বিজ্ঞাপন
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালিয়ে জরিমানার মুখে ডেভিড ওয়ার্নার
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ১২:৫২ পিএম
বিজ্ঞাপন
মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ স্বীকার করার পর শাস্তির মুখে পড়েছেন সাবেক অস্ট্রেলিয়ান ওপেনার ডেভিড ওয়ার্নার। আদালতে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর তাকে আর্থিক জরিমানা করার পাশাপাশি গাড়ি চালানোর ক্ষেত্রে বিশেষ একটি ডিভাইস ব্যবহারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
সিডনির আদালতের আদেশ অনুযায়ী, এখন থেকে গাড়ি চালানোর আগে ওয়ার্নারকে ইন্টারলক ডিভাইসযুক্ত লাইসেন্স নিতে হবে। মাঝারি মাত্রায় মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অপরাধে তাকে ১ হাজার ৫০০ অস্ট্রেলিয়ান ডলার জরিমানা করা হয়েছে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় আনুমানিক ১ লাখ ৩০ হাজার টাকার সমান।
ঘটনাটি ঘটে গত ৫ এপ্রিল। সিডনির পূর্বাঞ্চলে একটি সড়ক পরীক্ষার সময় পুলিশ ওয়ার্নারের গাড়ি থামিয়ে অ্যালকোহল পরীক্ষা করে। পরীক্ষায় ইতিবাচক ফল আসার পর তাকে মারৌব্রা পুলিশ স্টেশনে নিয়ে দ্বিতীয় দফায় পরীক্ষা করা হয়। সেখানে তার রক্তে অ্যালকোহলের মাত্রা পাওয়া যায় ০.১০৪, যা নির্ধারিত আইনগত সীমার দ্বিগুণেরও বেশি।
আদালতে ওয়ার্নারের আইনজীবী আওয়াইজ আহমেদ যুক্তি দেন, গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে খবর প্রকাশিত হওয়ার কারণে তার মক্কেল ইতোমধ্যে যথেষ্ট নেতিবাচক পরিণতির মুখোমুখি হয়েছেন। তাই অতিরিক্ত শাস্তি না দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করার অনুরোধ জানান তিনি।
ওয়েভারলি লোকাল কোর্টে শুনানির সময় আইনজীবী বলেন, ঘটনাটি ইএসপিএন, আল জাজিরা ও দ্য ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে।
তার দাবি, বাংলাদেশ ও ভারতের মতো দেশে টি-টোয়েন্টি লিগে অংশ নেওয়ার সময় ওয়ার্নার স্থানীয় মদ্যপান ও গাড়ি চালানোর বিষয়ে প্রচলিত নিয়ম-কানুন মেনে চলেন। এই ঘটনার কারণে তার ভাবমূর্তি এবং ভবিষ্যতের বাণিজ্যিক সুযোগও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে আদালতকে জানান তিনি।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, ইন্টারলক লাইসেন্সের জন্য আবেদন করে গাড়িতে নির্ধারিত ডিভাইস স্থাপনের পরই ওয়ার্নার আবার গাড়ি চালাতে পারবেন। গাড়ি চালুর আগে ডিভাইসটি চালকের শরীরে অ্যালকোহলের উপস্থিতি পরীক্ষা করবে। অ্যালকোহল শনাক্ত হলে গাড়ির ইঞ্জিন চালু হতে দেবে না এই ব্যবস্থা।