বিজ্ঞাপন
২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে ৫টি রোমাঞ্চকর তথ্য, যা ফুটবল ইতিহাসে এই প্রথম
স্পোর্টস ডেস্ক
প্রকাশ: ০৮ জুন ২০২৬, ০৪:০২ পিএম
বিজ্ঞাপন
ফুটবল বিশ্বের প্রতীক্ষার প্রহর শেষ হতে চলল। আগামী ১১ জুন উত্তর আমেরিকার তিন দেশ—যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোর যৌথ আয়োজনে পর্দা উঠতে যাচ্ছে ফুটবল ইতিহাসের সবচেয়ে বড় এবং ব্যতিক্রমী বিশ্বকাপের। এবারের আসরটি আগের সব সংস্করণের চেয়ে কেবল বড়ই নয়, বরং নানা দিক থেকে অনন্য।
টুর্নামেন্ট শুরুর আগে এই মেগা ইভেন্টের ৫টি মূল বৈশিষ্ট্য নিচে তুলে ধরা হলো:
১. ৪৮ দলের নতুন রূপরেখা- কাতার বিশ্বকাপের ৩২ দলের প্রথা ভেঙে এবারই প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নিচ্ছে ৪৮টি দেশ। দল বাড়ার সাথে সাথে ম্যাচের সংখ্যা ৬৪ থেকে বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০৪টিতে। এই বিশাল আয়তন সামলাতে টুর্নামেন্টের স্থায়িত্বও বাড়ানো হয়েছে ৩৯ দিন পর্যন্ত।
২. তিন দেশের যৌথ আয়োজন- ফুটবলের ৯৬ বছরের ইতিহাসে এই প্রথম তিনটি দেশ মিলে ছেলেদের বিশ্বকাপ আয়োজন করছে। ১৬টি স্বাগতিক শহরের মধ্যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেই টুর্নামেন্টের নকআউট পর্ব ও কোয়ার্টার ফাইনালের সিংহভাগ ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে, যা এই বিশ্বকাপকে ভৌগোলিকভাবে ব্যাপক বিস্তৃত করেছে।
৩. এজটেকা স্টেডিয়ামের অনন্য রেকর্ড- ইতিহাস গড়তে যাচ্ছে মেক্সিকো সিটির বিখ্যাত ‘এজটেকা স্টেডিয়াম’। বিশ্বের প্রথম ভেন্যু হিসেবে তিনটি ভিন্ন বিশ্বকাপের ম্যাচ আয়োজনের বিরল রেকর্ড গড়ছে এই স্টেডিয়ামটি। ১৯৭০ সালে পেলে এবং ১৯৮৬ সালে ম্যারাডোনার রাজত্ব দেখার পর, এবার উদ্বোধনী ম্যাচ দিয়ে ফের পাদপ্রদীপের আলোয় ফিরছে এই ঐতিহাসিক ভেন্যু।
৪. তীব্র গরমের ঝুঁকি ও উদ্বেগ- জুন-জুলাইয়ের তীব্র তাপমাত্রা ও আর্দ্রতা এবার খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হতে যাচ্ছে। ‘ওয়ার্ল্ড ওয়েদার অ্যাট্রিবিউশন’-এর রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বকাপের প্রায় এক-চতুর্থাংশ ম্যাচ বিপজ্জনক গরমের মধ্যে অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এই সংকট মোকাবিলায় ফিফা বিশেষ ‘কুলিং ব্রেক’ বা শীতল হওয়ার বিরতির পরিকল্পনা রাখলেও, বিশেষজ্ঞরা একে পরিস্থিতির তুলনায় অপর্যাপ্ত বলে সতর্ক করেছেন।
৫. ফাইনাল হবে ‘সুপার বোল’ স্টাইলে- বিশ্বকাপের ফাইনালকে এক অন্য উচ্চতায় নিয়ে যেতে চায় ফিফা। আমেরিকার জনপ্রিয় ‘সুপার বোল’-এর আদলে ফাইনালে এবার থাকছে বিশাল আয়োজন। নিউ জার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামের ফাইনালে হাফটাইমে বা বিরতির সময় কনসার্টে অংশ নেবেন শাকিরা, ম্যাডোনা এবং বিশ্বখ্যাত কে-পপ ব্যান্ড বিটিএস (BTS)। ফাইনাল ম্যাচটি যে কেবল একটি ফুটবল ম্যাচ নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ বিনোদন উৎসবে পরিণত হতে যাচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।