Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

খেলাধুলা

হালান্ডের জোড়া গোলে ‘ডার্ক হর্স’ পোর্তোকে হারাল ম্যানসিটি

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:১২ এএম

হালান্ডের জোড়া গোলে ‘ডার্ক হর্স’ পোর্তোকে হারাল ম্যানসিটি

বিজ্ঞাপন

এবারের চ্যাম্পিয়ন্স লিগের ডার্ক হর্স কারা? এই প্রশ্নের জবাবে পোর্তোর নামটাও এসেছে কোমো আর রোমার সঙ্গে সঙ্গে। ফ্রান্সেসকো ফারিওলির অধীনে দলটাও খেলছিল মন্দ নয়। তার ওপর খেলাটা ছিল পোর্তোর মাঠ এস্তাদিও দ্রাগাওতে। সে কারণে ম্যানচেস্টার সিটি প্রতিপক্ষ হলেও কিছুটা সম্ভাবনা পোর্তোরও ছিল। কিন্তু আর্লিং হালান্ডের সামনে সেসব রীতিমতো উড়ে গেল। তার জোড়া গোলেই ২-০ ব্যবধানের জয় তুলে নিয়েছে ম্যানসিটি। 

প্রথমার্ধে ডিয়োগো কস্তার দুর্দান্ত তিনটি সেভের কারণে গোল পাননি হালান্ড। তবে দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতেই আর ভুল করেননি তিনি। তার নিচু হেডে বল জালের নিচের কোণা দিয়ে জড়িয়ে যায়।

দ্বিতীয়ার্ধের বাকি সময় সিটিকে চাপে রাখে পোর্তো। কিন্তু এনজো মারেস্কার দলের ভুলের সুযোগ কাজে লাগানোর মতো মান দেখাতে পারেনি তারা। শেষ দিকে বাড়তি সময়ে আরেকটি দারুণ গোল করেন হালান্ড। এই গোলের মধ্য দিয়ে সিটির সর্বকালের গোলদাতাদের তালিকায় তিন নম্বরে উঠে যান তিনি। তার মোট গোল এখন ১৬৭টি।

ম্যাচ শেষে অ্যামাজন প্রাইমকে হালান্ড বলেন, ‘সবচেয়ে বড় মঞ্চে আমাদের ওপর সব চাপ থাকে, এবং আজ আমরা সেই চাপ সামলাতে পেরেছি। এই ম্যাচগুলো জিততেই হয়। কারণ না জিতলে হঠাৎ করেই সব চাপ চলে আসে, আর তখন কী হবে বলা যায় না।’

গার্দিওলার জায়গায় দায়িত্ব নেওয়া মারেস্কার শুরুটা বেশ ভালো হয়েছে। নতুন খেলোয়াড় কেনার পেছনে সিটি রেকর্ড ৪৬০ মিলিয়ন পাউন্ড খরচ করেছে। তবে দলের মূল ভরসা এখনো হালান্ডই। নরওয়ের হয়ে বিশ্বকাপে ভালো খেলার পরও তার ফর্মে কোনো ভাটা পড়েনি। নতুন মৌসুমে প্রথম চার ম্যাচেই তিনি করেছেন পাঁচ গোল।

লিলে থেকে ১০০ মিলিয়ন ইউরোতে আসা আইয়ুব বুয়াদ্দিকে প্রথমবারের মতো শুরু থেকে খেলান মারেস্কা। তবে এই কিশোর মরক্কান খেলোয়াড় এখনো সিটির তৃতীয় সবচেয়ে দামি মিডফিল্ডার। তার চেয়ে বেশি দামে এসেছেন এনজো ফার্নান্দেজ এবং এলিয়ট অ্যান্ডারসন।

প্রথমার্ধে ভালো খেলেছেন বুয়াদ্দি এবং ফার্নান্দেজ। শুধু গোলের অভাবেই সেই সময় এগিয়ে যেতে পারেনি সিটি। এর কারণ ছিল কস্তার দুর্দান্ত গোলকিপিং।

হালান্ডের প্রথম বড় সুযোগে জোরালো হেড ঠেকিয়ে দেন কস্তা। এরপর বুয়াদ্দি এবং ফিল ফোডেনের বোঝাপড়ায় তৈরি হওয়া আরেকটি সুযোগও দারুণভাবে রুখে দেন এই পর্তুগিজ গোলরক্ষক।

দ্বিতীয়ার্ধ শুরুর দুই মিনিটের মধ্যেই ভাঙে পোর্তোর রক্ষণ। ফার্নান্দেজের ক্রস থেকে হালান্ডের হেড খুব জোরালো ছিল না, তবে বল কস্তাকে ভুল দিকে ফেলে জালে ঢুকে যায়।

এই গোলের পর পোর্তোর আক্রমণে গতি বাড়ে। অন্যদিকে কিছুটা ঢিলেঢালা হয়ে যায় সিটি। পেপেকে ফাউল করে পেনাল্টি দেওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি করেন গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মা। তবে অফসাইডের কারণে বেঁচে যান তিনি।

এরপর আরেকবার বিপদে পড়েন দোন্নারুম্মা। তার বাড়ানো বল উইলিয়াম গোমেজের গায়ে লেগে সামান্যের জন্য গোলপোস্টের বাইরে দিয়ে যায়।

শনিবার নতুন উঠে আসা কভেন্ট্রির বিপক্ষে ১-০ গোলে জেতা ম্যাচেও শেষ দিকে খেই হারিয়েছিল সিটি। তবে এবার আর কোনো ঝুঁকি রাখেনি তারা। রায়ান আইত-নুরির ক্রস থেকে গোল করে পোর্তোকে একেবারে শেষ করে দেন হালান্ড। এটি ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লিগে তার ৫৯ ম্যাচে ৫৯তম গোল।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার