বিজ্ঞাপন
আমির হামজার নারীঘটিত ব্যাপার জামায়াত আমিরও জানেন: রাশেদ খান
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:১৩ পিএম
বিজ্ঞাপন
প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খান শুক্রবার (৬ নভেম্বর) ঝিনাইদহ জেলা শহরের একটি মসজিদে জুমার নামাজ আদায় শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের সঙ্গে নানা ইস্যুতে কথা বলেছেন। এ সময় তিনি জামায়াতে ইসলামীর কড়া সমালোচনা করে বলেন, জামায়াতের হাতে বাংলাদেশের নারীরা নিরাপদ নয়।
তিনি বলেন, কুষ্টিয়া-৩ আসনে জামায়াত দলীয় এমপি মুফতি আমির হামজা ওয়াজের মাঠে শত লোকের শাসনের কথা বলেন, ন্যায়নীতির কথা বলেন। সেই ব্যক্তির যদি নারী স্ক্যান্ডাল বের হয় সেটি কি আসলে গ্রহণযোগ্য? আমির হামজাকে দল থেকে বহিষ্কার করে এমপি পদ বাতিলের আবেদন করার জন্য জামায়াতকে পরামর্শ দেন তিনি।
আমির হামজার নারীঘটিত ব্যাপার সম্পর্কে জামায়াতের আমির নিজেও জানেন দাবি করে রাশেদ খান বলেন, জামায়াতের শীর্ষ নেতারা এ বিষয়গুলো জানেন এবং ওই সময় এটি নিয়ে তাদের কেন্দ্রীয় মগবাজারের অফিসে আলোচনাও হয়েছিল। তারপরও ভালো প্রার্থী না থাকায় আমির হামজাকে নমিনেশন দেওয়া হয়েছিল।
রাশেদ খান আরও বলেন, মিয়া গোলাম পরওয়ার যেভাবে ভারতীয় গোয়েন্দা কর্মকর্তার সঙ্গে বৈঠক করল সেটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করা হলো। এর আগে গাজী নজরুলের কাণ্ডও শুরুতে ধামাচাপা দিতে চেষ্টা করেছিল। অর্থাৎ জামায়াতের নেতারা অপরাধ করলে সেটার প্রমাণ গণমাধ্যমে প্রকাশিত না হওয়া পর্যন্ত জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান তাকে রক্ষা করার চেষ্টা করেন। লম্পটদের নিয়ে জামায়াত রাজনীতি করতে পারে না। জামায়াতের নেতাদের একের পর এক নারী কেলেঙ্কারি প্রমাণ করে, তাদের হাতে দেশের নারীরা নিরাপদ নয়। তারা ক্ষমতায় গেলে নারীদের সঙ্গে কী ধরনের আচরণ করা হবে? জামায়াত এই মুহূর্তে নারী স্ক্যান্ডালের দলে পরিণত হয়েছে।
এ সময় তিনি মেজর আক্তার প্রসঙ্গে বলেন, জুলাই গাদ্দার মেজর আক্তার ফেস দ্য পিপল-এর টকশোতে আমাকে এবং আন্দোলনকারীদের রাজাকারের সন্তান বলেছিল। সেই মেজর আক্তার নাকি এখন জামায়াতের নেতা হয়েছে। ছাত্রীশিবিরের নেত্রীরা দেখলাম তার সঙ্গে ছবিও তুলছে।
চিত্রনায়িকা পরীমনি কাণ্ড নিয়ে কথা বলার সময় রাশেদ জানান, সমকালের রিপোর্টার রবিউল ইসলাম রাজুর সঙ্গে যে ধরনের ঘটনা ঘটেছে, আমি তার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। এসব তারকা সমাজকে কলুষিত ও বিপথগামী করছে। রাজুর সঙ্গে যে অন্যায় হয়েছে আমরা তার বিচার দাবি করছি।
এছাড়াও তিনি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে বলেন, যারা কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ফ্যাসিবাদকে টিকিয়ে রাখার জন্য গুম, খুন, ক্রসফায়ারসহ বিভিন্ন অন্যায়ের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়েছে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সেই সদস্যদের অবশ্যই সরকার আইনের আওতায় আনতে বদ্ধপরিকর। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় অনেকে গ্রেফতার হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা মিলবে, সরকার আইন অনুযায়ী তাদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।