Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি

যে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে পালিয়ে আছেন ফাঁসির আসামি হানিফ

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৫৮ পিএম

যে বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে পালিয়ে আছেন ফাঁসির আসামি হানিফ

বিজ্ঞাপন

গণঅভ্যুত্থানে কুষ্টিয়ায় ছয়জনের প্রাণহানি; এরপর মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলা। দীর্ঘ বিচারপ্রক্রিয়া শেষে এলো মৃত্যুদণ্ডের রায়। কিন্তু এখনও দেখা মেলেনি মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফের। আইন প্রয়োগকারী সংস্থার চোখ ফাঁকি দিয়ে এই হেভিওয়েট নেতা কোথায় লুকিয়ে আছেন?

এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনুসন্ধানে উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সামনে এলো থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের একটি বিলাসবহুল আবাসিক টাওয়ারের নাম। দেশ ছেড়ে পালিয়ে হানিফ এখন এ বাড়িতেই গড়ে তুলেছেন নিজের আস্তানা।

স্থানীয় সূত্রের নির্ভরযোগ্য তথ্য অনুযায়ী, বহাল তবিয়তে পরিবার নিয়ে ব্যাংককের বিলাসবহুল আবাসিক টাওয়ার ‘সুপালাই রিভার রিসোর্ট’-এর একটি অ্যাপার্টমেন্টে দিন কাটাচ্ছেন মাহবুব উল আলম হানিফ।

ব্যাংককের থন বুড়ি এলাকার ব্যস্ত চারোয়েন নাখোন রোডে অবস্থিত ৪২ তলার এই সুবিশাল ও দৃষ্টিনন্দন ভবনেই কেনা রয়েছে তার নিজস্ব ফ্ল্যাট। প্রায় দুই বছর ধরে এখানেই আয়েশি জীবনযাপন করছেন তিনি। সম্প্রতি ওই ভবনেই হানিফের মুখোমুখি হন প্রতিবেদকের প্রতিনিধি। এমনকি তাদের কথাবার্তাও হয়।

চব্বিশের জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় কুষ্টিয়ায় ছয়জনকে নির্মমভাবে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হয়েছেন কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের এই যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক। ২৯ অক্টোবর এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল।

চার আসামিই পলাতক

হানিফ ছাড়াও একই মামলায় আমৃত্যু সাজা পান কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সদর উদ্দিন খান, সাধারণ সম্পাদক আজগর আলী ও কুষ্টিয়া শহর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আতাউর রহমান আতা। তারাও পলাতক রয়েছেন।

প্রসিকিউশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ এ মামলার তদন্ত শুরু হয়। একই বছরের ১১ সেপ্টেম্বর চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে প্রতিবেদন দাখিল করেন তদন্ত কর্মকর্তা। ৫ অক্টোবর রেজিস্ট্রারের কাছে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ জমা দেয় প্রসিকিউশন। পরদিন তথা ৬ অক্টোবর অভিযোগ আমলে নিয়ে হানিফ, সদর উদ্দিন, আজগর ও আতাউর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল। তবে স্থায়ী-অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়েও তাদের হদিস পাননি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা।

নন-এক্সিকিউশন রিপোর্ট বা এনইআর-এ এমন তথ্য এলে চারজনকে আত্মসমর্পণে দুটি জাতীয় দৈনিক পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের অনুমতি চায় প্রসিকিউশন। নির্ধারিত দিনে আত্মসমর্পণ না করায় পলাতক বিবেচনায় তাদের হয়ে আইনি লড়াইয়ের জন্য সরকারি খরচে আমির হোসেনকে আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। এরপর শুরু হয় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের শুনানি। রাষ্ট্রপক্ষ ও স্টেট ডিফেন্সের এ পর্ব শেষে ২০২৫ সালের ২ নভেম্বর হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ওই বছরেরই ৮ ডিসেম্বর সূচনা বক্তব্যের মধ্য দিয়ে শুরু হয় প্রসিকিউশনের সাক্ষ্যগ্রহণ।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় মাহবুব উল আলম হানিফকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২। ২৯ অক্টোবর ঘোষিত রায়ে প্রথম অভিযোগের ছয়টি কাউন্টে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়। একই সঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। মামলায় কুষ্টিয়া আওয়ামী লীগের আরও তিন নেতা সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী ও আতাউর রহমান আতা দণ্ডিত হয়েছেন।

মামলায় তদন্ত কর্মকর্তাসহ রাষ্ট্রপক্ষে মোট সাক্ষ্য দেন ১৯ জন। এছাড়া ৩৬ সিরিজের নথি ও পাঁচটি বস্তুগত প্রদর্শনী উপস্থাপন করা হয়। চলতি বছরের ২৩ এপ্রিল তদন্ত কর্মকর্তাকে জেরার মধ্য দিয়ে সাক্ষ্যগ্রহণের মূল পর্ব শেষ হয়। পরে অতিরিক্ত তথ্যপ্রমাণ দাখিল করে প্রসিকিউশন। এরই ধারাবাহিকতায় প্রসিকিউশনের ১৩ ও ১৯ নম্বর সাক্ষীকে পুনরায় জবানবন্দি দেওয়ার জন্য ডাকা হয়। গত ৬ সেপ্টেম্বর তাদের জবানবন্দি শুরু হয়ে শেষ হয় ৮ সেপ্টেম্বর। এরপর ৫ অক্টোবর পুনরায় শুরু হয় যুক্তিতর্ক পর্ব। ৭ অক্টোবর দুই পক্ষের যুক্তি-পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষমাণ রাখা হয়। সবশেষে ২৯ অক্টোবর রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেন ট্রাইব্যুনাল। বিচারকাজের এ পুরো সময়টায় ব্যাংককে পরিবার নিয়ে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা মাহবুব উল আলম হানিফ এক অন্যরকম আয়েশি জীবন কাটিয়েছেন বলে জানিয়েছে বিশ্বস্ত সূত্রটি।

ট্রাইব্যুনালের রায়ে হানিফকে প্রসিকিউশনের প্রথম অভিযোগের এক থেকে ছয় নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একইসঙ্গে দ্বিতীয় ও তৃতীয় অভিযোগে তাকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। এছাড়া প্রথম অভিযোগের এক থেকে ছয় নম্বর কাউন্টে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় সদর উদ্দিন, আজগর ও আতাউর রহমানকে আমৃত্যু সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। দ্বিতীয় ও তৃতীয় অভিযোগে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ডে দণ্ডিত হন তারা।

সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্তের নির্দেশ

সাজাপ্রাপ্ত চার নেতারই স্থাবর সম্পত্তির অর্ধেক বাজেয়াপ্ত করার নির্দেশ দেন ট্রাইব্যুনাল। এসব সম্পত্তি বিক্রি করার অর্থ পাবে জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবার। জুলাই ফাউন্ডেশন বা অন্য কোনো বিধিবদ্ধ সংস্থার মাধ্যমে ক্ষতিপূরণ হিসেবে তাদের দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

মানবতাবিরোধী অপরাধের এ মামলায় চার নেতার বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনে প্রসিকিউশন। এর মধ্যে প্রথম অভিযোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে হানিফের উসকানি, প্ররোচনা ও সহায়তার কথা বলা হয়েছে। দ্বিতীয় অভিযোগে কুষ্টিয়ায় আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দেওয়ার বিষয়টি তুলে ধরা হয়। তৃতীয় অভিযোগটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় চার নেতার সংশ্লিষ্টতা নিয়ে।

তিনটি অভিযোগে বিচার

প্রথম অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৫, ১৭ ও ৩০ জুলাই এবং ৩ আগস্ট আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন হানিফ। এসব বৈঠক বা সভায় দেওয়া তার উসকানিমূলক বক্তব্যকে সমর্থন করেন তিনি। এছাড়া ২৯ জুলাই জাতীয় প্রেসক্লাবে একটি আলোচনা সভায় দেওয়া বক্তব্যে আন্দোলনকারীদের ‘জামায়াত’, ‘সন্ত্রাসী’ ও ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়ে আন্দোলন দমনে হত্যা-নির্যাতনের উসকানি, প্ররোচনা-সহায়তা দেন এই শীর্ষ নেতা।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন তৎকালীন সরকারের ক্ষমতা নিরঙ্কুশ ও দীর্ঘস্থায়ী করার উদ্দেশ্যে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহারের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন হানিফ। ড্রোনের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের শনাক্ত করে অবস্থান ও লক্ষ্য নির্ধারণ এবং হেলিকপ্টার থেকে গুলি চালিয়ে আন্দোলন দমনের পরিকল্পনা কার্যকর করার সিদ্ধান্তেও তার সমর্থন ছিল। এসব কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে দেশজুড়ে আন্দোলনকারীদের হত্যাসহ গুরুতর আহত করার ঘটনায় তার উসকানি ও সহায়তা ছিল।

দ্বিতীয় অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, ২০২৪ সালের ২৭ জুলাই কুষ্টিয়া জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হানিফের নেতৃত্বে সদর উদ্দিন খান, আজগর আলী, আতাউর রহমান আতাসহ অন্য নেতারা বৈঠক করেন। বৈঠকে নিরীহ-নিরস্ত্র ছাত্র-জনতার শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে ‘সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড’ হিসেবে উল্লেখ করে কুষ্টিয়া শহরে আন্দোলন দমনে সর্বোচ্চ বল প্রয়োগের নির্দেশ দেন হানিফ।

