Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

রাজনীতি

জাসদ কার্যালয় থেকে আটক সাংবাদিক নেতাকে ১৫ ঘণ্টা পর ছাড়ল পুলিশ

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১১ পিএম

জাসদ কার্যালয় থেকে আটক সাংবাদিক নেতাকে ১৫ ঘণ্টা পর ছাড়ল পুলিশ

বিজ্ঞাপন

আটকের প্রায় ১৫ ঘণ্টা পর মুক্তি পেয়েছেন ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের (ডিইউজে) একাংশের সাবেক সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর সূর্য।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোর ৫টার দিকে তাকে পল্টন থানা থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

এর আগে শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুর আড়াইটার দিকে রাজধানীর গুলিস্তান জিপিও মোড় এলাকায় জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে তাকে আটক করে পুলিশ। জাসদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, একই সময় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সন্দেহে আরও অন্তত ২৮০ জনকে আটক করা হয়েছে।

মুক্তির পর আবু জাফর সূর্য বলেন, ‘আমাকে যখন আটক করা হয় তখন আমি পুলিশকে বারবার বলেছি আমি জীবনে কখনও আওয়ামী লীগ করিনি। আমি একজন সাংবাদিক, সংবাদ কাভারের জন্য এখানে এসেছি। কিন্তু পুলিশ আমার কোনো কথা আমলে না নিয়ে হাতকড়া পরিয়ে পুলিশের গাড়িতে করে থানায় নিয়ে যায়।’

তিনি বলেন, ‘ওই সময় ৫০ জনেরও বেশি মানুষকে আটক করা হয়েছিল। আমাকেও প্রথম দিকেই আটক করা হয়। কিন্তু একজন পেশাদার সাংবাদিক ও সাংবাদিক নেতা পরিচয় দেওয়ার পরেও আটকের প্রায় ১৮ ঘণ্টা পর সকালে সবার শেষে মুক্তি দেওয়া হয়।’

আটকের পর আবু জাফর সূর্য তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে হাতকড়া পরা নিজের একটি ছবি পোস্ট করে দাবি করেন, জাসদের প্রতিনিধি সভায় পেশাগত দায়িত্ব পালনের সময় তাকে ও আরও কয়েকজনকে আটক করা হয়। পরে তাকে পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

জাসদের কেন্দ্রীয় দপ্তর সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘একটি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল জাসদ। আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে আমরা দুই দফা চিঠি দিয়েছি মতিঝিল জোনের ডিসির কাছে। এটা কোনো পাবলিক প্রোগ্রাম ছিল না। একান্তই আমাদের পার্টির প্রোগ্রাম। এটা একটি প্রতিনিধি সম্মেলন ছিল। আমাদের কার্যালয়ে সার্বক্ষণিক যে গোয়েন্দাসংস্থার প্রতিনিধিরা খোঁজ রাখেন তারা অবশ্যই জানে। এটা কোনো গোপন প্রোগ্রাম ছিল না। তারপরও পুলিশ ও যুবদলের লোকজন আমাদের অনুষ্ঠান পণ্ড করে। সাংবাদিকসহ অন্তত ২৮০ নেতাকর্মীকে আটক করে নিয়ে যায়। এখন পর্যন্ত ২৯ নেতাকর্মী হাজতে রয়েছেন। তাদের আদালতে নেওয়া হবে নাকি ছেড়ে দেওয়া হবে আমরা কিছু জানি না।’

এ বিষয়ে ডিএমপির মিডিয়া বিভাগের উপকমিশনার মো. আক্তার হোসেন বলেন, ‘আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ ও পরিচয় যাচাইয়ের জন্য পল্টন থানায় নেওয়া হয়েছিল। যাচাই-বাছাই শেষে বেশিরভাগকেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বাকি কয়েকজন রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে যাচাই-বাছাই শেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার