বিজ্ঞাপন
মরক্কোর রূপকথা আবারও থামাবে ফ্রান্স? যা বলছে পরিসংখ্যান
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৯ জুলাই ২০২৬, ১০:৫৭ পিএম
বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনালে বাংলাদেশ সময় বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ২টায় বোস্টনের জিলেট স্টেডিয়ামে একে অপরের মুখোমুখি হবে ফ্রান্স এবং মরক্কো।
২০২২ বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল মরক্কো। এবারের আসরেও উড়ন্ত ফর্মে আছে তারা। অন্যদিকে ২০১৮ এবং ২০২২ সালে পর পর দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ফ্রান্স স্পষ্টতই এই ম্যাচে ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর মুখোমুখি হওয়াই ছিল দুই দলের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ। সেই ম্যাচে থিও হার্নান্দেজ ও র্যান্ডাল কোলো মুয়ানির গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় পায় ফ্রান্স। সেই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছিল আটলাস লায়ন্সদের রূপকথার বিশ্বকাপ অভিযান।
এর বাইরে দল দুটি আরও পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে, তবে সবগুলোই ছিল প্রীতি ম্যাচ। এর মধ্যে ৩টি ম্যাচ জিতেছে ফ্রান্স। ড্র হয়েছে একটি ম্যাচ এবং টাইব্রেকারে একটি ম্যাচ জিতেছে মরক্কো।
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীও ফ্রান্সকেই স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখছে। ম্যাচের আগে চালানো ২৫ হাজার সিমুলেশনের ৬১.৭ শতাংশেই জয়ী হয়েছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যে ফ্রান্সকে হারিয়ে মরক্কোর চমক দেখানোর সম্ভাবনা মাত্র ১৬.২ শতাংশ। আর ২২.১ শতাংশ সিমুলেশনে ম্যাচটি ড্র হয়েছে, অর্থাৎ সেক্ষেত্রে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গড়াতে হবে অতিরিক্ত সময়ে, প্রয়োজনে টাইব্রেকারেও।
২০২২ বিশ্বকাপে চমক দেখিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল মরক্কো। এবারের আসরেও উড়ন্ত ফর্মে আছে তারা। অন্যদিকে ২০১৮ এবং ২০২২ সালে পর পর দুই বিশ্বকাপের ফাইনাল খেলা ফ্রান্স স্পষ্টতই এই ম্যাচে ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবে।
২০২২ কাতার বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ফ্রান্স ও মরক্কোর মুখোমুখি হওয়াই ছিল দুই দলের ইতিহাসে প্রথম বিশ্বকাপ ম্যাচ। সেই ম্যাচে থিও হার্নান্দেজ ও র্যান্ডাল কোলো মুয়ানির গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় পায় ফ্রান্স। সেই পরাজয়ের মধ্য দিয়েই শেষ হয়েছিল আটলাস লায়ন্সদের রূপকথার বিশ্বকাপ অভিযান।
এর বাইরে দল দুটি আরও পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে, তবে সবগুলোই ছিল প্রীতি ম্যাচ। এর মধ্যে ৩টি ম্যাচ জিতেছে ফ্রান্স। ড্র হয়েছে একটি ম্যাচ এবং টাইব্রেকারে একটি ম্যাচ জিতেছে মরক্কো।
অপ্টা সুপারকম্পিউটারের ভবিষ্যদ্বাণীও ফ্রান্সকেই স্পষ্ট ফেবারিট হিসেবে দেখছে। ম্যাচের আগে চালানো ২৫ হাজার সিমুলেশনের ৬১.৭ শতাংশেই জয়ী হয়েছে ফ্রান্স।
অন্যদিকে, নির্ধারিত ৯০ মিনিটের মধ্যে ফ্রান্সকে হারিয়ে মরক্কোর চমক দেখানোর সম্ভাবনা মাত্র ১৬.২ শতাংশ। আর ২২.১ শতাংশ সিমুলেশনে ম্যাচটি ড্র হয়েছে, অর্থাৎ সেক্ষেত্রে ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণে গড়াতে হবে অতিরিক্ত সময়ে, প্রয়োজনে টাইব্রেকারেও।