কালের কণ্ঠর ডিক্লারেশন বাতিলে নির্দেশ কেন নয়: হাইকোর্ট
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৫:৫৯ পিএম
দৈনিক কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন কেন বাতিল করার নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ১৫ দিনের মধ্যে রিট আবেদনকারী ১১ সাংবাদিকের পাওনা পরিশোধের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
পত্রিকাটির সাবেক ১১ সাংবাদিকের করা আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে সোমবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি ফাতেমা আনোয়ারের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।
আদালতে রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মানজুর আল মতিন, সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী দেবাশীষ দেব।
মানজুর বলেন, “কালের কণ্ঠের ডিক্লারেশন কেন বাতিল প্রশ্নে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে রিটকারী সাংবাদিকদের পাওনা ১৫ দিনের মধ্যে পরিশোধের নির্দেশনা দিয়েছে আদালত।”
তিনি জানান, চাকরিকালীন আর্থিক সুবিধা না পেয়ে গত ১৭ অগাস্ট কালের কণ্ঠ কর্তৃপক্ষকে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়। কিন্তু কর্তৃপক্ষ কোনো ব্যবস্থা না নেওয়ায় গত ১৩ অক্টোবর কালের কণ্ঠ থেকে চাকরিচ্যুত ও চাকরি ছেড়ে দেওয়া ১১ সাংবাদিক ওই রিট আবেদন করেন।
আবেদনকারীরা হলেন— মো. শাহ আলম, মো. জাহেদুল আলম, কাকলী প্রধান, দেওয়ান আতিকুর রহমান, আবু সালেহ মোহাম্মদ শফিক, কে এম লতিফুল হক, আসাদুর রহমান, মো. রোকনুজ্জামান, শামসুন নাহার, মো. লতিফুল বাশার (লিমন বাশার) ও হানযালা হান।
১১ সাংবাদিক চাকরি ছাড়ার পর তাদেরকে দেওয়া কর্তৃপক্ষের ব্যাংক চেকগুলো নগদায়ন না হওয়ায় তারা রিট আবেদন করেন, যেখানে পত্রিকাটির ডিক্লারেশন বাতিল চাওয়া হয় এবং তাদের পাওনা পরিশোধের নির্দেশনা চাওয়া হয়।
রিট আবেদনে তথ্য সচিব, বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যান, ঢাকা জেলা প্রশাসক ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেট, বসুন্ধরা গ্রুপের চেয়ারম্যান আহমেদ আকবর সোবহান, বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সায়েম সোবহান আনভীর এবং কালের কণ্ঠের প্রকাশক ময়নাল হোসেন চৌধুরীকে বিবাদী করা হয়।