বিজ্ঞাপন
শিল্প-কারখানা বন্ধ করে লাখো শ্রমিককে বেকার করা উদ্বেগজনক
জাগো বাংলা ডেস্ক
প্রকাশ: ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৩৬ এএম
বিজ্ঞাপন
ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের মহাসচিব গাজী আতাউর রহমান বলেছেন, তেল-গ্যাসসহ প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহের সংকটের অজুহাত দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন শিল্প-কারখানা বন্ধ করে দেওয়ায় লাখো শ্রমিক কর্মহীন হয়ে পড়েছে। তাদের পরিবার-পরিজনের জীবন-জীবিকা চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে। দেশের শিল্প ও অর্থনীতির জন্যও এটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক।
তিনি বলেন, শ্রমিকরা দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি। তাদের শ্রম ও ঘামে শিল্প-কারখানা সচল থাকে এবং জাতীয় অর্থনীতি এগিয়ে যায়। অথচ জ্বালানি সংকট, গ্যাস-বিদ্যুতের অনিয়মিত সরবরাহ, উৎপাদন ব্যাহত হওয়া এবং বিভিন্ন অব্যবস্থাপনার কারণে যদি একের পর এক কলকারখানা বন্ধ হয়ে যায়, তাহলে এর সবচেয়ে বড় আঘাত পড়বে দেশের ওপর। এই পরিস্থিতির ফলে দেশে বেকারত্ব বাড়বে এবং সামাজিক অস্থিরতাও বাড়বে।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত বিশেষ বৈঠকে তিনি এ কথা বলেন।
বৈঠকে দলের যুগ্ম মহাসচিব মাওলানা নেছার আহমেদ বলেন, শিল্প-কারখানা বন্ধের আগে সরকারকে সংশ্লিষ্ট মালিকপক্ষ, শ্রমিক সংগঠন ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে সমন্বয় করে সংকট নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ নিতে হবে।
অবিলম্বে শিল্প-কারখানাগুলো সচল রাখতে প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত, বন্ধ কারখানা চালুর উদ্যোগ, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ও বেতন-ভাতা সুরক্ষা এবং শিল্পখাতের দীর্ঘমেয়াদি সংকট নিরসনে সমন্বিত পরিকল্পনা নিতে হবে।
বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন সহকারী মহাসচিব মাওলানা আহমদ আব্দুল কাইয়ুম, শ্রমিক আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মুহাম্মাদ সিদ্দিকুর রহমান, হারুন অর রশীদ, জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল এইচ এম রফিকুল ইসলাম, ওবায়েদ বিন মোস্তফা, শাহ জামাল ও সাংগঠনিক সম্পাদক কামাল উদ্দিন আহমেদ।
জাতীয় কাউন্সিল আগামী ৯ অক্টোবর
ইসলামী শ্রমিক আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি মুহাম্মাদ খলিলুর রহমান ও সেক্রেটারি জেনারেল কে এম বিল্লাল হোসাইন আনুষ্ঠানিকভাবে জানান, সংগঠনের জাতীয় কাউন্সিল আগামী ৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।
কাউন্সিলে দেশের শ্রমিকদের অধিকার, কর্মসংস্থান, শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা, শিল্প-কারখানার বর্তমান পরিস্থিতি এবং শ্রমজীবী মানুষের সার্বিক কল্যাণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নেওয়া হবে।