বিজ্ঞাপন
রাশেদের আক্রমণের মুখে তুষার বললেন, ‘কোথায় বিয়ে করেছি’
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ১৮ আগস্ট ২০২৬, ০৫:১৭ এএম
বিজ্ঞাপন
সাম্প্রতিক একটি টেলিভিশন টকশোপর্বে বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের কার্যক্রমের মূল্যায়ন নিয়ে আলোচনা করতে গিয়ে চরম বাগযুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মোহাম্মদ রাশেদ খান এবং জাতীয় নাগরিক পার্টির যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে আলোচনা ব্যক্তিগত আক্রমণে রূপ নিলে, বিয়ে এবং নারী নিপীড়নের প্রসঙ্গ উঠলে সারোয়ার তুষারকে বলতে শোনা যায়, “আমি তো বিয়েই করি নাই।”
সোমবার (১৭ আগস্ট) গভীর রাতে এটিএন নিউজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশিত ‘সরকারের ১৮০ দিন: কেমন আছে জনগণ?’ শীর্ষক এই সংলাপে আলোচনার এক পর্যায়ে সরকার ও বিরোধী শিবিরের দুই তরুণ প্রতিনিধি একে অপরের বিরুদ্ধে তথ্য গোপন ও ব্যর্থতার পাল্টাপাল্টি অভিযোগ তোলেন।
৪২ মিনিটের আলোচনায় বাগযুদ্ধের সূত্রপাত হয় ৩৬ মিনিটে। যখন উপস্থাপিকা রাশেদকে উদ্ধৃত করে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর কথা বলে একটি প্রসঙ্গে যেতে চান। তখন রাশেদকে উদ্দেশ্য করে তুষার বলেন, ‘উনি (রাশেদ) শতভাগ চ্যালেঞ্জ করে এমন অনেক কথাই বলেন। মিথ্যা কথা বলায় ওনার বিরাট… আছে।
এরপর থেকে মূলত টকশো আর আগাতেই পারেনি। জুলাই আন্দোলনে কার ভূমিকা কেমন ছিল, কে মামলা খেয়েছে আর কে খায়নি-সেসব নিয়ে তর্কে জড়ান দুই বক্তা।
পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যখন রাশেদ খান ‘ব্যক্তিগত আক্রমণ’ শুরু করেন। তিনি বলেন, “আপনাদের দলে কোন নারী আপনাদের কাছে নিরাপদ? আপনার সঙ্গে থাকা অবস্থায় নারীকে আপনি নিপীড়ন করেছেন। বউ থাকা অবস্থায় এসব করেছেন। কোন মুখে টকশোতে আসেন। এসব বলতে চাইনি। বাধ্য করছেন।'
এই গুরুতর অভিযোগের মুখে সারোয়ার তুষার ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং একে সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি চিৎকার করে বলেন, “আমি কোথায় বিয়ে করেছি? আপনি সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য দিচ্ছেন।”
আলোচনা নিয়ন্ত্রণহীন হয়ে পড়লে উপস্থাপিকা মুনি ইউসুফ দ্রুত অনুষ্ঠানটি শেষ করতে বাধ্য হন। সরকারের ১৮০ দিনের সফলতা ও ব্যর্থতা নিয়ে শুরু হওয়া এই সংলাপ শেষ পর্যন্ত দুই রাজনৈতিক নেতার ব্যক্তিগত কাদা ছোড়াছুড়িতে পর্যবসিত হয়, যা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে।