বিজ্ঞাপন
যে দুটি কারণে ২০৩০ বিশ্বকাপ জেতা স্পেনের জন্য প্রায় অসম্ভব
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২২ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৯ এএম
বিজ্ঞাপন
২০২৬ বিশ্বকাপ জিতে দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বের সেরা হয়েছে স্পেন। তবে এই শিরোপার সঙ্গে আরও বড় এক চ্যালেঞ্জের দরজাও খুলে গেছে তাদের সামনে। ২০৩০ বিশ্বকাপ অনুষ্ঠিত হবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কোতে, ফলে স্বাগতিকদের অন্যতম হিসেবে মাঠে নামবে স্পেন। সেবার তারা শুধু শিরোপা রক্ষাই নয়, বিশ্বকাপ ইতিহাসের দুটি বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগও পাবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র দুটি দল টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ইতালি (১৯৩৪ ও ১৯৩৮) এবং ব্রাজিল (১৯৫৮ ও ১৯৬২)।
১৯৩৪ সালে জিউসেপ্পে মেয়াজ্জার নেতৃত্বে ইতালি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতে। চার বছর পর ১৯৩৮ সালে আবারও শিরোপা জিতে তারা প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ধরে রাখার কীর্তি গড়ে।
এর দুই দশক পর আসে পেলের ব্রাজিল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে পেলের উত্থান এবং গ্যারিঞ্চা, ভাভাদের নিয়ে গড়া দুর্দান্ত দল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাসে অমর হয়ে যায়।
২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনাও এই তালিকায় নাম লেখানোর স্বপ্ন দেখেছিল। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ এমনকি বলেছিলেন, ২০২৬ সালেও বিশ্বকাপ জিততে পারলে তিনি অবসর নেবেন। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। এখন সেই বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ স্পেনের সামনে।
স্পেনের সামনে আরেকটি ঐতিহাসিক সুযোগ হলো নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা। সবশেষ ১৯৯৮ সালে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্স নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ জিতেছিল। এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬- কোনো স্বাগতিক দেশই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি।
অবশ্য বিশ্বকাপের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি স্বাগতিক দেশ এই কীর্তি গড়েছিল।
উরুগুয়ে (১৯৩০)
ইতালি (১৯৩৪)
ইংল্যান্ড (১৯৬৬)
পশ্চিম জার্মানি (১৯৭৪)
আর্জেন্টিনা (১৯৭৮)
ফ্রান্স (১৯৯৮)
এরপর থেকেই যেন স্বাগতিকদের ওপর নেমে এসেছে এক অদৃশ্য ‘অভিশাপ’। তবে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে বর্তমান স্পেন দল এরই মধ্যে ইউরো ২০২৪ ও বিশ্বকাপ ২০২৬ জিতে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। এখন ২০৩০ সালে নিজেদের সমর্থকদের সামনে তাদের লক্ষ্য হবে-
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে ইতালি ও ব্রাজিলের পাশে নাম লেখা।
১৯৯৮ সালের পর প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের ‘অভিশাপ’ ভাঙা।
এই দুই কীর্তির যে কোনো একটি অর্জন করলেও স্পেন ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক স্বর্ণালি অধ্যায় রচনা করবে। আর দুটি একসঙ্গে করতে পারলে, তারা বিশ্বকাপের সর্বকালের অন্যতম সেরা দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে।
বিশ্বকাপের ইতিহাসে মাত্র দুটি দল টানা দুইবার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। ইতালি (১৯৩৪ ও ১৯৩৮) এবং ব্রাজিল (১৯৫৮ ও ১৯৬২)।
১৯৩৪ সালে জিউসেপ্পে মেয়াজ্জার নেতৃত্বে ইতালি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জেতে। চার বছর পর ১৯৩৮ সালে আবারও শিরোপা জিতে তারা প্রথম দল হিসেবে বিশ্বকাপ ধরে রাখার কীর্তি গড়ে।
এর দুই দশক পর আসে পেলের ব্রাজিল। মাত্র ১৭ বছর বয়সে পেলের উত্থান এবং গ্যারিঞ্চা, ভাভাদের নিয়ে গড়া দুর্দান্ত দল ১৯৫৮ ও ১৯৬২ সালে পরপর দুটি বিশ্বকাপ জিতে ইতিহাসে অমর হয়ে যায়।
২০২২ সালে বিশ্বকাপ জয়ের পর আর্জেন্টিনাও এই তালিকায় নাম লেখানোর স্বপ্ন দেখেছিল। গোলরক্ষক এমিলিয়ানো ‘দিবু’ মার্তিনেজ এমনকি বলেছিলেন, ২০২৬ সালেও বিশ্বকাপ জিততে পারলে তিনি অবসর নেবেন। কিন্তু ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে সেই স্বপ্ন ভেঙে যায়। এখন সেই বিরল কীর্তি গড়ার সুযোগ স্পেনের সামনে।
স্পেনের সামনে আরেকটি ঐতিহাসিক সুযোগ হলো নিজেদের মাটিতে বিশ্বকাপ জেতা। সবশেষ ১৯৯৮ সালে জিনেদিন জিদানের ফ্রান্স নিজেদের দেশে বিশ্বকাপ জিতেছিল। এরপর ২০০২, ২০০৬, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮, ২০২২ ও ২০২৬- কোনো স্বাগতিক দেশই বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি।
অবশ্য বিশ্বকাপের শুরুর দিকে বেশ কয়েকটি স্বাগতিক দেশ এই কীর্তি গড়েছিল।
উরুগুয়ে (১৯৩০)
ইতালি (১৯৩৪)
ইংল্যান্ড (১৯৬৬)
পশ্চিম জার্মানি (১৯৭৪)
আর্জেন্টিনা (১৯৭৮)
ফ্রান্স (১৯৯৮)
এরপর থেকেই যেন স্বাগতিকদের ওপর নেমে এসেছে এক অদৃশ্য ‘অভিশাপ’। তবে কোচ লুইস দে লা ফুয়েন্তের অধীনে বর্তমান স্পেন দল এরই মধ্যে ইউরো ২০২৪ ও বিশ্বকাপ ২০২৬ জিতে নিজেদের শক্তির প্রমাণ দিয়েছে। এখন ২০৩০ সালে নিজেদের সমর্থকদের সামনে তাদের লক্ষ্য হবে-
টানা দ্বিতীয় বিশ্বকাপ জিতে ইতালি ও ব্রাজিলের পাশে নাম লেখা।
১৯৯৮ সালের পর প্রথম স্বাগতিক দল হিসেবে বিশ্বকাপ জয়ের ‘অভিশাপ’ ভাঙা।
এই দুই কীর্তির যে কোনো একটি অর্জন করলেও স্পেন ফুটবল ইতিহাসে নতুন এক স্বর্ণালি অধ্যায় রচনা করবে। আর দুটি একসঙ্গে করতে পারলে, তারা বিশ্বকাপের সর্বকালের অন্যতম সেরা দল হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করবে।