বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
ফর্মে থাকা সত্ত্বেও দল থেকে বাদ পড়েছেন পাকিস্তানের তারকা পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে চলতি সিরিজের প্রথম টেস্টে দুই ইনিংসে দারুণ বোলিং করেন মিডিয়াম পেসার মোহাম্মদ আব্বাস। দুই ইনিংসে ৮ উইকেট শিকারের পরও তাকে রাখা হয়নি সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে।
সিরিজের প্রথম টেস্টে ওয়েস্ট ইন্ডিজকে ১৮১ রানে গুঁড়িয়ে দিতে বড় ভূমিকা পালন করেন মোহাম্মদ আব্বাস। দ্বিতীয় ইনিংসে আব্বাসের গুতির শিকার হয় স্বাগতিকরা। মাত্র ২২ রানে ৫ উইকেট শিকার করেন মোহাম্মদ আব্বাস। প্রথম ইনিংসেও তার অবদান রয়েছে। তার গতির শিকার হয়ে ক্যারিবীয়রা প্রথম ইনিংসে ৩১১ রানে অলআউট হয়। আব্বাস ৬৩ রানে ৩ উইকেট শিকার করেন।
সিরিজের প্রথম টেস্টে পাকিস্তান ৯০ রানে হারলেও ব্যক্তিগত ভাবে সফল মোহাম্মদ আব্বাস। তিনি দুই ইনিংসে ৮ উইকেট শিকার করেন। অথচ সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে ফিট থাকা সত্ত্বেও তাকে দলে রাখা হয়নি।
দ্বিতীয় টেস্টের ভেন্যু কুইন্স পার্ক ওভাল, পোর্ট অফ স্পেনের উইকেট বিবেচনা করে আব্বাসকে না খেলানোর সিদ্ধান্ত নেয় পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট।
প্রথম টেস্টের টসের সময় পাকিস্তানের অধিনায়ক বাবর আজম বলেন, ‘এখানকার কন্ডিশন ভিন্ন। তাই আমরা একজন অতিরিক্ত স্পিনার খেলানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
শুধু আব্বাসই নন, তার পাশাপাশি একাদশ থেকে বাদ পড়েছেন আমের জামাল ও খুররম শাহজাদও। তাদের জায়গায় অভিষেক হয়েছে আওয়াইস জাফর ও উবাইদ শাহের। এছাড়া চোটের কারণে প্রথম টেস্টে সেঞ্চুরি করা শান মাসুদের পরিবর্তে দলে ফিরেছেন আবদুল্লাহ শফিক।
পরিসংখ্যান বলছে, আগের টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরও পাকিস্তানের একাদশ থেকে কোনও বোলারকে বাদ দেওয়ার ঘটনা গত সাড়ে চার দশকে এই প্রথম। ১৯৭৯-৮০ সালে ভারত সফরে কানপুর টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পরও এহতেশামউদ্দিনকে পরের চেন্নাই টেস্টে বাদ দেওয়া হয়েছিল। তার পরিবর্তে খেলেছিলেন ইমরান খান।