বিজ্ঞাপন
জয় আছে ৭-০ গোলেও, মিশরের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার অতীত ইতিহাস কেমন
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৭ জুলাই ২০২৬, ০৮:১৫ পিএম
বিজ্ঞাপন
২০২৬ বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাত ১০টায় আটলান্টা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি হবে আর্জেন্টিনা ও মিশর। সিনিয়র পর্যায়ে এটি হবে দুই দলের তৃতীয় সাক্ষাৎ। যদিও বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্টে তাদের লড়াইয়ের ইতিহাস আরও সমৃদ্ধ।
আর্জেন্টিনা ও মিশরের প্রথম সাক্ষাৎ হয়েছিল প্রায় এক শতাব্দী আগে, ১৯২৮ সালের আমস্টারডাম অলিম্পিকের সেমিফাইনালে। যুক্তরাষ্ট্রকে ১১-২ এবং বেলজিয়ামকে ৬-৩ গোলে হারিয়ে সেমিফাইনালে ওঠা আর্জেন্টিনা মিশরকে ৭-০ গোলে বিধ্বস্ত করে। ম্যাচে রবার্তো চেরো একটি, ম্যানুয়েল ‘নোলো’ ফেরেইরা জোড়া গোল এবং দোমিঙ্গো তারাসকোনে হ্যাটট্রিক করেন। তবে ফাইনালে উরুগুয়ের কাছে হেরে স্বর্ণপদক হাতছাড়া হয় আর্জেন্টিনার। তথ্য আর্জেন্টিনার গণমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টসের।
দ্বিতীয়বার দুই দল মুখোমুখি হয় ২০০৮ সালের ২৬ মার্চ কায়রোয় একটি প্রীতি ম্যাচে। আলফিও বাসিলের অধীনে আর্জেন্টিনা ২-০ গোলে জয় পায়। দলের হয়ে গোল করেন সার্জিও আগুয়েরো ও নিকোলাস বুর্দিসো। ইনজুরির কারণে সে ম্যাচে খেলতে পারেননি লিওনেল মেসি। ম্যাচ শেষে ব্যবহৃত বল নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছিলেন বাসিলে।
সিনিয়র পর্যায়ে মাত্র দুইবার দেখা হলেও যুব পর্যায়ে পাঁচবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল।
২০০১ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ (আর্জেন্টিনা): নেস্তর পেকারমানের দল মিশরকে ৭-০ গোলে হারায়।
২০০৩ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ (সংযুক্ত আরব আমিরাত): ফার্নান্দো কাভেনাঘির ‘গোল্ডেন গোল’-এ ২-১ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা।
২০০৫ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ: লিওনেল মেসির গোল এবং পাবলো জাবালেতার আরেকটি গোলে ২-০ ব্যবধানে জয় আর্জেন্টিনার।
২০১১ অনূর্ধ্ব-২০ বিশ্বকাপ (শেষ ষোলো): এরিক লামেলার দুটি পেনাল্টি গোলে ২-১ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। মিশরের হয়ে পেনাল্টি থেকে গোল করেন মোহাম্মদ সালাহ।
২০২১ টোকিও অলিম্পিক: ফাকুন্দো মেদিনার একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় আর্জেন্টিনা। যদিও সেই টুর্নামেন্টে মিশর গ্রুপ রানার্সআপ হয়ে পরের রাউন্ডে জায়গা করে নেয়।
দুই দলের সম্ভাব্য একাদশ
আর্জেন্টিনা (৪-৩-৩)
এমিলিয়ানো মার্টিনেজ; নাহুয়েল মোলিনা, ক্রিস্টিয়ান রোমেরো, লিসান্দ্রো মার্টিনেজ, ফাকুন্দো মেদিনা; রদ্রিগো ডি পল, এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার; থিয়াগো আলমাদা, লাউতারো মার্টিনেজ, লিওনেল মেসি।
মিশর (৪-২-৩-১)
মোস্তাফা শোবেইর; মোহামেদ হানি, রামি রাবিয়া, ইয়াসের ইব্রাহিম, করিম হাফেজ; মারওয়ান আতিয়া, হামদি ফাথি; মোহামেদ সালাহ, এমাম আশুর, ওমর মারমুশ; মোস্তাফা জিকো।