বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে দিয়ে বিরোধীদলের ওপর গোয়েন্দাগিরি- প্রধানমন্ত্রীর বিপদজনক বার্তা: হাসনাত
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ২১ অক্টোবর ২০২৬, ১২:২১ এএম
বিজ্ঞাপন
রাষ্ট্রীয় সংস্থাকে দিয়ে বিরোধীদলের উপরে গোয়েন্দাগিরি করার যে বার্তা প্রধানমন্ত্রী দিয়েছেন সেটা অত্যন্ত বিপদজনক- বলে মন্তব্য করেছেন এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহ। তিনি বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক কাজ থেকে সরিয়ে শুধুমাত্র বিরোধী রাজনৈতিক দলের পিছনে লেলিয়ে দেওয়া এবং বিরোধী দলকে টার্গেট করে নজরদারি প্রযুক্তির অপব্যবহার করা প্রমাণিতভাবে একটি ফ্যাসিবাদী চরিত্র।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে হাসনাত এমন মন্তব্য করেন। পোস্টের শুরুতেই তিনি প্রশ্ন করেন, একজন প্রধানমন্ত্রী কি রাষ্ট্রের গোয়েন্দাসংস্থা ব্যবহার করে বিরোধীদলের উপর গোয়েন্দাগিরি করার ঘোষণা প্রকাশ্যে দিতে পারেন? রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো কি কোন দলের কাছে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হওয়ার কথা? নাকি দেশের প্রতি দায়িত্ব পালন করার কথা?
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, বিরোধীদলের উপর গোয়েন্দাসংস্থা লেলিয়ে দেওয়ার এই সংস্কৃতি আমাদের তো হাসিনার আমলের কথাই মনে করিয়ে দেয়৷ অথচ রঙ বেরঙের কার্ড ছাপানো কর্মসূচিতে নানা অনিয়মের কথা শোনা যাচ্ছে। তিনি প্রশ্ন যুক্ত করেন, সরকার কি এসব নিয়ে আজ পর্যন্ত একটা তদন্ত করার উদ্যোগ নিয়েছে? উত্তর হলো, না৷
প্রধানমন্ত্রীর স্বীকারোক্তি রাষ্ট্রীয় বাহিনীকে অপব্যবহারের গভীরতর বার্তা দেয়, যা নিন্দনীয় বলেও পোস্টে উল্লেখ করেন এনসিপির এই শীর্ষনেতা।
প্রসঙ্গত, এর আগে রাজশাহীতে, আখচাষিদের প্রণোদনা প্রদান ও জনসভায় কম্পিউটারে বাটন টিপে এই অর্থ সংশ্লিষ্ট চাষিদের মোবাইল অ্যাকাউন্টে প্রদান করেন প্রধানমন্ত্রী।
এ সময় তিনি বলেন, ‘এখন আমি কম্পিউটারে একটা বোতামে চাপ দেব। চাপটা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে কয়েক মিনিটের মধ্যে আখচাষি ভাইদের অ্যাকাউন্টে সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া সহযোগিতা ইনশাআল্লাহ পৌঁছে যাবে। সরকার আখচাষিদের সহযোগিতার জন্য মোট ১২ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। বরাদ্দের অর্থ ৩৮ হাজার ৯৭০ জন আখচাষির কাছে পৌঁছে দেওয়া হবে। আমি আশা করছি, কৃষকদের এই সহযোগিতা তাদের আখ চাষে সহায়তা করবে।’
প্রধানমন্ত্রী ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলে কম্পিউটারের বোতাম চাপেন। পরে তিনি দেশের ১৫টি সুগার মিল জোনের ১৫ জন কৃষকের হাতে প্রণোদনার প্রতীকী চেক তুলে দেন।