বিজ্ঞাপন
বিশ্বকাপ ১১তম হলো ব্রাজিল, পর্তুগালের অবস্থান কত নম্বরে?
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০৯:৫১ এএম
বিজ্ঞাপন
২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের শেষ ষোলোর পর্ব শেষ হওয়ার পর চূড়ান্ত অবস্থান নিশ্চিত হয়েছে ব্রাজিলের। কার্লো আনচেলত্তির অধীনে নরওয়ের কাছে হেরে বিদায় নেওয়া পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ১১তম স্থানে, যা তাদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বনিম্ন অবস্থান।
ব্রাজিলের ২৩টি বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের মধ্যে এর আগে ১৯৬৬ সালেও তারা ১১তম হয়েছিল। তাদের সবচেয়ে খারাপ ফল ছিল ১৯৩৪ সালে, যখন প্রথম ম্যাচেই স্পেনের কাছে হেরে ১৪তম স্থানে শেষ করেছিল।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিলই একমাত্র দল, যারা ৫ বার শিরোপা জিতেছে (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২)। এছাড়া তারা দুইবার রানার্স-আপ (১৯৫০ ও ১৯৯৮), দুইবার তৃতীয় (১৯৩৮ ও ১৯৭৮) এবং দুইবার চতুর্থ (১৯৭৪ ও ২০১৪) হয়েছে।
অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ষষ্ঠ ও শেষ বিশ্বকাপও শেষ হয়েছে হতাশার মধ্য দিয়ে। শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগাল টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ১৩তম স্থানে।
তবে এটি রোনালদোর সবচেয়ে খারাপ বিশ্বকাপ ফল নয়। ২০১৪ সালে পর্তুগাল গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়ে ১৮তম হয়েছিল। তার সেরা বিশ্বকাপ ফল আসে ২০০৬ সালে, যখন লুইজ ফেলিপে স্কোলারির অধীনে পর্তুগাল চতুর্থ স্থান অর্জন করে।
ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, একই পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণ করা হয় যথাক্রমে গোল ব্যবধান, সর্বাধিক গোল, শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ড (কার্ড) এবং সর্বশেষে ফিফা র্যাঙ্কিং বিবেচনায়।
ব্রাজিলের ২৩টি বিশ্বকাপ অংশগ্রহণের মধ্যে এর আগে ১৯৬৬ সালেও তারা ১১তম হয়েছিল। তাদের সবচেয়ে খারাপ ফল ছিল ১৯৩৪ সালে, যখন প্রথম ম্যাচেই স্পেনের কাছে হেরে ১৪তম স্থানে শেষ করেছিল।
বিশ্বকাপ ইতিহাসে ব্রাজিলই একমাত্র দল, যারা ৫ বার শিরোপা জিতেছে (১৯৫৮, ১৯৬২, ১৯৭০, ১৯৯৪ ও ২০০২)। এছাড়া তারা দুইবার রানার্স-আপ (১৯৫০ ও ১৯৯৮), দুইবার তৃতীয় (১৯৩৮ ও ১৯৭৮) এবং দুইবার চতুর্থ (১৯৭৪ ও ২০১৪) হয়েছে।
অন্যদিকে, ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর ষষ্ঠ ও শেষ বিশ্বকাপও শেষ হয়েছে হতাশার মধ্য দিয়ে। শেষ ষোলোতে স্পেনের কাছে হেরে পর্তুগাল টুর্নামেন্ট শেষ করেছে ১৩তম স্থানে।
তবে এটি রোনালদোর সবচেয়ে খারাপ বিশ্বকাপ ফল নয়। ২০১৪ সালে পর্তুগাল গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নিয়ে ১৮তম হয়েছিল। তার সেরা বিশ্বকাপ ফল আসে ২০০৬ সালে, যখন লুইজ ফেলিপে স্কোলারির অধীনে পর্তুগাল চতুর্থ স্থান অর্জন করে।
ফিফার নির্ধারিত নিয়ম অনুযায়ী, একই পর্ব থেকে বিদায় নেওয়া দলগুলোর মধ্যে চূড়ান্ত অবস্থান নির্ধারণ করা হয় যথাক্রমে গোল ব্যবধান, সর্বাধিক গোল, শৃঙ্খলাজনিত রেকর্ড (কার্ড) এবং সর্বশেষে ফিফা র্যাঙ্কিং বিবেচনায়।