাইক রেটের আশেপাশে, ফিফটির পরেও গতিটা কমেনি।
ফিফটির পরও জিয়াউর রহমান আকবরকে ছক্কা হাঁকিয়েছেন। হাশমতউল্লাহ শহিদিকে হাঁকিয়েছেন একটি করে চার আর ছক্কা। এমন ব্যাটিং আভাস দিচ্ছিল ঝড়ো এক সেঞ্চুরির। আর সেটাও লাঞ্চের আগেই।
সেটা করে ফেলতে পারলে একাধিক রেকর্ড গড়া হয়ে যেত। বাংলাদেশের হয়ে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড ছিল এতদিন তামিম ইকবালের। ২০১০ সালে ম্যানচেস্টারে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনি সেঞ্চুরিটা করেছিলেন ৯৪ বলে। সেটা ভেঙে যেত।
আরও একটা রেকর্ড গড়া হয়ে যেত যা টেস্ট ইতিহাসেই দেখা গেছে মোটে ৬ বার। টেস্টের প্রথম দিনে লাঞ্চের আগে এক ব্যাটারের সেঞ্চুরি ক্রিকেটবিশ্ব ৬ বার দেখলেও বাংলাদেশ দেখেনি একবারও। খুব কাছাকাছি গিয়েছিল ১৬ বছর আগে। তামিম ইকবাল সেবার ঢাকা টেস্টে ওই ইংল্যান্ডের বিপক্ষেই ৭১ বলে করেছিলেন ৮৫। সেবার তাকে ফিরতে হয়েছিল অবিশ্বাস্য এক রেকর্ডের খুব কাছে গিয়ে।
এবার তানজিদ তামিমও হাঁটলেন একই পথে। ব্যক্তিগত ৮৩ রানে তিনি আউট হয়েছেন ইসমাত আলমের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়ে। সঙ্গে সঙ্গে হাত ফসকে বেরিয়ে গেল একাধিক রেকর্ড। আর তাতেই তাকে ডুবতে হলো সেই হতাশায়, যা ১৬ বছর আগে পুড়িয়েছিল বড় তামিমকে।