Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

‘মাল নাকি নারী লাগবে’, এ প্রশ্নে পুলিশের উত্তরের পর যা ঘটল

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৭ পিএম

‘মাল নাকি নারী লাগবে’, এ প্রশ্নে পুলিশের উত্তরের পর যা ঘটল

বিজ্ঞাপন

‘মাল লাগবে নাকি নারী লাগবে?’, ক্রেতা সেজে যাওয়া এক পুলিশ কর্মকর্তাকে এমন প্রশ্ন করেন এক ব্যক্তি। জবাবে ওই কর্মকর্তা গাঁজা কেনার কথা জানান। পরে টাকা দিয়ে গাঁজার পুরিয়া নিয়ে আগে থেকে ছদ্মবেশে থাকা পুলিশ সদস্যদের সংকেত দেন তিনি।

এরপর অভিযান চালিয়ে জামালপুর পৌরসভার রাণীগঞ্জ যৌনপল্লীর একটি ঘর থেকে সাড়ে ৬ কেজি গাঁজাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) রাতে রাণীগঞ্জ যৌনপল্লীর ৬ নম্বর বাড়ির একটি কক্ষে এ অভিযান চালানো হয়। পরে গ্রেপ্তার দুইজনকে শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তাররা হলেন ইসরাফিল (২০) ও সুফিয়া বেগম (৪০)। ইসরাফিল জামালপুর সদর উপজেলার পাথালিয়া উত্তরপাড়া এলাকার দুদু মিয়ার ছেলে। সুফিয়া বেগম মেলান্দহ উপজেলার মালঞ্চ এলাকার লাল মিয়ার মেয়ে। উদ্ধার করা গাঁজার আনুমানিক বাজারমূল্য ১ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

পুলিশ জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে রাণীগঞ্জ যৌনপল্লীতে মাদক কেনাবেচার তথ্য পায় জামালপুর সদর থানা পুলিশ। পরে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিবের নির্দেশনায় বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে অভিযান চালানো হয়। এতে নেতৃত্ব দেন সদর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) আছাদুজ্জামান। তিনি ক্রেতা সেজে রিকশায় করে যৌনপল্লীতে প্রবেশ করেন।

এসআই আছাদুজ্জামান জানান, যৌনপল্লীতে প্রবেশের পর এক ব্যক্তি তার কাছে জানতে চান, ‘মাল লাগবে নাকি নারী লাগবে?’ জবাবে তিনি প্রথমে গাঁজা কেনার কথা জানান। পরে টাকা দিয়ে গাঁজার পুরিয়া নেওয়ার পর আগে থেকে ছদ্মবেশে অবস্থান করা পুলিশ সদস্যদের সংকেত দেন। এ সময় তাঁরা ওই ব্যক্তিকে আটক করেন। পরে যৌনপল্লীর ৬ নম্বর বাড়িতে অভিযান চালানো হয়।

অভিযানে একটি নীল পলিথিনে রাখা ২ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়। এ ছাড়া লাল রঙের একটি প্লাস্টিকের বালতিতে বিভিন্ন পোস্টারের কাগজে মোড়ানো ৭৪০টি পুরিয়ায় আরও ৪ কেজি ৫০০ গ্রাম গাঁজা পাওয়া যায়। সব মিলিয়ে সাড়ে ৬ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়েছে। এ সময় গাঁজা বিক্রিতে ব্যবহৃত একটি ডিজিটাল পাল্লা ও নগদ ২ হাজার ৫০ টাকাও জব্দ করা হয়।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

জামালপুর সদর থানার ওসি মো. নাজমুস সাকিব বলেন, মাদকের সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক প্রতিরোধে সামাজিকভাবে প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি এ বিষয়ে পুলিশকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতা করতে জামালপুরবাসীর প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার