বিজ্ঞাপন
এমপিও শিক্ষকদের পে-স্কেল নিয়ে বড় সুখবর
জাগো বাংলা প্রতিবেদন
প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০২:৩৯ পিএম
বিজ্ঞাপন
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য অবশেষে আসছে বহুল প্রতীক্ষিত স্বস্তির সংবাদ। সরকারি চাকরিজীবীদের মতো তাঁরাও নবম জাতীয় পে-স্কেলের আওতায় আসতে যাচ্ছেন। রোববার শিক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে এই ইতিবাচক প্রতিশ্রুতির বার্তা মেলার পর থেকেই সারা দেশের শিক্ষক সমাজের মধ্যে নতুন আশার সঞ্চার হয়েছে। তবে প্রশাসনিক ও কারিগরি জটিলতার কারণে নতুন স্কেলের আর্থিক সুফল হাতে পেতে তাঁদের কিছু দিন অপেক্ষা করতে হতে পারে।
দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময়ের সাংবাদিকতার অভিজ্ঞতায় দেখা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা সংক্রান্ত যেকোনো নীতিগত সিদ্ধান্ত বাস্তবে রূপ নিতে কয়েকটি কাঠামোগত ধাপ পার হতে হয়। শিক্ষা ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায়ে ইতিমধ্যে গেজেট কার্যকর করার প্রাথমিক আলোচনা চূড়ান্ত হলেও চূড়ান্ত বল এখন অর্থ বিভাগের কোর্টে। পৃথক গেজেট প্রকাশের মাধ্যমেই এই পে-স্কেলের আনুষ্ঠানিক রূপায়ন ঘটবে।
তবে পে-স্কেল ঘোষণার পর সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায় তা বাস্তবায়নের কারিগরি প্রক্রিয়া। সাধারণ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তুলনায় মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা ধারার শিক্ষক-কর্মচারীদের নতুন স্কেলের বেতন-ভাতার হিসাব প্রস্তুত করা বেশ জটিল ও সময়সাপেক্ষ কাজ। প্রতিটি পদের স্কেল পুনর্নির্ধারণে ম্যানুয়াল বা হাতে-কলমে হিসাব করতে হওয়ায় এই দুই খাতের শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন পেতে কিছুটা অতিরিক্ত সময় লাগবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রের আভাষ অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর বা আগামী বছরের জানুয়ারি নাগাদ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এই নতুন বেতন কাঠামোর পূর্ণ সুফল পেতে শুরু করবেন। প্রক্রিয়াটি কত দ্রুত সম্পন্ন হবে, তা মূলত নির্ভর করছে অর্থ বিভাগের প্রশাসনিক তৎপরতার ওপর।
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জীবনমান উন্নয়ন এবং রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধার সমতা নিশ্চিতে এই উদ্যোগ অত্যন্ত সময়োপযোগী। মাঠপর্যায়ের জটিলতা দ্রুত কাটিয়ে উঠে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই শিক্ষকরা যেন তাঁদের প্রাপ্য বুঝে পান-এমনটাই এখন শিক্ষক সমাজের মূল প্রত্যাশা।