প্রসিকিউশন জানায়, ওই বৈঠকে বক্তব্যের মাধ্যমে আন্দোলনকারীদের ওপর বল প্রয়োগ, গুলি চালানো, হত্যা ও নির্যাতনের উসকানি এবং সহায়তা দেওয়া হয়। এ অভিযোগে হানিফ ছাড়াও সদর উদ্দিন, আজগর ও আতার নাম রয়েছে।

এ মামলায় হানিফসহ চার আসামির বিরুদ্ধে ২০২৫ সালের ৬ অক্টোবর গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন ট্রাইব্যুনাল। তাদের স্থায়ী ও অস্থায়ী ঠিকানায় গিয়েও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তাদের সন্ধান পায়নি বলে মামলার কার্যক্রমে উল্লেখ করা হয়েছে। পরে আত্মসমর্পণের জন্য পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের উদ্যোগ নেওয়া হয়। রায় ঘোষণার পর পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তার বা দেশে ফিরিয়ে আনতে প্রয়োজনীয় সব আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার কথা জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর।

তৃতীয় অভিযোগটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট কুষ্টিয়া শহরে ছয়জনকে গুলি করে হত্যার ঘটনা নিয়ে। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন– শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম, সুরুজ আলী বাবু, শিক্ষার্থী আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন, উসামা, ব্যবসায়ী বাবলু ফরাজী ও চাকরিজীবী ইউসুফ শেখ।

প্রসিকিউশনের অভিযোগ, ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ‘মার্চ টু ঢাকা’ কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে রাজপথে নামেন কুষ্টিয়ার বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সকাল ১০টার দিকে হাজারও ছাত্র-জনতা শহরের হাসপাতাল মোড়ে জড়ো হয়ে চৌড়হাস থেকে মজমপুরের দিকে শান্তিপূর্ণভাবে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করেন। কিন্তু হানিফের পরিকল্পনা ও নির্দেশনার ধারাবাহিকতায় আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালান আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা। এ সময় তাদের ছত্রচ্ছায়া দেয় পুলিশ। কোনো কোনো ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে একত্রে গুলি চালান তারা।

অভিযোগ অনুযায়ী, ৫ আগস্ট দুপুর দেড়টা থেকে বিকেল চারটার মধ্যে কুষ্টিয়া শহরের বিভিন্ন স্থানে গুলিতে ছয়জন নিহত হন। তাদের মধ্যে– আশরাফুল ইসলাম বক চত্বরের প্রায় ৫০ গজ উত্তরে, সুরুজ আলী বাবু বার্মিজ গলিতে, আবদুল্লাহ আল মুস্তাকিন ও উসামা হরিপুরগামী সড়কে আড়ংয়ের সামনে, বাবলু ফরাজী তুলাপট্টির গলিতে এবং ইউসুফ শেখ ফায়ার সার্ভিসের বিপরীত দিকে সড়কে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান। 

এসব হত্যাকাণ্ডে হানিফ, সদর উদ্দিন, আজগর ও আতার সংশ্লিষ্টতা মিলেছে বলে দাবি প্রসিকিউশনের। তাদের বিরুদ্ধে হত্যা, হত্যাচেষ্টা, নির্যাতন, উসকানি, প্ররোচনা, সহায়তা ও হত্যার নির্দেশ দেওয়ার মাধ্যমে মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটনের অভিযোগ আনা হয়।

এ মামলায় ট্রাইব্যুনালের ঘোষিত রায়ে প্রসিকিউশন সন্তোষ থাকলেও অসন্তুষ্টি জানিয়েছে স্টেট ডিফেন্স। তবে মাহবুব উল আলম হানিফদের এ রায় সময়োপযোগী বলে মন্তব্য করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। 

পলাতকরা কোথায় আছেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, মামলাটি শুনানির জন্য প্রস্তুতের সময় চার আসামির বিরুদ্ধেই গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়। পত্রিকায়ও বিজ্ঞপ্তি এসেছে। কিন্তু তারা বাংলাদেশের কোথাও আছেন, এমন অবস্থান জানা সম্ভব হয়নি। হয়তো তারা বাংলাদেশে নেই। দেশের বাইরে আছেন। তবে চারজনকে গ্রেপ্তার বা ফিরিয়ে আনার জন্য আইনগত যা যা প্রক্রিয়া রয়েছে, সবই করা হবে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার