Logo
Logo
×

বিজ্ঞাপন

জাতীয়

সরকারি বাসায় ভাড়াটে রাখলে বরাদ্দ বাতিল, সরাতে হবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে

Icon

জাগো বাংলা প্রতিবেদন

প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৫ পিএম

সরকারি বাসায় ভাড়াটে রাখলে বরাদ্দ বাতিল, সরাতে হবে ৩১ অক্টোবরের মধ্যে

বিজ্ঞাপন

সরকারি বাসা বরাদ্দ নিয়ে নিজে বসবাস না করে অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন-এমন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে সরকার। আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সরকারি বাসা থেকে সব ভাড়াটে ও সাবলেটগ্রহীতাকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের পরও কোনো সরকারি বাসায় ভাড়াটে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বাসা বরাদ্দ বাতিলের পাশাপাশি তাঁর বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সরকারি আবাসন পরিদপ্তর এ সংক্রান্ত জরুরি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। পরিদপ্তরের আওতাধীন সব সরকারি বাসা ও ফ্ল্যাটের বরাদ্দপ্রাপকদের জন্য এ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিদর্শন দলের প্রতিবেদনে দেখা গেছে, কিছু সরকারি চাকরিজীবী তাঁদের নামে বরাদ্দ করা বাসার এক বা একাধিক কক্ষ কিংবা পুরো ফ্ল্যাট অন্যের কাছে ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন।

বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২ অনুযায়ী এ ধরনের কার্যক্রম নিষিদ্ধ। তাই যাঁরা ইতিমধ্যে সরকারি বাসা ভাড়া বা সাবলেট দিয়েছেন, তাঁদের আগামী ৩১ অক্টোবরের মধ্যে ভাড়াটে ও সাবলেটগ্রহীতাদের সরিয়ে নিতে হবে।

একই সঙ্গে বরাদ্দপ্রাপ্ত কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিজেদের নামে বরাদ্দ করা বাসায় নিজেরা বসবাস করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে সতর্ক করে বলা হয়েছে, নির্ধারিত সময়সীমা শেষ হওয়ার পর কোনো সরকারি বাসায় ভাড়াটে বা সাবলেটগ্রহীতা পাওয়া গেলে কোনো কারণ দর্শানো ছাড়াই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির বাসা বরাদ্দ বাতিল করা হবে।

এ ছাড়া প্রচলিত বিধি অনুযায়ী তাঁর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালার ১৪(৩) বিধি অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট বরাদ্দপ্রাপকের অফিসপ্রধান ও নিয়ন্ত্রণকারী কর্তৃপক্ষকেও বিষয়টি জানানো হবে। ওই কর্মকর্তা বা কর্মচারীর বিরুদ্ধে শৃঙ্খলামূলক ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ জানাবে সরকারি আবাসন পরিদপ্তর।

আবাসন পরিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, রাজধানীর আজিমপুর, মতিঝিল ও মিরপুরসহ বিভিন্ন এলাকায় সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের অধীনে ফ্ল্যাট ও বাসা রয়েছে। এসব বাসা কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নামে বরাদ্দ দেওয়া হলেও তাঁদের কেউ কেউ সেখানে বসবাস না করে অন্যের কাছে ভাড়া দিয়ে আসছেন।

পরিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, রাজধানীতে বিভিন্ন শ্রেণির মোট ১৯ হাজার ৯১টি সরকারি বাসা রয়েছে। এর মধ্যে সচিবদের জন্য রয়েছে ১১৪টি সচিব নিবাস ও ৭৯টি বাংলো। এ ছাড়া বিভিন্ন গ্রেডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য শ্রেণিভেদে আরও বাসা ও ফ্ল্যাট বরাদ্দ রয়েছে।

Logo

সম্পাদক ও প্রকাশক: মহিউদ্দিন সরকার