Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

পে স্কেলে ৭০ সচিবের ‘বিরোধিতা’, জানাল কারণ ও ব্যাখ্যা

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৯:১৮ পিএম

পে স্কেলে ৭০ সচিবের ‘বিরোধিতা’, জানাল কারণ ও ব্যাখ্যা

বিজ্ঞাপন

নবম পে স্কেল কার্যকর করার বিষয়ে সরকারি কর্মচারীদের প্রত্যাশার সঙ্গে কমিশনের সুপারিশের প্রস্তুতি এখনো চলমান। জাতীয় বেতন কমিশন সব মন্ত্রণালয়ের ৭০-এরও বেশি সচিবের সঙ্গে চার দফায় মতবিনিময় করেছে। বৈঠকগুলোতে সচিবরা আকাশচুম্বী বা অতিরিক্ত বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাবের বিরোধিতা করেছেন। তারা কার্যকর, বাস্তবসম্মত সুপারিশ করতে এবং সরকারের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন।

কমিশন সূত্রে জানা গেছে, অনলাইনের মাধ্যমে প্রায় আড়াই শতাধিক সংগঠন থেকে মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এর মধ্যে সর্বশেষ সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ গ্রহণ করা হয়েছে। 

কমিশনের এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ‘সচিবদের সঙ্গে একসঙ্গে সভা আয়োজন করা চ্যালেঞ্জিং ছিল। তাই ধাপে ধাপে মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এগুলো বর্তমানে পর্যালোচনার মধ্যে আছে।’

সুপারিশ চূড়ান্ত করার প্রক্রিয়া পূর্ণোদ্যমে চলছে। কমিশনের সদস্যরা জানাচ্ছেন, কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে এবং শিগগিরই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হতে পারে। এতে সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো এবং গ্রেড পুনর্বিন্যাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হবে।

সচিবদের এই পরামর্শ সুপারিশ প্রণয়নের মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। পে স্কেলের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

নবম পে স্কেল নিয়ে সব মন্ত্রণালয়ের ৭০ জনেরও বেশি সচিবের সঙ্গে চার দফায় মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় মতামত সংগ্রহ করেছে কমিশন। আকাশচুম্বী সুপারিশ না করে বাস্তবসম্মত সুপারিশের জন্য মতামত দিয়েছেন তারা।

পে কমিশন সূত্রে জানা যায়, অনলাইনে মতামত গ্রহণের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সবশেষ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত সংগ্রহ করা হয়। সুপারিশ প্রণয়নে তাদের মতামত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কমিশনের এক কর্মকর্তা সংবাদমাধ্যমকে জানান, ‘সচিবদের মতামত নেয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। কারণ সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয়। তাই তাদের সঙ্গে ধাপে ধাপে সভা করা হয়েছে। তারা গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন। এগুলো বর্তমানে পর্যালোচনা চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কমিশন সুপারিশ জমা দিতে পারবে বলে আশা করছি।’ এদিকে সুপারিশ চূড়ান্ত করতে পূর্ণোদ্যমে কাজ চলছে জানিয়ে কমিশনের সদস্যরা বলছেন, এরইমধ্যে কাজের অর্ধেকের বেশি সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেয়া হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো এবং গ্রেড পুনর্বিন্যাসের বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হবে।

এর আগে, রবিবার (৩০ নভেম্বর) পে কমিশনের কাছে চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়ার জন্য কর্মচারীদের দেওয়া আল্টিমেটামের শেষ হয়েছে।

তবে নবম পে স্কেল প্রণয়নে দ্রুত অগ্রগতি করছে পে কমিশন। এরই মধ্যে সরকারের সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে চার দফায় মতবিনিময় করে প্রয়োজনীয় মতামত সংগ্রহ করেছে কমিশন। ৭০-এর বেশি সচিবের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এসব সভায় পে স্কেল নিয়ে নানা প্রস্তাব ও সুপারিশ উঠে এসেছে।

গতকাল রবিবার (৩০ নভেম্বর) পে কমিশনের একটি সূত্র গণমাধ্যমকে জানায়, অনলাইনে মতামত গ্রহণের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সর্বশেষ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে, যা সুপারিশ প্রণয়নে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, ৭০-এর বেশি সচিবের মতামত নেওয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল। সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয়—এটি মাথায় রেখেই চার ধাপে সভা করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে ১৭ বা তার বেশি সচিব অংশ নেন এবং গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এগুলো বর্তমানে পর্যালোচনা চলছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কমিশন সুপারিশ জমা দিতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

এর আগে, ২৪ ও ২৬ নভেম্বর সচিবদের সঙ্গে বৈঠকের পর কমিশনের চেয়ারম্যান জানান, আলোচনা ‘ফলপ্রসূ’ হলেও কয়েকজন সচিব অনুপস্থিত থাকায় আবারও বৈঠক হবে। সুপারিশ কবে জমা দেওয়া সম্ভব এ বিষয়ে তিনি জানান, খুব দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট দিতে পারব বলে আশা করছি।

নবম পে স্কেল প্রণয়নে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে পে কমিশন। সরকারের সব মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে চার ধাপে মতবিনিময় শেষে গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব ও সুপারিশ সংগ্রহ করেছে কমিশন। ৭০-এর বেশি সচিব এতে অংশ নেন।

কমিশনের একটি সূত্র জানায়, অনলাইনে মতামত গ্রহণের পাশাপাশি এখন পর্যন্ত আড়াই শতাধিক সংগঠনের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। সর্বশেষ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে তাদের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে, যা চূড়ান্ত সুপারিশ প্রণয়নে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনায় নেওয়া হচ্ছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কমিশনের একজন কর্মকর্তা বলেন, ৭০-এর বেশি সচিবের মতামত নেওয়া অনেক বড় চ্যালেঞ্জ ছিল। সবাইকে একসঙ্গে পাওয়া সম্ভব নয়-এটি মাথায় রেখে চার ধাপে সভা করা হয়েছে। প্রতিটি সভায় ১৭ বা তার বেশি সচিব গুরুত্বপূর্ণ মতামত দেন। এগুলো এখন পর্যালোচনা চলছে।

তিনি আরও জানান, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কমিশন সুপারিশ জমা দিতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।

গত সোমবার সচিবদের সঙ্গে প্রথম দফা আলোচনার পর কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, আলোচনা ফলপ্রসূ হলেও সবাই উপস্থিত থাকতে পারেননি। তাই পরবর্তী ধাপেও তাদের নিয়ে বৈঠক করা হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, আলোচনা শেষ হলে দ্রুত সময়ের মধ্যেই চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া সম্ভব হবে।

কমিশনের সদস্যরা জানিয়েছেন, কাজ পূর্ণোদ্যমে চলছে। ইতোমধ্যেই অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়েছে। আগামী মাসেই চূড়ান্ত সুপারিশ জমা দেওয়া হতে পারে। সর্বনিম্ন বেতন কাঠামো ও গ্রেড পুনর্বিন্যাসকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে বলেও তারা জানান।

সম্প্রতি পে কমিশনের চেয়ারম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির। বৈঠক শেষে তিনি জানান, কমিশনের অগ্রগতি সন্তোষজনক এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে কমিশন সদস্যদের মতামতই প্রাধান্য পাবে।

নবম পে-স্কেল ডিসেম্বরের মধ্যে বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন সরকারি চাকরিজীবীরা। ৩০ নভেম্বরের মধ্যে পে কমিশনের সুপারিশ চূড়ান্ত করার আল্টিমেটামও দিয়েছিলেন। সেই আল্টিমেটাম শেষ হওয়ায় নতুন করে আন্দোলনের পরিকল্পনা সাজাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন কর্মচারীরা। তবে তাদের এ আন্দোলন নিয়ে মাথা ঘামাচ্ছেন না বলে কমিশন সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

রবিবার (৩০ সেপ্টেম্বর) পে-কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, পে-কমিশন নবম পে-স্কেলের সুপারিশমালা প্রণয়নে কাজ করছে। আন্দোলন নিয়ে তারা মাথা ঘামাচ্ছে না। এই মুহূর্তে দ্রুত সময়ের মধ্যে সুপারিশমালা তৈরি করায় তাদের মনোযোগ বেশি। 

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে কমিশনের সাথে সম্পৃক্ত এক কর্মকর্তা বলেন, ‘আন্দোলন করা সবার গণতান্ত্রিক অধিকার। যে কেউ, যে কোনো ইস্যুতে আন্দোলন করতে পারেন। ফলে কর্মচারীরা মহাসমাবেশ করবেন নাকি আন্দোলন করবেন তা কমিশনের দেখার বিষয় না। কমিশন নির্ধারিত সময়ে সুপারিশ জমা দিতে বদ্ধ পরিকর। এজন্য কাজ করছে কমিশন।’

নবম পে-স্কেল নিয়ে অন্তর্বর্তী সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরে কর্মরত সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করেছে পে-কমিশন। বৈঠকে নবম পে-স্কেল নিয়ে আকাশচুম্বী সুপারিশ না করে বাস্তবসম্মত সুপারিশের মতামত দিয়েছেন সচিবরা। সম্প্রতি চারটি ধাপে ৭০ এর অধিক সচিবের সঙ্গে সভা করেছে পে-কমিশন। প্রতিটি ধাপে ১৭ কিংবা তার অধিক সচিব কমিশনের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত দিয়েছেন। 

গত সোমবার (২৪ নভেম্বর) প্রথম ধাপে সচিবদের সঙ্গে বৈঠক করে কমিশন। কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, নবম পে-স্কেল নিয়ে অনলাইনে মতামত গ্রহণের পর প্রায় আড়াই শতাধিক সংগঠনের সাথে আলোচনা করা হয়েছে। সবশেষ ৭০ এর অধিক মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামত নেওয়া হয়েছে। সচিবদের মতামতগুলো গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হচ্ছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পে-কমিশনের সঙ্গে সম্পৃক্ত এক কর্মকর্তা বলেন, ‘৭০ এর অধিক সচিবের মতামত গ্রহণ করা খুবই কঠিন বিষয় ছিল। সব সচিবকে একসঙ্গে পাওয়া যাবে না, এটি ধরেই চারটি ধাপে সভা করা হয়েছে। প্রতিটি ধাপে ১৭ কিংবা এর অধিক সচিব সভায় অংশগ্রহণ করেছেন। তারা গুরুত্বপূর্ণ মতামত দিয়েছেন। মতামতগুলো পর্যালোচনা করা হচ্ছে। কমিশন নির্ধারিত সময়েই তাদের সুপারিশ জমা দেবে।’

সচিবরা কেমন পে-স্কেলের সুপারিশ করেছেন, এমন প্রশ্নের জবাবে ওই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘সচিবরা নানা মতামত দিয়েছেন। তবে অধিকাংশ সচিব একটি বাস্তবসম্মত সুপারিশ প্রণয়নের প্রস্তাব করেছেন। কোনো কোনো সংগঠন বর্তমান বেতন স্কেলের চেয়ে তিনগুন, চারগুন বৃদ্ধির প্রস্তাব করেছেন। এ ধরনের আকাশচুম্বী প্রস্তাব গ্রহণ না করতে মতামত দিয়েছেন সচিবরা।’

তিনি আরও বলেন, ‘সচিবরা বলেছেন বর্তমান দ্রব্যমূল্যোর ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বেতন স্কেলের যেন সামঞ্জস্য থাকে, কমিশনকে সেভাবে সুপারিশ করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আগামী ৫-১০ বছর পর নিত্যপণ্যের দাম কেমন হতে পারে সেটিও বিবেচনায় নিতে বলা হয়েছে। প্রস্তাবে সচিবরা সরকারের আর্থিক সক্ষমতার বিষয়টিও বিবেচনায় নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন কমিশনকে।’

গত ২৪ নভেম্বর সচিবদের সঙ্গে প্রথম বৈঠক শেষে পে-কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খান বলেন, ‘আলোচনা ফলপ্রসূ হয়েছে। তবে সব সচিব সভায় উপস্থিত হননি। পরবর্তীতে সচিবদের নিয়ে আবারও আলোচনা হবে।’ কবে নাগাদ সুপারিশ হতে পারে- এমন প্রশ্নের জবাবে চেয়ারম্যান বলেন, ‘আলোচনা শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যেই রিপোর্ট জমা দিতে পারব বলে আশা করছি।’ এর একদিন পরেই দ্বিতীয় পর্যায়ে সচিবদের সঙ্গে বসে কমিশন।

এদিকে কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সুপারিশ চূড়ান্ত করতে কমিশনের সদস্যরাসহ সংশ্লিষ্টরা পুরোদমে কাজ করে যাচ্ছেন। এই মুহূর্তে অর্ধেকের বেশি কাজ সম্পন্ন হয়ে গেছে। আগামী মাসেই চূড়ান্ত সুপারিশ দাখিল করা হতে পারে। এক্ষেত্রে সর্বনিম্ন বেতন এবং গ্রেড ভাঙার বিষয়টি বিশেষভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি বাদিউল কবির। বৈঠকের বিষয়ে তিনি বলেন, কমিশনের চেয়ারম্যান তো ব্যক্তিগতভাবে উনার মতামত ব্যক্ত করতে পারেন না। কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে পরামর্শক্রমে তাদের মতামত নিয়েই যে কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। সে অনুযায়ী চেয়ারম্যান আমাদের কাছে যে অভিমত বা কার্যক্রমের অগ্রগতির কথা ব্যক্ত করেছেন তাতে আমরা সন্তুষ্ট।’

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার