Logo
Logo
×

রাজনীতি

ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন জুমা

Icon

জাগো বাংলা ডেস্ক

প্রকাশ: ০৩ জানুয়ারি ২০২৬, ০৬:৪৮ পিএম

ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন জুমা

শরিফ ওসমান হাদি গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে রাজধানীর বিজয়নগর পানির ট্যাংকির সামনে আততায়ীর হাতে গুলিবিদ্ধি হন। পরে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত ১৯ ডিসেম্বর তার মৃত্যু হয়। শুক্রবার বিকালে রাজধানীর শাহবাগে অবস্থান কর্মসূচি থেকে আগামী ‘২২ কার্যদিবসের’ মধ্যে শহীদ শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার না হলে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু করবে বলে জানিয়েছে ইনকিলাব মঞ্চ।

ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়েছিল এ খুনের জন্যই। সরকারে বসা কে এ জামিনের জন্য তদবির করেছিল? কোন জজ এ রায় দিয়েছিল? সে কার রিক্রুট করা? কোন আইনজীবী জামিন করিয়েছে? কার চ্যানেলে সে ইনকিলাবে এসেছিল?

ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা

এর একদিন পরই ওসমান হাদির হত্যাকাণ্ড নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিলেন ইনকিলাব মঞ্চের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শাখার মুখপাত্র ফাতিমা তাসনিম জুমা।

শরিফ ওসমান বিন হাদিকে খুন করতেই ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়েছিল বলে দাবি করেন তিনি। শনিবার (৩ জানুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক পোস্টে তিনি এ দাবি করেন। 

পোস্টে জুমা লেখেন, ‘ফয়সালকে জামিনে বের করা হয়েছিল এ খুনের জন্যই। সরকারে বসা কে এ জামিনের জন্য তদবির করেছিল? কোন জজ এ রায় দিয়েছিল? সে কার রিক্রুট করা? কোন আইনজীবী জামিন করিয়েছে? কার চ্যানেলে সে ইনকিলাবে এসেছিল?

কবির নামে যাকে গ্রেফতার করা হলো সে সেন্টারে যেদিন প্রথম এ টাম্প নেয় সেদিন ফয়সালের সঙ্গে ছিল। ফয়সাল ছাড়া তার কাছেও লিড থাকার হাই চান্স আছে। তবুও কেন মামলার অগ্রগতি নেই? নতুন কোনো তথ্য পাওয়া যাচ্ছে না বলা হচ্ছে?

এ প্রশ্নগুলোর উত্তর অনুসন্ধানী সাংবাদিকরা জাতির সামনে উন্মুক্ত করলে অনেক জট খুলে যায়।’

এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের তফশিল ঘোষণার পরদিন গত ১২ ডিসেম্বর দুপুরে ঢাকার পুরানা পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডে ওসমান হাদিকে মাথায় গুলি করে দুর্বৃত্তরা। প্রথমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও পরে এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১৫ ডিসেম্বর তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরে নেওয়া হয়েছিল।

এরপর ১৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যায় হাদির মর‌দেহ দেশে আনা হয়। ২০ ডিসেম্বর দুপুর আড়াইটায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় লাখো জনতার অংশগ্রহণে হাদির জানাজা শুরু হয়। জানাজা শেষে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের সমাধি চত্বরে তাকে দাফন করা হয়।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার