Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেপ্তার এক

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৪২ পিএম

গৃহবধূর আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল, গ্রেপ্তার এক

বিজ্ঞাপন

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীতে এক গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে শারীরিক সম্পর্কের সময় গোপনে আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করার অভিযোগে নূর আলম শেখ (৩২) নামে এক ধর্মীয় শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। রোববার (১ নভেম্বর) রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীনগর উপজেলার একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ সময় তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনও জব্দ করা হয়েছে।

গ্রেপ্তার নূর আলম শেখ গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার তেলিগাতী গ্রামের বাসিন্দা। তিনি টঙ্গিবাড়ী উপজেলার একটি জামে মসজিদে প্রায় ১৮ মাস ধরে ইমামতি করছিলেন। পাশাপাশি স্থানীয় ছয় বছর বয়সী এক শিশুকে বাড়িতে গিয়ে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেন।

পুলিশের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শিশুটিকে ধর্মীয় শিক্ষা দেওয়ার সুবাদে তার মায়ের সঙ্গে পরিচয় হয় নূর আলমের। একপর্যায়ে ওই গৃহবধূর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তুলে শারীরিক সম্পর্কে জড়ান তিনি। এ সময় গোপনে তাদের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন। প্রায় এক মাস আগে তাদের সম্পর্কের বিষয়টি জানাজানি হলে মসজিদ কমিটি তাকে ইমামতি থেকে বহিষ্কার করে এলাকা ছাড়তে বাধ্য করে।

এরপর থেকেই ওই গৃহবধূকে বিভিন্নভাবে হুমকি দিয়ে আসছিলেন নূর আলম। তাঁর সঙ্গে দেখা করে ঘনিষ্ঠ হওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। একপর্যায়ে নিজের ধারণ করা আপত্তিকর ভিডিওটি গৃহবধূর পরিবারের এক সদস্যের কাছে অনলাইনে পাঠিয়ে দেন। তাঁর সঙ্গে দেখা না করলে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

পুলিশ জানায়, রোববার বিকেল ৪টার দিকে এ বিষয়ে তথ্য পাওয়ার পর পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম পিপিএমের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. কামরান হোসেনের তত্ত্বাবধানে জেলা গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল অভিযান চালায়। পুলিশ পরিদর্শক অর্জুন কুমার দাশ, এসআই আবুল কালাম আজাদ বিপিএম ও এসআই রেজাউল কাজীর নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীনগরের একটি মাদ্রাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ডিবি পুলিশের দাবি, গ্রেপ্তারের পর জিজ্ঞাসাবাদে নূর আলম ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেছেন। ব্যক্তিগত জীবনে তিনি বিবাহিত এবং চার সন্তানের জনক। তাঁর বিরুদ্ধে টঙ্গিবাড়ী থানায় নিয়মিত মামলা দায়েরের প্রক্রিয়া চলছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার