বিজ্ঞাপন
যেভাবে মেসিকে ‘বোতলবন্দি’ করে রেখেছিল স্পেন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ২১ জুলাই ২০২৬, ০৩:৪৮ এএম
বিজ্ঞাপন
ফুটবলের পুরোনো এক সূত্র—মেসিকে থামাতে পারলেই আর্জেন্টিনার অর্ধেক শক্তি কমে যায়। বিশ্বকাপ ফাইনালে সেই পরিকল্পনাই নিখুঁতভাবে কাজে লাগাল স্পেন। ম্যাচজুড়ে লিওনেল মেসিকে এমনভাবে ঘিরে রেখেছিল তারা, যেন আর্জেন্টিনার সবচেয়ে বড় অস্ত্রটি কার্যত খেলার বাইরে রাখা যায়।
পরিসংখ্যানও বলছে সেই গল্প। প্রথমার্ধে মেসির পায়ে বল গেছে মাত্র ১৫ বার—গত তিনটি বিশ্বকাপে প্রথমার্ধে তার সবচেয়ে কম বল স্পর্শ। ম্যাচ শুরুর পর প্রথম ১৫ মিনিটে তার উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল কেবল কিক-অফের পর দেওয়া সেই প্রথম পাসটি।
স্পেনের সাফল্যের মূল রহস্য ছিল শুধু রক্ষণ নয়, বরং আক্রমণাত্মক প্রেসিং। বল হারানোর পর মুহূর্তেই একাধিক খেলোয়াড় চাপ তৈরি করে দ্রুত বল ফিরিয়ে নিচ্ছিল তারা। ফলে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠ থেকে মেসির কাছে বল পৌঁছানোর পথই বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল।
ফক্স স্পোর্টসের বিশ্লেষণে ফরাসি কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি স্পেনের এই চাপের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, এমন পরিস্থিতি যেন মাথা পানির নিচে ডুবে থাকার মতো—যেখানে স্বাভাবিকভাবে খেলার সময় ও জায়গা কোনোটাই পাওয়া যায় না।
বয়সের কারণে মেসির আগের মতো গতি নেই—এই বাস্তবতাটিও মাথায় রেখেছিল স্পেন। তাই তাদের ডিফেন্সিভ লাইন ছিল অনেক ওপরে, যাতে মাঠের ফাঁকা জায়গা কমে যায়। শুরুতেই একবার মেসি রক্ষণ ভেদ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু গোলরক্ষক উনাই সিমন দ্রুত বেরিয়ে এসে সেই আক্রমণ নষ্ট করে দেন।
তবুও নিজের স্বভাব অনুযায়ী সুযোগ খোঁজা বন্ধ করেননি মেসি। মাঝমাঠে নেমে বল নেওয়া, ডান প্রান্তে সরে গিয়ে খেলার গতি বদলানোর চেষ্টা—সবই করেছেন তিনি। কিন্তু স্পেনের খেলোয়াড়রা যেন প্রতিটি পরিকল্পনার আগেই প্রস্তুত ছিল। মেসি বল পেলেই একাধিক খেলোয়াড় তাকে ঘিরে ফেলেছে, কাটিয়ে ওঠার পথ সংকুচিত করেছে।
এর আগে ইংল্যান্ড ও মিশরের বিপক্ষে ডান দিক থেকে খেলার ধরন বদলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন মেসি। ফাইনালেও সেই অস্ত্র ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল তাকে সেই সুযোগই দেয়নি।
তবে এই ম্যাচে মেসির প্রভাব কমে যাওয়াকে শুধু তার ব্যর্থতা বলা যাবে না। বরং এটি ছিল স্পেনের একটি সম্পূর্ণ দলীয় পরিকল্পনার সাফল্য। আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছিল তারা।
শেষ পর্যন্ত ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলই পার্থক্য গড়ে দেয়। আর সেই এক গোলেই স্পেন নিশ্চিত করে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। বহুবার কঠিন মুহূর্তে আর্জেন্টিনাকে উদ্ধার করা মেসি এবার পারেননি—কারণ এবার প্রতিপক্ষ শুধু মেসিকে আটকানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল এবং সেটি সফলভাবেই বাস্তবায়ন করেছে।
পরিসংখ্যানও বলছে সেই গল্প। প্রথমার্ধে মেসির পায়ে বল গেছে মাত্র ১৫ বার—গত তিনটি বিশ্বকাপে প্রথমার্ধে তার সবচেয়ে কম বল স্পর্শ। ম্যাচ শুরুর পর প্রথম ১৫ মিনিটে তার উল্লেখযোগ্য অবদান ছিল কেবল কিক-অফের পর দেওয়া সেই প্রথম পাসটি।
স্পেনের সাফল্যের মূল রহস্য ছিল শুধু রক্ষণ নয়, বরং আক্রমণাত্মক প্রেসিং। বল হারানোর পর মুহূর্তেই একাধিক খেলোয়াড় চাপ তৈরি করে দ্রুত বল ফিরিয়ে নিচ্ছিল তারা। ফলে আর্জেন্টিনার মাঝমাঠ থেকে মেসির কাছে বল পৌঁছানোর পথই বারবার বন্ধ হয়ে যাচ্ছিল।
ফক্স স্পোর্টসের বিশ্লেষণে ফরাসি কিংবদন্তি থিয়েরি অঁরি স্পেনের এই চাপের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, এমন পরিস্থিতি যেন মাথা পানির নিচে ডুবে থাকার মতো—যেখানে স্বাভাবিকভাবে খেলার সময় ও জায়গা কোনোটাই পাওয়া যায় না।
বয়সের কারণে মেসির আগের মতো গতি নেই—এই বাস্তবতাটিও মাথায় রেখেছিল স্পেন। তাই তাদের ডিফেন্সিভ লাইন ছিল অনেক ওপরে, যাতে মাঠের ফাঁকা জায়গা কমে যায়। শুরুতেই একবার মেসি রক্ষণ ভেদ করে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু গোলরক্ষক উনাই সিমন দ্রুত বেরিয়ে এসে সেই আক্রমণ নষ্ট করে দেন।
তবুও নিজের স্বভাব অনুযায়ী সুযোগ খোঁজা বন্ধ করেননি মেসি। মাঝমাঠে নেমে বল নেওয়া, ডান প্রান্তে সরে গিয়ে খেলার গতি বদলানোর চেষ্টা—সবই করেছেন তিনি। কিন্তু স্পেনের খেলোয়াড়রা যেন প্রতিটি পরিকল্পনার আগেই প্রস্তুত ছিল। মেসি বল পেলেই একাধিক খেলোয়াড় তাকে ঘিরে ফেলেছে, কাটিয়ে ওঠার পথ সংকুচিত করেছে।
এর আগে ইংল্যান্ড ও মিশরের বিপক্ষে ডান দিক থেকে খেলার ধরন বদলে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছিলেন মেসি। ফাইনালেও সেই অস্ত্র ব্যবহার করতে চেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু লুইস দে লা ফুয়েন্তের দল তাকে সেই সুযোগই দেয়নি।
তবে এই ম্যাচে মেসির প্রভাব কমে যাওয়াকে শুধু তার ব্যর্থতা বলা যাবে না। বরং এটি ছিল স্পেনের একটি সম্পূর্ণ দলীয় পরিকল্পনার সাফল্য। আর্জেন্টিনার প্রাণভোমরাকে বিচ্ছিন্ন করে রেখে পুরো ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নিজেদের হাতে রেখেছিল তারা।
শেষ পর্যন্ত ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের গোলই পার্থক্য গড়ে দেয়। আর সেই এক গোলেই স্পেন নিশ্চিত করে নিজেদের দ্বিতীয় বিশ্বকাপ শিরোপা। বহুবার কঠিন মুহূর্তে আর্জেন্টিনাকে উদ্ধার করা মেসি এবার পারেননি—কারণ এবার প্রতিপক্ষ শুধু মেসিকে আটকানোর পরিকল্পনা নিয়ে মাঠে নেমেছিল এবং সেটি সফলভাবেই বাস্তবায়ন করেছে।