Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

খেলাধুলা

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেও চরম দুশ্চিন্তায় মরক্কো

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০৫ জুলাই ২০২৬, ০৫:৩৪ এএম

কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেও চরম দুশ্চিন্তায় মরক্কো

বিজ্ঞাপন

কানাডাকে ৩-০ গোলে হারিয়ে টানা দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে মরক্কো। তবে দাপুটে এই জয়ের মধ্যেও বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে দলের অন্যতম সেরা তারকা ইসমাইল সাইবারির চোট। শেষ ষোলোর ম্যাচে কানাডার বিপক্ষে মাত্র ২২ মিনিট খেলেই মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন ২৪ বছর বয়সী এই অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার। একটি আক্রমণ গড়ার পথে দৌড়ানোর সময় হঠাৎ করেই তিনি ডান পায়ের পেছনের অংশে অস্বস্তি অনুভব করেন এবং সঙ্গে সঙ্গে বদলির ইঙ্গিত দেন।

মাঠেই প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও ঝুঁকি এড়াতে তাকে তুলে নেন মরক্কোর কোচিং স্টাফ। তার পরিবর্তে মাঠে নামেন সুফিয়ান রাহিমি, যিনি পরে দলের তৃতীয় গোলটিও করেন।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সাইবারির ডান পায়ের হ্যামস্ট্রিংয়ে (উরুর পেছনের পেশি) টান লেগেছে। চিকিৎসকদের ভাষায় এটি হ্যামস্ট্রিং স্ট্রেইন হতে পারে। আগামী কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মেডিকেল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরই চোটের প্রকৃত অবস্থা জানা যাবে এবং তিনি টুর্নামেন্টের বাকি ম্যাচগুলো খেলতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে নিশ্চিত হওয়া যাবে। খবর বেইন স্পোর্টসের। 

চলতি বিশ্বকাপে মরক্কোর হয়ে এখন পর্যন্ত তিনটি গোল করেছেন সাইবারি। ব্রাজিল, স্কটল্যান্ড ও হাইতির বিপক্ষে গোল করে তিনি দলের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে শেষ ষোলোয় খেলতে নামেন।

সম্প্রতি নেদারল্যান্ডসের ক্লাব পিএসভি আইন্দহোভেন ছেড়ে জার্মান জায়ান্ট বায়ার্ন মিউনিখে যোগ দিয়েছেন তিনি। প্রায় ৫৫ মিলিয়ন ইউরো (প্রায় ৬৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ট্রান্সফার ফিতে ২০৩১ সাল পর্যন্ত চুক্তিতে তাকে দলে ভিড়িয়েছে বাভারিয়ানরা।

এটি সাইবারির ক্যারিয়ারের প্রথম পেশির চোট নয়। চলতি বছরের এপ্রিল-মে মাসে পিএসভির হয়ে খেলার সময় একই ধরনের পেশির সমস্যার কারণে প্রায় এক মাস মাঠের বাইরে ছিলেন তিনি। ওই সময় তিনটি ম্যাচও মিস করেন। এছাড়া ২০২৩ সালের এপ্রিল ও মে মাসেও আরেকটি পেশির চোটে প্রায় ২২ দিন মাঠের বাইরে থাকতে হয়েছিল তাকে।

সাইবারির চিকিৎসা-ইতিহাসে আরও একটি উল্লেখযোগ্য বিষয় রয়েছে। জন্মগতভাবে পায়ের একটি সমস্যার কারণে ছোটবেলায় প্রায় দুই বছর বয়স পর্যন্ত স্বাভাবিকভাবে হাঁটতে পারতেন না তিনি। পরে অর্থোপেডিক চিকিৎসার মাধ্যমে সেই সমস্যা কাটিয়ে ওঠেন। অবশ্য শৈশবের সেই সমস্যা বর্তমান চোটের সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পর্কিত নয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার