বিজ্ঞাপন
ফাইনালের পর হাতাহাতি: যে শাস্তি পেতেপারেন আর্জেন্টাইন খেলোয়াড়রা
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৩১ পিএম
বিজ্ঞাপন
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হারের পর শেষ মুহূর্তের হতাশা রূপ নেয় অনাকাঙ্ক্ষিত সহিংসতায়। ম্যাচ শেষে মাঠে দুই দলের খেলোয়াড়দের মধ্যে হাতাহাতি ও সংঘর্ষের ঘটনায় আর্জেন্টিনার একাধিক ফুটবলারকে অন্তত তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞার মুখে পড়তে হতে পারে। ফিফা ইতোমধ্যে এই ঘটনার আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করেছে। খবর এনডিটিভির।
নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত ফাইনাল শেষ হওয়ার পরপরই স্পেনের অধিনায়ক রদ্রি সতীর্থদের সঙ্গে শিরোপা উদযাপন করতে যাওয়ার সময় আর্জেন্টিনার ডিফেন্ডার নাহুয়েল মোলিনা তাকে আঘাত করেন। এর জেরে শুরু হয় কথা কাটাকাটি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়া এগিয়ে আসেন, আর তখনই আর্জেন্টিনার মিডফিল্ডার লিয়ান্দ্রো পারেদেস সেখানে যোগ দেন।
টেলিভিশনের সম্প্রচারিত দৃশ্যে দেখা যায়, পারেদেস গার্সিয়ার গলা চেপে ধরেন। পরিস্থিতি শান্ত করতে মাঠে প্রবেশ করেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনিও। কিছুক্ষণের মধ্যেই পারেদেস স্পেনের তরুণ মিডফিল্ডার গাভির দিকে তেড়ে যান, তাকে মাটিতে ফেলে দেন এবং লাথি মারেন। এই সংঘর্ষে আর্জেন্টিনার থিয়াগো আলমাদাও জড়িয়ে পড়েন।
বিবিসি স্পোর্টের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ফিফার শৃঙ্খলা কমিটি বর্তমানে ফাইনাল পরবর্তী ঘটনার ভিডিও ও অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করছে। ফিফার শৃঙ্খলা বিধি অনুযায়ী, কনুই মারা, ঘুষি মারা, লাথি মারা বা প্রতিপক্ষকে আঘাত করার মতো সহিংস আচরণের জন্য ন্যূনতম তিন ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা অথবা উপযুক্ত সময়ের জন্য বহিষ্কারের বিধান রয়েছে। তাছাড়া, সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ গোলে হারানোর পর ‘ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ আর্জেন্টিনার’ লেখা ব্যানার প্রদর্শনের ঘটনাটিও ফিফার তদন্তের আওতায় রয়েছে।
এর আগে ২০১৪ বিশ্বকাপে ইতালির জর্জিও কিয়েলিনিকে কামড় দেওয়ার ঘটনায় উরুগুয়ের লুইস সুয়ারেজকে নয় আন্তর্জাতিক ম্যাচের নিষেধাজ্ঞা এবং চার মাসের জন্য সব ধরনের ফুটবল কার্যক্রম থেকে নিষিদ্ধ করেছিল ফিফা। সব মিলিয়ে, এবার তদন্তের পর দোষী প্রমাণিত হলে বড় ধরনের শাস্তির মুখে পড়তে পারেন আর্জেন্টাইন তারকারা।