Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

খেলাধুলা

অস্ট্রেলিয়াকে দিনভর খাটিয়ে চালকের আসনে আরও জেঁকে বসল বাংলাদেশ

Icon

স্পোর্টস ডেস্ক

প্রকাশ: ১৪ আগস্ট ২০২৬, ০২:৪৪ পিএম

অস্ট্রেলিয়াকে দিনভর খাটিয়ে চালকের আসনে আরও জেঁকে বসল বাংলাদেশ

বিজ্ঞাপন

প্রথম দিনে দেড় সেশনে অলআউট, এরপর টানা দেড়-দুদিন ধরে বোলিং করেই যাওয়া… দৃশ্যটা বহু বছর আগে বাংলাদেশ ক্রিকেটে নিয়মিত ছিল। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে গিয়ে সেই দৃশ্যের অবতারণা আবারও ঘটাল বাংলাদেশ। তবে এবার আর ভুক্তভোগীর কাতারে নয়, সফরকারীরা অবতীর্ণ হয়েছে তার উল্টো ভূমিকায়। দ্বিতীয় দিন শেষে বাংলাদেশ রান তুলেছে ৬ উইকেটে ৩৫১, লিডটাকে নিয়ে গেছে ১৫৩ রানে। 

চালকের আসনে বাংলাদেশ গতকালই চলে এসেছিল। এবার দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়াকে দিনভর খাটিয়ে চালকের আসনে আরও জেঁকে বসেছে নাজমুল হোসেন শান্তর দল।

দারুণ এক সেঞ্চুরিতে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তানজিদ হাসান তামিম। তার ১৯৭ বলে ১০১ রানের এই ইনিংস বাংলাদেশের ইনিংসের মেরুদণ্ড গড়ে দিয়েছে। শুরুতে মুমিনুল হকের সঙ্গে ১০২ আর এরপর অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর সঙ্গে ৯৩ রানের জুটিতে বাংলাদেশকে এনে দিয়েছেন মহামূল্য এক লিড। 

নিজের ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ম্যাচে প্রথম সেঞ্চুরির দেখা পেয়ে গেছেন তামিম। স্ট্রোকমেকার হিসেবে পরিচিত হলেও তার ৫১.২৬ স্ট্রাইক রেটের এই সেঞ্চুরি চোখ কপালে তুলে দিয়েছে পন্টিং-গিলক্রিস্টদেরও। তবে সেঞ্চুরির পরই তিনি ফেরেন বড় শট খেলতে গিয়ে।

প্রথম সেশনে অজিদের একমাত্র সাফল্য ছিল মুমিনুল হকের উইকেট। তার ইনিংস শেষ হয় ৪৯ রানে। দ্বিতীয় সেশনেও একটাই সাফল্য পেয়েছিল অস্ট্রেলিয়া। সেটা তামিমের উইকেট।

তৃতীয় সেশনে দৃশ্যটা বদলে দেই দেই করছিল স্বাগতিকরা। দ্বিতীয় নতুন বল হাতে আসতেই ফণা তুলছিল অজি পেসারদের ডেলিভারি। সেঞ্চুরির দুয়ারে থাকা নাজমুল হোসেন শান্ত (৮৪), রানের খাতা খুলতে না পারা লিটন দাস, কিংবা অভিজ্ঞ মুশফিকুর রহিম (৩৬) — কেউই এই ফণা থেকে রক্ষা পাননি, স্লিপে স্টিভেন স্মিথের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন সবাই।

১১ রানের ব্যবধানে ৩ উইকেট খুইয়ে বাংলাদেশ যখন প্রমাদ গুণছে বিপর্যয়ের, তখন ত্রাতা হয়ে দাঁড়ান মেহেদী হাসান মিরাজ ও হাসান মাহমুদ। তাদের অবিচ্ছিন্ন ৪৩ রানের জুটি সে বিপদ থেকে রক্ষা করেছে দলকে। বাংলাদেশের লিড নিয়ে ঠেকিয়েছে ১৫০ এর ঘরে। তাদের এই জুটিই দ্বিতীয় দিনের শেষ সেশনটা নিরঙ্কুশভাবে অস্ট্রেলিয়ার হতে দেয়নি। বাংলাদেশও চালকের আসনটার দখল রেখেছে নিজেদের কাছেই। 

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার