বিজ্ঞাপন
রাজনৈতিক বিতর্ক নয়
গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিরসনে চাই বাস্তবসম্মত সমাধান
ফরিদুল ইসলাম
প্রকাশ: ২৫ আগস্ট ২০২৬, ০৯:৪১ এএম
বিজ্ঞাপন
বাংলাদেশের অর্থনীতি, শিল্প, কৃষি, নগরজীবন এবং সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার সঙ্গে গ্যাস ও বিদ্যুতের সম্পর্ক এখন অত্যন্ত নিবিড়। তাই গ্যাসের চাপ কমে যাওয়া, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হওয়া কিংবা লোডশেডিং বেড়ে যাওয়া কেবল একটি খাতের সমস্যা নয়; এর প্রভাব পড়ে কলকারখানার উৎপাদন, কর্মসংস্থান, সেচব্যবস্থা, ক্ষুদ্র ব্যবসা, শিক্ষা ও জনজীবনের ওপর। এমন পরিস্থিতিতে সবচেয়ে প্রয়োজন বাস্তবতা স্বীকার করা, সমস্যার প্রকৃত কারণ চিহ্নিত করা এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত সমাধান গ্রহণ করা। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটকে রাজনৈতিক বিতর্কের অস্ত্রে পরিণত করলে হয়তো সাময়িক বক্তব্যের বাজার গরম হবে, কিন্তু সমস্যার সমাধান হবে না। বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে সক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। বিদ্যুৎ বিভাগের ২০২৬ সালের তথ্য অনুযায়ী, দেশে মোট স্থাপিত বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতা ৩৩ হাজার মেগাওয়াটের বেশি হলেও সর্বোচ্চ উৎপাদন তার তুলনায় অনেক কম। অর্থাৎ শুধু কেন্দ্র নির্মাণ করলেই নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ নিশ্চিত হয় না; উৎপাদনের জন্য পর্যাপ্ত জ্বালানি, কার্যকর সঞ্চালনব্যবস্থা, দক্ষ বিতরণ এবং আর্থিক সক্ষমতা—সবকিছুর সমন্বয় প্রয়োজন।
বর্তমান সংকটের অন্যতম প্রধান কারণ হলো দেশীয় প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়া এবং আমদানিনির্ভরতার ঝুঁকি বৃদ্ধি। দেশীয় গ্যাসক্ষেত্রগুলোর অনুসন্ধান ও উন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ঘাটতি থাকায় ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সরবরাহের ব্যবধান তৈরি হয়েছে। সেই ঘাটতি পূরণে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস বা এলএনজির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। কিন্তু আন্তর্জাতিক বাজারের মূল্য, বৈদেশিক মুদ্রার চাপ, ভূরাজনৈতিক অস্থিরতা এবং আমদানি অবকাঠামোর কারিগরি সমস্যার কারণে এ নির্ভরতা সবসময় নিরাপদ নয়। সাম্প্রতিক অভিজ্ঞতাই এর প্রমাণ। একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ কমে যাওয়ায় বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প এবং অন্যান্য খাত ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে দেখা যায়, টার্মিনালটির আংশিক কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ার পর গ্যাস সরবরাহ কিছুটা বাড়লেও এমন একটি ঘটনার মধ্য দিয়েই দেশের জ্বালানি ব্যবস্থার কাঠামোগত দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। অন্যদিকে, সাম্প্রতিক আলোচনায় বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট মোকাবিলায় দেশীয় জ্বালানি অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং খাতভিত্তিক সংস্কারকে একসঙ্গে গুরুত্ব দিতে হবে। অর্থাৎ সমস্যাটি একক কোনো কারণে সৃষ্টি হয়নি, সমাধানও একক কোনো পদক্ষেপে সম্ভব নয়। বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে জরুরি কাজগুলোর একটি হলো নতুন গ্যাসক্ষেত্র অনুসন্ধান এবং বিদ্যমান ক্ষেত্রগুলোর উৎপাদন সক্ষমতা বাড়ানো। স্থলভাগ ও সমুদ্র—উভয় ক্ষেত্রেই আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর জরিপ ও অনুসন্ধান কার্যক্রম জোরদার করতে হবে। অনুসন্ধান প্রকল্প বছরের পর বছর পরিকল্পনার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকলে চলবে না; নির্দিষ্ট সময়সীমা, জবাবদিহি এবং ফলাফলভিত্তিক মূল্যায়ন নিশ্চিত করতে হবে। দেশীয় গ্যাস আবিষ্কার রাতারাতি সম্ভব নয়, কিন্তু অনুসন্ধান বিলম্বিত করলে ভবিষ্যতের সংকট আরও গভীর হবে। তাই আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রযুক্তি ও বিনিয়োগের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের দক্ষতা বৃদ্ধিও জরুরি। প্রয়োজন হলে স্বচ্ছ ও জাতীয় স্বার্থসংরক্ষণমূলক শর্তে অভিজ্ঞ আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব করা যেতে পারে।
এলএনজি বর্তমান বাস্তবতায় বাংলাদেশের জন্য প্রয়োজনীয় একটি জ্বালানি উৎস। কিন্তু একে একমাত্র বা প্রধান দীর্ঘমেয়াদি সমাধান হিসেবে বিবেচনা করা ঝুঁকিপূর্ণ। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধি কিংবা সরবরাহব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটলে পুরো অর্থনীতি চাপের মুখে পড়ে। তাই এলএনজি আমদানিতে দীর্ঘমেয়াদি ও স্বল্পমেয়াদি চুক্তির মধ্যে ভারসাম্য রাখতে হবে। সরবরাহকারীর সংখ্যা ও উৎস বহুমুখী করতে হবে এবং পর্যাপ্ত সংরক্ষণ ও পুনরায় গ্যাসীকরণ সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে কোনো একটি টার্মিনাল বা অবকাঠামো বিকল হলে বিকল্প ব্যবস্থা যেন দ্রুত কার্যকর করা যায়, সে ধরনের সক্ষমতা তৈরি করতে হবে। সাম্প্রতিক নীতিগত আলোচনাতেও এলএনজি ক্রয় ব্যবস্থাপনা উন্নত করা, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বাংলাদেশে নবায়নযোগ্য জ্বালানি, বিশেষত সৌরবিদ্যুতের সম্ভাবনা ব্যাপক। সরকারি ভবন, স্কুল-কলেজ, হাসপাতাল, কারখানা, গুদাম এবং বড় বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানের ছাদকে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদনের আওতায় আনা যেতে পারে। একই সঙ্গে উপযোগী এলাকায় বৃহৎ সৌরবিদ্যুৎ প্রকল্প বাস্তবায়ন করতে হবে। তবে নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ মানে শুধু সৌরপ্যানেল স্থাপন নয়। এর সঙ্গে গ্রিড আধুনিকায়ন, ব্যাটারি ও অন্যান্য জ্বালানি সংরক্ষণব্যবস্থা, স্মার্ট মিটারিং এবং চাহিদা ব্যবস্থাপনার সমন্বয় প্রয়োজন। বর্তমানে নবায়নযোগ্য খাতে বিনিয়োগের তুলনায় জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর বরাদ্দ ও নির্ভরতা অনেক বেশি—এ বাস্তবতা পরিবর্তনে সুস্পষ্ট নীতিগত অগ্রাধিকার দরকার।
বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণের পরিকল্পনা করার আগে নিশ্চিত করতে হবে—কেন্দ্রটি কী জ্বালানিতে চলবে, সেই জ্বালানি কোথা থেকে আসবে এবং কত ব্যয়ে পাওয়া যাবে। শুধু কাগজে উচ্চ উৎপাদন সক্ষমতা দেখিয়ে বাস্তবে জ্বালানির অভাবে কেন্দ্র বসিয়ে রাখলে জনগণের অর্থের সঠিক ব্যবহার হয় না। নীতিনির্ধারণের ক্ষেত্রে ‘ক্ষমতা’ ও ‘নির্ভরযোগ্য উৎপাদন’—এই দুই ধারণার মধ্যে পার্থক্য স্পষ্টভাবে বিবেচনা করতে হবে। একটি কেন্দ্রের নামমাত্র উৎপাদনক্ষমতা নয়, বরং বছরজুড়ে কতটুকু নির্ভরযোগ্যভাবে বিদ্যুৎ দিতে পারছে, সেটিই হওয়া উচিত পরিকল্পনার মূল সূচক। গ্যাস থাকলেই যেমন সব বিদ্যুৎকেন্দ্র চলবে না, তেমনি বিদ্যুৎ উৎপাদন করলেই তা নির্বিঘ্নে গ্রাহকের কাছে পৌঁছাবে—এমনটিও নয়। সঞ্চালন লাইন, উপকেন্দ্র ও বিতরণব্যবস্থার সীমাবদ্ধতার কারণে অনেক সময় উৎপাদিত বিদ্যুতের পূর্ণ ব্যবহার সম্ভব হয় না। তাই জাতীয় গ্রিডকে আধুনিক, স্বয়ংক্রিয় ও সমন্বিত করতে হবে। পুরোনো ও ঝুঁকিপূর্ণ অবকাঠামো চিহ্নিত করে পর্যায়ক্রমে সংস্কার করতে হবে। কোথায় কত বিদ্যুতের চাহিদা রয়েছে, কোথায় লোড বাড়ছে এবং কোথায় অবকাঠামো দুর্বল—এসব তথ্যভিত্তিক পরিকল্পনা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়।
সংকট মোকাবিলার সবচেয়ে সাশ্রয়ী উপায়গুলোর একটি হলো অপচয় কমানো। অপ্রয়োজনীয় আলো, শীতাতপ নিয়ন্ত্রণ যন্ত্র, পুরোনো ও বিদ্যুৎখেকো যন্ত্রপাতির ব্যবহার কমানো এবং শিল্পকারখানায় জ্বালানি দক্ষ প্রযুক্তি চালু করার মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ বিদ্যুৎ সাশ্রয় সম্ভব। সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারের জন্য নির্দিষ্ট দক্ষতা মানদণ্ড চালু করা প্রয়োজন। বিদ্যুৎ বিভাগের নীতিগত দলিলেও জ্বালানি দক্ষতা ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিকে টেকসই জ্বালানি নিরাপত্তার গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। সংকটের সময়ে জ্বালানি বণ্টনে অগ্রাধিকার নির্ধারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রপ্তানিমুখী ও কর্মসংস্থাননির্ভর শিল্প, খাদ্য উৎপাদন ও সার কারখানা, হাসপাতাল এবং জরুরি জনসেবাকে পরিকল্পিতভাবে অগ্রাধিকার দিতে হবে। তবে এ ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা থাকতে হবে, যাতে প্রভাবশালী কোনো গোষ্ঠী অযৌক্তিক সুবিধা না পায়। প্রয়োজনে চাহিদাভিত্তিক লোড ব্যবস্থাপনা ও সময়ভিত্তিক বিদ্যুৎ ব্যবহার নীতি আরও কার্যকর করা যেতে পারে। জনগণকে আগে থেকে তথ্য দিয়ে পরিকল্পিত ও সীমিত লোডশেডিং করা হঠাৎ ও অনিশ্চিত বিদ্যুৎ বিভ্রাটের চেয়ে কম ক্ষতিকর।
বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের আর্থিক দুর্বলতা দূর করা ছাড়া টেকসই সমাধান সম্ভব নয়। উচ্চমূল্যের অদক্ষ কেন্দ্র, অস্বচ্ছ ক্রয়প্রক্রিয়া, অপ্রয়োজনীয় সক্ষমতা এবং দুর্বল চুক্তি ভবিষ্যতে জনগণের ওপরই আর্থিক বোঝা তৈরি করে। প্রতিটি বড় প্রকল্পের অর্থনৈতিক সম্ভাব্যতা, প্রকৃত চাহিদা, জ্বালানির প্রাপ্যতা এবং দীর্ঘমেয়াদি ব্যয় স্বাধীনভাবে মূল্যায়ন করা উচিত। ক্রয় ও চুক্তি প্রক্রিয়ায় প্রতিযোগিতা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে। সাম্প্রতিক গবেষণা ও নীতিগত পর্যালোচনাতেও অদক্ষ ও ব্যয়বহুল কেন্দ্র পর্যায়ক্রমে বাদ দেওয়া, গ্রিড আধুনিকায়ন এবং খাতের আর্থিক ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে। গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট কোনো একটি সরকার, রাজনৈতিক দল বা একক প্রতিষ্ঠানের সমস্যা নয়; এটি জাতীয় অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ উন্নয়নের প্রশ্ন। অতীতের ভুল নিয়ে আলোচনা অবশ্যই হতে পারে এবং দায়বদ্ধতাও নিশ্চিত করতে হবে। কিন্তু শুধু দোষারোপের রাজনীতি দিয়ে গ্যাসের নতুন উৎস আবিষ্কার হবে না, বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি পৌঁছাবে না কিংবা গ্রিড আধুনিক হবে না। প্রয়োজন একটি জাতীয় জ্বালানি ঐকমত্য। সরকার, বিরোধী রাজনৈতিক শক্তি, জ্বালানি বিশেষজ্ঞ, প্রকৌশলী, অর্থনীতিবিদ, ব্যবসায়ী প্রতিনিধি এবং নাগরিক সমাজকে নিয়ে তথ্যভিত্তিক দীর্ঘমেয়াদি রোডম্যাপ তৈরি করা জরুরি। সেই পরিকল্পনা এমন হতে হবে, যা সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে বাতিল না হয়ে জাতীয় অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এগিয়ে যাবে।
বাংলাদেশের গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকটের কোনো জাদুকরি সমাধান নেই। এর জন্য প্রয়োজন সাহসী কিন্তু বাস্তবসম্মত সিদ্ধান্ত, দক্ষ ব্যবস্থাপনা এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ধারাবাহিকতা। দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়ানো, এলএনজি আমদানিতে ঝুঁকি কমানো, সৌর ও নবায়নযোগ্য জ্বালানির বিস্তার, গ্রিড আধুনিকায়ন, জ্বালানি সাশ্রয়, আর্থিক শৃঙ্খলা এবং স্বচ্ছতা—এই কয়েকটি ক্ষেত্রকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নিতে হবে। আজ সবচেয়ে বড় প্রয়োজন রাজনৈতিক বক্তব্যের প্রতিযোগিতা নয়, বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়া। জনগণ জানতে চায়—কখন এবং কীভাবে নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানি নিশ্চিত হবে; শিল্পমালিক জানতে চান—কীভাবে উৎপাদন সচল থাকবে; কৃষক জানতে চান—সেচে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মিলবে কি না। এসব প্রশ্নের উত্তর রাজনৈতিক স্লোগানে নয়, দিতে হবে কার্যকর নীতি ও বাস্তব কাজের মাধ্যমে। গ্যাস ও বিদ্যুৎ কোনো বিলাসিতা নয়—এগুলো আধুনিক রাষ্ট্র ও অর্থনীতির মৌলিক অবকাঠামো। তাই এই সংকট নিরসনে এখনই প্রয়োজন জাতীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাস্তবসম্মত সমাধানের পথে এগিয়ে যাওয়া। রাজনৈতিক বিতর্ক চলুক গণতান্ত্রিক পরিসরে, কিন্তু জ্বালানি নিরাপত্তার প্রশ্নে দেশকে আর পরীক্ষাগারে পরিণত করা যাবে না।
লেখক: ফরিদুল ইসলাম, চিন্তক, শিক্ষাবিদ, কবি ও গবেষক।